ঢাকা     মঙ্গলবার   ০৩ মার্চ ২০২৬ ||  ফাল্গুন ১৮ ১৪৩২ || ১৩ রমজান ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

সরাসরি: হামলায় সোমবার ইরানে অন্তত ৯৬ জন নিহত: মানবাধিকার সংস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৮:০১, ৩ মার্চ ২০২৬   আপডেট: ০৯:০৯, ৩ মার্চ ২০২৬
হামলায় সোমবার ইরানে অন্তত ৯৬ জন নিহত: মানবাধিকার সংস্থা

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৯৬ জন নিহত। এর মধ্যে ৮৫ জন বেসামরিক নাগরিক ও ১১ জন সামরিক সদস্য রয়েছেন। 

হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানায়। 

আরো পড়ুন:

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হামলা শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত মোট বেসামরিক নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত ৭৪২ জন। এর মধ্যে ১৭৬ জন শিশু রয়েছে।

এর আগে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছিল, হামলায় মৃতের সংখ্যা ৫৫৫ জন।

তবে আলজাজিরা জানিয়েছে, তারা স্বতন্ত্রভাবে এসব তথ্য যাচাই করতে পারেনি।

হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি জানায়, সোমবার যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন স্থাপনা ও অবকাঠামোতে আঘাত হানে। এর মধ্যে কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি, দুটি আবাসিক এলাকা এবং বন্দর আব্বাসে অবস্থিত শহীদ বাহোনার জেটি রয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানের বড় হামলা

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে নতুন করে একঝাঁক ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। সংযুক্ত আরব আমিরাত এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা বড় ধরনের এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে তারা কাজ করছে। খবর আল-জাজিরার।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে এক বিবৃতিতে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, “আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী বর্তমানে ইরান থেকে আসা একঝাঁক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলা করছে।” 

মন্ত্রণালয় আশ্বস্ত করে বলেছে, “দেশের ভূখণ্ড রক্ষা এবং নাগরিক ও প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সব ধরনের হুমকি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত।” 

হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডিমসাম ডেইলি বলছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে চালানো এই ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা দুবাইয়ের দীর্ঘদিনের সেই ইমেজকে নাড়িয়ে দিয়েছে- যা প্রবাসীদের জন্য একটি নিরাপদ ও গ্ল্যামারাস শহর হিসেবে পরিচিত ছিল। অভিজাত এলাকাগুলোর আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী ও ক্ষয়ক্ষতির খবর দেখে অনেক প্রবাসী ও পর্যটক এখন সেখানে থাকা বা যাওয়ার পরিকল্পনা নতুন করে ভাবছেন। তবে এর মধ্যেই স্কুল এবং শপিং মলগুলো আগের মতোই স্বাভাবিকভাবে চলছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে আতঙ্ক প্রকাশ করলেও কেউ কেউ বলছেন, দুবাইয়ের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আইকনিক স্থানগুলোর কাছাকাছি ক্ষয়ক্ষতির দৃশ্য দুবাইয়ের 'অজেয়' থাকার ধারণাকে আঘাত করেছে। বিশেষ করে যারা অন্য দেশের যুদ্ধবিগ্রহ থেকে বাঁচতে দুবাইয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তাদের মনে নতুন করে ভয় ঢুকেছে। যদিও বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথেই ধ্বংস করা হয়েছে, তবুও মানুষের মনের এই আতঙ্ক কাটতে সময় লাগবে।

ঢাকা/ফিরোজ/ইভা

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়