ইউনিসেফের প্রতিনিধি
অন্তর্বর্তী সরকারকে টিকার ব্যাপারে সতর্ক করে ৫টি চিঠি দেওয়া হয়েছিল
ইউনিসেফ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স (ছবিতে বাঁয়ে)।
দেশে হামের টিকা সংকট নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে পাঁচটি সতর্কতামূলক চিঠি দিয়েছিল বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ।
সংস্থাটির বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, “২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব চিঠি পাঠানো হয়। এর মধ্যে শেষ চিঠিটি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার দুই দিন আগেই পাঠানো হয়েছিল।”
বুধবার (২০ মে) রাজধানীতে ইউনিসেফ বাংলাদেশ কার্যালয়ে আয়োজিত ‘হামের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতি ও চলমান প্রতিরোধ কার্যক্রম’ বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, টিকার ঘাটতি নিয়ে ২০১৯ সাল থেকেই সরকারকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে অন্তত ১০ বার বৈঠকও করেছে ইউনিসেফ।
রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, “২০২৫ সালের আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ৭৮ লাখ ডোজ হামের টিকা আসে, যা মোট চাহিদার মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। বছরে প্রায় ৭ কোটি ডোজ টিকার প্রয়োজন হলেও দীর্ঘ সময় পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় রুটিন টিকাদান কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং বহু শিশু টিকার বাইরে থেকে যায়।”
তিনি আরো বলেন, “বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা কেনার সিদ্ধান্তের কারণে ক্রয় প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হয়। তবে এখন মে মাস থেকে আবার হামের রুটিন টিকা সরবরাহ শুরু হয়েছে।”
ঢাকা/এমএসবি/এসবি
হাম ও হামের উপসর্গে ৬ শিশুর মৃত্যু