ঢাকা     বুধবার   ০৬ জুলাই ২০২২ ||  আষাঢ় ২২ ১৪২৯ ||  ০৬ জিলহজ ১৪৪৩

‘বারসো রে মেঘা মেঘা’ গানে নেচে ভাইরাল ভাসানীর ৬ ছাত্রী

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১০:১১, ১৩ জুন ২০২২   আপডেট: ১১:১৭, ১৩ জুন ২০২২
‘বারসো রে মেঘা মেঘা’ গানে নেচে ভাইরাল ভাসানীর ৬ ছাত্রী

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভারতীয় জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী এ আর রহমানের ‘বারসো রে মেগা মেগা’ হিন্দি গানে নেচে ভাইরাল হলেন এ বিশ্ববিদ্যালয়েরই ৬ ছাত্রী। 

নাচের ভিডিওটি রোকসানা রহমান রিমি নামের ফেসবুক আইডি থেকে সম্প্রতি ভাইরাল হয়। 

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গঠিত ড্যান্স ক্লাব নৃত্যধারার সদস্যদের আয়োজন ও অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন লোকেশনে ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে। 

লেখাপড়ার পাশাপাশি নাচের এমন চর্চা নিয়ে জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গণে বেশ প্রশংসা কুড়াচ্ছেন ওই শিক্ষার্থীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নৃত্যধারার ড্যান্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা রোকসানা রহমান রিমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্রী। তিনি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আব্দুর রহমানের মেয়ে। 

ওই নাচে অংশ নেওয়া অন্যান্যরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্রী শাহনাজ সুলতানা রুবি, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্রী মাইমুনা জীবন একান্ত, পরিসংখ্যান দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্রী শাওলী ইসরাত, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্রী ইসরাত ফারজানা অপু, গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষ ও প্রথম সেমিস্টারের ছাত্রী সুমাইয়া খান স্মিতি।

রোববার (১২ জুন) সন্ধ্যায় এ বিষয়ে নৃত্যধারা ড্যান্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী রোকসানা রহমান রিমি বলেন, ছোট বেলা থেকেই নাচ আমার ফ্যাশন ছিল। তবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ড্যান্স ক্লাব ছিল না। এ কারণে আমি উদ্যোগ নিয়ে ২০১৯ সালে ১৫ জানুয়ারি নৃত্যধারা ড্যান্স ক্লাবটি প্রতিষ্ঠা করি। বর্তমানে ক্লাবের সদস্য সংখ্যা ৫৪জন।

তিনি বলেন, আমরা বেশ কয়েকটি ন্যাশনাল ড্যান্স কমপিটিশনে অংশগ্রহণ করেছি।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পরিচিতি বৃদ্ধির লক্ষে আমরা ভারতীয় জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী এ আর রহমানের ‘বর্ষারে ভিগা ভিগা’ হিন্দি গানে নেচে প্রচার করেছি। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চার বিষয়টিও প্রকাশ পাবে।

কাওছার/টিপু

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়