ঢাকা     রোববার   ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ ||  অগ্রহায়ণ ২০ ১৪২৯ ||  ০৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪১৪

শরীয়তপুরে আ.লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৪২ 

শরীয়তপুর সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:২২, ৮ ডিসেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৭:২৩, ৮ ডিসেম্বর ২০২১
শরীয়তপুরে আ.লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৪২ 

শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৪২ জন আহত হয়েছেন। 

বুধবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল ৭টার দিকে চিতলিয়া ইউনিয়নের গাজার বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকতার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চিতলিয়ায় ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ১১ নভেম্বর। ওই ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান মাস্টার হারুন-অর-রশিদ হাওলাদার। বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন আব্দুস সালাম হাওলাদার। পরে আব্দুস সালাম মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। তখন হারুন-অর-রশিদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভবনা তৈরি হয়। কিন্তু সে সময় ৯ টি ওয়ার্ড ও ৩টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য পদের ৪৮ প্রার্থীর স্বাক্ষর জাল করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের অভিযোগ ওঠে।

ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে চিতলিয়া ইউপির নির্বাচন বাতিল করে দেয় নির্বাচন কমিশন। এর পর হারুন-অর-রশিদ ও আব্দুস সালামের বিরোধ বৃদ্ধি পায়।

গত মঙ্গলবার ৎদুপুরে আব্দুস সালামের সমর্থক লিটন ব্যাপারীকে কুপিয়ে আহত করেন হারুন-অর-রশিদের সমর্থকরা। বুধবার সকালে আব্দুস সালাম হাওলাদারের চাচাতো ভাই মানিক হাওলাদার গাজার বাজারে গেলে তার ওপরও হামলা করেন হারুন-অর-রশিদের সমর্থকরা। তখন দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জরিয়ে পরে। 

সংঘর্ষের সময় অন্তত ৪০-৫০টি ককটেল বিস্ফোরন ঘটানো হয়েছে। দেড় ঘণ্ট ব্যাপী সংঘর্ষে দুই পক্ষের ৪২ ব্যক্তি আহত হন। 

হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘আমার ৩০ সমর্থক আহত হয়েছে। এ হামলার পিছনে সম্পূর্ণ ইন্দন ছিল সালাম ও মানিকের।’

আব্দুস সালাম বলেন, ‘বুধবার সকালে আমার চাচাতো ভাইকে স্থানীয় গাজার বাজারে যেতে বাঁধা দিয়েছে হারুন- অর-রশিদের সমর্থকরা। আমার ১২ সমর্থকদের কুপিয়ে আহত করেছেন তারা। হামলা ঠেকানোর চেষ্টা করেছে আমার লোকজন।’

ওসি আক্তার হোসেন বলেন, দুই গ্রুপের সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে। এখনো কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইমন/ মাসুদ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়