ঢাকা     শনিবার   ২৫ মে ২০২৪ ||  জ্যৈষ্ঠ ১১ ১৪৩১

রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৭৮.৪৬

রাজশাহী প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:২০, ২৬ নভেম্বর ২০২৩  
রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৭৮.৪৬

রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এবার এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার ৭৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ। ২০২০ সালে শতভাগ শিক্ষার্থীর অটোপাসের পর এটি সর্বনিম্ন পাসের হার। গতবছর ৮১ দশমিক ৬০ ও ২০২১ সালে ৯৭ দশমিক ২৯ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছিলেন এই শিক্ষা বোর্ড থেকে।

রোববার (২৬ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম জানান, এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪০ হাজার ১১৫ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৮ হাজার ৫৮০ জন পাস করেছেন।

পাসের হারে এবারও ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে আছে। ছেলেদের পাসের হার ৭৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ। আর মেয়েদের পাসের হার ৮৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ। ২০২০ সালের অটোপাস বাদ দিলে ২০১৭ সাল থেকেই পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে এই বোর্ডের মেয়েরা।

এবার, মোট ১১ হাজার ২৫৮ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এরমধ্যে ৫ হাজার ৪৪৫ জন ছাত্র এবং ৫ হাজার ৮১৩ জন ছাত্রী। তিন বছরের মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়ার হার এবার সর্বনিম্ন। আগের তিন বছরে ২১ হাজার ৮৫৫ জন, ৩২ হাজার ৮০০ জন এবং ২৬ হাজার ৫৬৮ জন করে পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়। গত তিন বছরের মতো এবারও জিপিএ-৫ বেশি পেয়েছে মেয়েরা।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানান, পরীক্ষা চলাকালে এবার ১১ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। রাজশাহী বিভাগের আট জেলার ৭৪৯টি কলেজের পরীক্ষার্থীদের ২০০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। এবার ৩৭টি কলেজের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। চারটি কলেজের একজন পরীক্ষার্থীও পাস করেনি। 

শিক্ষার্থী পাস না করা কলেজগুলো হলো- পাবনার চাটমোহরের চাটমোহর আর সি এন অ্যান্ড বি এস এন পাইলট হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজশাহীর গোদাগাড়ীর আরশাদ আলী মেমোরিয়াল কলেজ, তানোরের মুন্ডুমালা গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং সিরাজগঞ্জ সদরের জুয়েলস অক্সফোর্ড কলেজ। চাটমোহরের কলেজটিতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১০ জন। গোদাগাড়ীর আরশেদ আলী কলেজে পরীক্ষার্থী ছিল ২জন। অন্য দুই কলেজের একজন করে পরীক্ষায় বসেছিলেন। তাদের সবাই ফেল করেছে।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম বলেন, এবার বোর্ডের ফলাফল মোটামুটি সন্তোষজনক। কোনো পরীক্ষার্থীর ফলাফল নিয়ে আপত্তি থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থী খাতা পুনঃমূল্যায়নের আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে ফলাফল পরিবর্তনেরও সম্ভাবনা থাকে। যে চার কলেজের কেউ পাস করেননি, সেসব কলেজের বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কেয়া/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়