ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ২৬ মার্চ ২০২৬ ||  চৈত্র ১৩ ১৪৩২ || ৬ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

ববির ৩ শিক্ষার্থীকে মারধর, সড়ক অবরোধ

বরিশাল প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:১৬, ৮ মার্চ ২০২৫  
ববির ৩ শিক্ষার্থীকে মারধর, সড়ক অবরোধ

বাস ও তিন চাকার যানবাহন মাহিন্দ্রা (আলফা) সংশ্লিষ্ট লোকজনের মধ্যকারের মারামারি ঠেকাতে গিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) তিন শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হয়েছে। আলফা সমিতির ৫-৭ জন মারধরের ঘটনায় জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (৮ মার্চ) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মুখে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের ভোলারোড সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের মারধরের সংবাদ পেয়ে ৩০-৪০ জন শিক্ষার্থী গিয়ে দুই ঘণ্টা বরিশাল-কুয়াকাটা-ভোলা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। তে দক্ষিণের জেলাগুলোর সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ব্যস্ত মহাসড়কের দুই প্রান্তে অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে যাত্রী ও চালকেরা দুর্ভোগে পড়ে।

আরো পড়ুন:

পরে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেয়। মারধরে শিকার শিক্ষার্থীরা হলেন, লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০২৩-২৪ বর্ষের শিক্ষার্থী তানজিল আজাদ, রবিউল ইসলাম ও ২০২২-২৩ বর্ষের শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম। তবে অভিযুক্তদের নাম জানা যায়নি।

ভুক্তভোগীরা শিক্ষার্থীরা জানান, বরিশাল–কুয়াকাটা–ভোলা মহাসড়কের মোড়ে বাসের চালক ও তিন চাকার যানের চালকদের মধ্যে মহাসড়কে চলাচল নিয়ে বিরোধ শুরু হয়। এর জেরে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা, উত্তেজনা ও একপর্যায়ে একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার ঘটনা ঘটে। 

তারা বলেন, ‘‘এ অবস্থায় আমরা সেখানে যায়, যাতে রাস্তার মধ্যে তারা ঝামেলা না করে। সেইসময়ে এক সহপাঠীকে মারধর করলে সেখানে আমরা প্রতিরোধ করতে গেলে আমাদের তিনজনকে মারধর করে। পরে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।’’  

প্রত্যক্ষদর্শীর কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মহাসড়কে আলফা মাহিন্দ্রা ও বাসের লোকজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তারা মারামারিতে জড়ায়। সেই সময়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সেখানে সমাধান করতে গেলে তাদের উপরও চড়াও হয়ে মারধর করে সিএনজিচালিত অটোরিকশার (আলফা) কয়েকজন যুবক। 

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, শিক্ষার্থীদের মারধরের ঘটনা দুঃখজনক। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উভয়পক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. সোনিয়া খান সনি বলেন, ‘‘শিক্ষার্থীদের মারধর করা হয়েছে শুনে আমি ঘটনাস্থলে এসেছি। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা হয়েছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে কথা বলেছি, যাতে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’’

ঢাকা/পলাশ/বকুল  

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়