ঢাকা     সোমবার   ২০ মে ২০২৪ ||  জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪৩১

কাজী রেজাউলের নেতৃত্বে ‘জাতীয় জোট’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:৪০, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩  
কাজী রেজাউলের নেতৃত্বে ‘জাতীয় জোট’

জাতীয় জোটের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করা হয়

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ছয়টি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে ‘জাতীয় জোট’ নামে নতুন জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। এর নেতৃত্বে আছেন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান অ‌্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেন।

শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে জাতীয় জোটের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান অ‌্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেনকে জোটের চেয়ারমান এবং একই দলের মহাসচিব অ‌্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলামকে মুখপাত্র করা হয়েছে।

জোটের শরিক ছয়টি দলের চেয়ারম্যান ও মহাসচিবরা যথাক্রমে জোটের কো-চেয়ারম্যান ও সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

জোটভুক্ত অন্য পাঁচটি দল হচ্ছে—গণঅধিকার পার্টি-পিআরপি, বাংলাদেশ বেকার সমাজ, বাংলাদেশ পিপলস্ পার্টি, বাংলাদেশ গ্রীন পার্টি এবং বাংলাদেশ সৎ-সংগামী ভোটার পার্টি। তবে, এসব দলের নিবন্ধন নেই।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব মো. ইয়ারুল ইসলামের সঞ্চালনায় গণঅধিকার পার্টি-পিআরপি’র চেয়ারম্যান সরদার মো. আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ বেকার সমাজের সভাপতি মো. হাসান, বাংলাদেশ পিপলস পার্টি’র চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা কামাল বাদল, বাংলাদেশ গ্রীন পার্টি’র চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মনছুর আহমেদ ও বাংলাদেশ সৎ-সংগামী ভোটার পার্টি’র চেয়ারম্যান মো. মোবারক হোসেন বক্তব্য রাখেন।

সংবাদ সম্মেলনে কাজী রেজাউল হোসেন বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ। ভোজ্যতেল, চিনি, পেয়াঁজ, চিনি, আলু, ডিমসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারছে না। বরং, বাজারের নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে অসাধু সিন্ডিকেটের কাছে।

তিনি বলেন, ‘মন্ত্রী-এমপিদের অনেকেই ব্যবসায়ী-শিল্পপতি হওয়ায় তারা সব সময় অসাধু ব্যবসায়ীদের সুবিধা দেখেন। ব্যবসায়ীরা নিজেদের স্বার্থে অধিক মুনাফার আশায় একটার পর একটা জিনিসের কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি করে চলেছে। এক্ষেত্রে সরকারের উপযুক্ত নজরদারি নেই।’  

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নতুন এই জোট আগামীতে জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একত্রে অংশ নেবে। তারা আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে এবং ৩০০ আসনে জোটগতভাবে প্রার্থী দেবে। এই জোট দেশ ও জনগণের স্বার্থে এবং জাতীয় সঙ্কট নিরসনে যৌথভাবে কর্মসূচি দেবে।

জোটের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—গণঅধিকার পার্টি-পিআরপি’র মহাসচিব ড. শরীফ সাকি, বাংলাদেশ বেকার সমাজের সাধারণ সম্পাদক মো. রাহাত চৌধুরী, বাংলাদেশ পিপলস পার্টি’র মহাসচিব মো. আমিনুল ইসলাম সুমন, বাংলাদেশ গ্রীন পার্টি’র মহাসচিব মো. মোস্তাকিম হোসাইন এবং বাংলাদেশ সৎ-সংগামী ভোটার পার্টি’র মহাসচিব মো. নিজাম উদ্দিন।

নঈমুদ্দীন/রফিক

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়