ঢাকা     রোববার   ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ১১ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তির চরিত্রের ৪টি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য

লাইফস্টাইল ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:৩৫, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ০৯:৪৩, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তির চরিত্রের ৪টি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য

ছবি: চ্যাটজিপিটির সাহায্যে তৈরি

বাড়ি হোক কিংবা অফিস—কিছু মানুষ আছেন যাদের উপস্থিতিতেই আলাদা একটা গুরুত্ব অনুভূত হয়। আবার কেউ আছেন, যাদের দাপট এতটাই কঠোর যে আশপাশের সবাই অস্বস্তিতে পড়ে যান। অথচ একই ক্ষমতা, একই উচ্চপদ—দুইজনের প্রভাব একেবারে আলাদা হতে পারে।আত্মবিশ্বাস থাকলেই যে মানুষ শ্রদ্ধেয় হয়ে উঠবেন, তা নয়। চলুন দেখা যাক, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন মানুষদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য

অন্যের কথা মন দিয়ে শোনা
অন্যের কথা শোনার অভ্যাস কেবল সৌজন্য নয়, এটি সুস্থ যোগাযোগের অন্যতম ভিত্তি। একান্ত কথোপকথন হোক বা দলগত বৈঠক—প্রত্যেকের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনা মানে তাকে গুরুত্ব দেওয়া। এতে সামনে থাকা মানুষটি যেমন সম্মানিত বোধ করেন, তেমনই নিজের মত প্রকাশ করাও হয়ে ওঠে আরও পরিণত ও গ্রহণযোগ্য। শুধু নিজের কথা বলেই যাওয়া পারিবারিক কিংবা পেশাগত—কোনো ক্ষেত্রেই কাম্য নয়।

আরো পড়ুন:

নম্রতা ও ভদ্রতা
আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তির ব্যবহারে নম্রতার প্রকাশ পায়। ধরা যাক, কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে কম অভিজ্ঞ একজন সহকর্মী তার মতামত দিলেন। সেই প্রস্তাব হয়তো সঙ্গে সঙ্গে গ্রহণযোগ্য মনে হলো না। কিন্তু সেটিকে একেবারে উড়িয়ে না দিয়ে বিবেচনার জায়গায় রাখা—এটাই নম্রতার পরিচয়। প্রস্তাব সফল হলে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি পাওয়া যায়, আর ব্যর্থ হলেও শেখার সুযোগ তৈরি হয়। অন্যের মতকে সম্মান জানাতে পারলে পেশাগত জীবনে গ্রহণযোগ্যতা স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে।

সাহায্যের মানসিকতা
আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি মানুষের প্রয়োজনে নিঃস্বার্থভাবে পাশে দাঁড়ান। যিনি নিঃস্বার্থভাবে পাশে দাঁড়ান, তার প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা স্বাভাবিকভাবেই জন্ম নেয়। মনস্তত্ত্বে ‘বেনজামিন ফ্র্যাঙ্কলিন এফেক্ট’ নামে একটি ধারণা রয়েছে। এর মূল কথা—কেউ যদি কাউকে সাহায্য করেন, ভবিষ্যতে সেই সাহায্য ফিরিয়ে দেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। এমনকি সাহায্যের মাধ্যমেই দুইজনের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হতে পারে।

লড়াই করে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা
ব্যর্থতা বা কঠিন সময়ে ভেঙে না পড়ে আবার উঠে দাঁড়ানোর মানসিকতা একটি বড় গুণ। ঝড়ের মুখে দৃঢ় থাকা মানুষদের উপর অন্যেরা ভরসা করতে শেখে।
ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক পরিসর কিংবা কর্মক্ষেত্র—সব জায়গাতেই এমন মানুষ সম্মান ও বিশ্বাসের পাত্র হয়ে ওঠেন।

উল্লেখ্য, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি মাত্রই সহমর্মিসম্পন্ন হয়ে থাকেন। কেউ কষ্টে থাকলে তার অবস্থান থেকে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করাই সহমর্মিতা। শুধু কথা নয়, প্রয়োজনে পাশে থাকা—এই আচরণ মানুষকে আলাদা করে তোলে।কঠিন সময়ে যিনি সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেন, তার প্রতি শ্রদ্ধা তৈরি হয় গভীরভাবে।

ঢাকা/লিপি

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়