বিদ্যুৎ ঘাটতি ৩ হাজার মেগাওয়াট
লোডশেডিং চলবে আরো কিছু দিন
বিদ্যুৎ পরিস্থিতি বিষয়ে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন বিদ্যুৎ বিভাগের পরিকল্পনা-১ অধিশাখার যুগ্ম-সচিব উম্মে রেহানা
তীব্র গরম এবং নতুন শিল্প এলাকা চালু হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা এক লাফে ১৭ হাজার মেগাওয়াটে ঠেকেছে। অথচ, উৎপাদন হচ্ছে ১৪ হাজার মেগাওয়াটের মতো। ফলে, প্রতিদিন লোডশেডিং করতে হচ্ছে। লোডশেডিং আরো কিছু দিন চলবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের পরিকল্পনা-১ অধিশাখার যুগ্ম-সচিব উম্মে রেহানা।
তিনি বলেছেন, “গতকাল আমরা ১৩ হাজার ৬৮১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছি। তখনও ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়েছে। আজকের পূর্বাভাস বলছে, চাহিদা ১৭ হাজার মেগাওয়াট ছুঁয়ে যাবে। গরম বেড়েছে, শিল্পাঞ্চলও বেড়েছে। এসি, ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারও বেড়েছে। সব মিলিয়ে চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে।”
জ্বালানি সংকট পরিস্থিতিকে অসহনীয় পর্যায়ে নিয়ে গেছে, জানিয়ে যুগ্ম সচিব বলেন, “আজকের উৎপাদন প্রজেকশন ১৪ হাজার মেগাওয়াটের মতো। তারপরও ৩ হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি থাকছে।”
কবে নাগাদ পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তিতে ফিরবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। উম্মে রেহানা জানান, কারিগরি ত্রুটির কারণে আদানির একটি ইউনিট বন্ধ আছে। ২৬ এপ্রিল সেটি চালু হলে বিদ্যুৎ আসবে। বাঁশখালীতে এসএস পাওয়ারের আইপিপি প্ল্যান্টের একটি ইউনিট বিকল থাকায় ৬৫০ মেগাওয়াট কম পাওয়া যাচ্ছে। ২৮ এপ্রিলের দিকে সেটি ঠিক হবে। এই দুই ইউনিট চালু হলে ১ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ গ্রিডে যোগ হবে।
এছাড়া, পায়রার আরএনপিএলের একটি কেন্দ্র কয়লার অভাবে বন্ধ। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে কয়লা এলে সেটিও উৎপাদনে ফিরবে। তখন সব মিলিয়ে ১ হাজার ৯৮২ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে বলে আশা করছে বিদ্যুৎ বিভাগ। তখন বিদ্যুতের সংকট কিছুটা কমবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন উম্মে রেহানা।
ঢাকা/এএএম/রফিক
তৃতীয় ওয়ানডে: নিউজিল্যান্ডকে ৫৫ রানে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ