ঢাকা     শুক্রবার   ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||  আশ্বিন ১৫ ১৪২৯ ||  ০৩ রবিউল আউয়াল ১৪১৪

এমপিওবঞ্চিত ২ সহস্রাধিক প্রতিষ্ঠানের রিভিউ আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:০৬, ১১ আগস্ট ২০২২  
এমপিওবঞ্চিত ২ সহস্রাধিক প্রতিষ্ঠানের রিভিউ আবেদন

যোগ্যতা থাকার পরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত না হওয়ায় ২ হাজারের বেশি রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) আবেদন জমা পড়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। এসব আবেদন ধাপে ধাপে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, যোগ্যতা অর্জন করার পরও এমপিও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় ২ হাজারের বেশি স্কুল, কলেজ, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসা পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সেসব আবেদন পুনরায় যাচাই-বাছাই করছে মাউশি।

এদিকে, নতুন এমপিওভুক্তির তালিকায় নানা ধরনের ভুল-ত্রুটি উঠে আসছে। যোগ্যতায় ঘাটতি থাকা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নামও তালিকায় উঠেছে। এক স্তরের এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করলেও অন্য স্তরে তালিকাভুক্ত করার মতো অসঙ্গতি ধরা পড়ছে। সে কারণে এমপিওভুক্ত করা হলেও সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এ সুবিধার আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না। 

এ বছর নতুন করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন ২ হাজার ৭১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘ তিন বছর পর নতুন করে এসব প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হলো।

এর আগে সারা দেশে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান ছিল ২৬ হাজার ৪৪৮টি। সর্বশেষ ২০১৯ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাভুক্ত ১ হাজার ৬৫১টি এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাভুক্ত ৯৮৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে (স্কুল-কলেজ) এমপিওভুক্ত করার জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। ১০ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়।

সে অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতায় ৪ হাজার ৬২১টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৪ হাজার ৭২৯টি আবেদন পাওয়া যায়। এরপর সকল মানদণ্ডে ১ হাজার ৯৪১টি প্রতিষ্ঠান যোগ্য বলে বিবেচিত হয়। এর মধ্যে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৬৩০টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১,০৬৩টি (৬ষ্ঠ-১০ম ১০৩টি, ৯ম-১০ম ৯৬০টি), উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৩১টি, কলেজ (একাদশ-দ্বাদশ) ৯৯টি, ডিগ্রি কলেজ ১৮টি।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় ২ হাজার ৫৪৪টি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ১ হাজার ৩৫৯টি মাদ্রাসাসহ মোট ৩ হাজার ৯০৩টি আবেদন পাওয়া যায়। এর মধ্যে কারিগরিতে ২৯৫ ও মাদ্রাসায় ৩৫৩টিসহ মোট ৬৪৮টি প্রতিষ্ঠান যোগ্য বলে বিবেচিত হয়। কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নীতিমালার ৩৬ ধারা এবং মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নীতিমালার ২২ ধারা প্রয়োগ করে ১৭ প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় ৬৬৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে এসএসসি ভোকেশনাল অথবা দাখিল ভোকেশনাল ৯৭টি, এসএসসি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলোজি ২০০টি, ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার ২টি, দাখিল মাদ্রাসা ২৬৪টি, আলিম মাদ্রাসা ৮৫টি, ফাজিল মাদ্রাসা ৬টি, কামিল মাদ্রাসা ১১টি।

ইয়ামিন/রফিক

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়