অপসারণের দাবি: মুখ খুললেন এফডিসির এমডি
জ্যেষ্ঠ বিনোদন প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম
গত ২৮ জানুয়ারি বিএফডিসিতে অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন। এ সময় বিএফডিসিতে প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়নি চলচ্চিত্রের ১৭টি সংগঠনের সদস্যদের। বিষয়টি অপমানজনক বলে দাবি করেছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শুধু তাই নয়, তিন দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে লাগাতার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে, চলছে আন্দোলন। আজ দুপুরে বিএফডিসির এমডি নুজহাত ইয়াসমিনের অপসারণ দাবি করে তার কুশপুত্তলিকাও দাহ করেছেন আন্দোলনকারীরা।
চলচ্চিত্রের ১৭ সংগঠনের সদস্যদের নির্বাচনের দিন প্রবেশাধিকার না দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলেছেন নুজহাত ইয়াসমিন। তিনি বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে ভোটের কার্যক্রমের সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরই শুধু প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সব পাসকারীকে যদি অনুমতি দেওয়া হতো, তাহলে সে রকম হাজার হাজার পাস আছে। করোনার কথা মাথায় রেখে তা দেওয়া হয়নি। দুই প্যানেল তাদের প্রয়োজন অনুভব করলে নির্বাচন কমিশানের সঙ্গে কথা বলে নিতে পারতেন। সেখানে এফডিসির এমডির কোনো ভূমিকা নেই। তা ছাড়া এদিন আমরা নিজেরাই প্রবেশের অনুমতি পাইনি।’
করোনা প্রকোপ বৃদ্ধি ও বিএফডিসির ভেতরে স্থান সংকটের বিষয়টিও উল্লেখ করেন নুজহাত ইয়াসমিন। তিনি বলেন, ‘এফডিসির ভেতরে শিল্পী সমিতির নির্বাচন করার জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে অনুমতি চেয়ে আমাদের কাছে একটি আবেদন করা হয়। সবাই অবগত যে, নতুন ভবনের জন্য বিএফডিসির অর্ধেক জায়গা কমে গেছে। যতটুকু জায়গা আছে তার মধ্যে সবাই প্রবেশ করলে করোনার কারণে অনেক সমস্যা হতো।’
বিএফডিসিতে শিল্পী সমিতির নির্বাচন হোক, তা প্রথমে চাননি এফডিসি কর্তৃপক্ষ। কারণ ব্যাখ্যা করে নুজহাত ইয়াসমিন বলেন, ‘করোনা পরিস্থির কথা বিবেচনা করে প্রথমে এফডিসিতে নির্বাচন করার ব্যাপারে রাজি ছিলাম না। তবে শিল্পীদের সুবিধার কথা ভেবে পরবর্তীতে এফডিসিতে নির্বাচনের অনুমতি দিই। করোনার কথা মাথায় রেখে কয়েকটি শর্ত দিয়ে নির্বাচনের অনুমতি দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী কাজ করা হয়। সরকারের নির্দেশনা মেনে নির্বাচন হয়।’
‘নির্বাচনের দিন আমাদেরও আসতে নিষেধ করেছিলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যার কারণে আমরাও আসিনি। কয়েকটি শুটিং ছিল সেগুলোও বন্ধ রাখতে হয়। আমার তরফ থেকে কোনো অন্যায় করিনি। এখানে আমার কোনো ভূমিকা নেই। এ ব্যাপারে তারা কথা বলতে চাইলে আমার আপত্তি নেই। তবে তারা যে অভিযোগ করেছেন সেটি আমার মধ্যে পড়ে না।’ বলেন নুজহাত ইয়াসমিন।
ঢাকা/রাহাত সাইফুল/শান্ত