Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ০৫ আগস্ট ২০২১ ||  শ্রাবণ ২১ ১৪২৮ ||  ২৪ জিলহজ ১৪৪২

চুলকানি কমাতে যা করবেন

এস এম গল্প ইকবাল || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৮:২৪, ২ ডিসেম্বর ২০২০   আপডেট: ০৮:২৭, ২ ডিসেম্বর ২০২০
চুলকানি কমাতে যা করবেন

চুলকানির মতো অস্বস্তিকর অনুভূতি খুব কমই আছে। ত্বকের বেশিরভাগ চুলকানিই নিরীহ প্রকৃতির। ত্বকের শুষ্কতা ও কীটের কামড়ের মতো সাধারণ কারণে ত্বক চুলকাতে পারে। ত্বকের সমস্যা ও কিছু মারাত্মক রোগেও ত্বক চুলকাতে পারে।

ত্বকের চুলকানিতে কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা দারুণ কার্যকর হতে পারে। ঘরোয়া উপায় অবলম্বনের পরও চুলকানি না কমলে ত্বক বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে। এখানে ত্বকের চুলকানি প্রশমনে কিছু ঘরোয়া উপায় দেয়া হলো।

* চুলকানির সর্বোত্তম ঘরোয়া সমাধান সম্ভবত আপনার কিচেনেই রয়েছে। ত্বকের হাইড্রেশনের জন্য অলিভ অয়েল বা কোকোনাট অয়েল বেশ কার্যকর। ত্বকের শুষ্কতা ও চুলকানি প্রতিরোধে বা প্রতিকারে ত্বকে অলিভ অয়েল বা কোকোনাট অয়েল মাখতে পারেন।

* চুলকানি দূর করতে আপনার গোসলের পানিতে ওটমিল মেশাতে পারেন। চুলকানি থেকে স্বস্তি পেতে গোসলের পানিতে কলোইডাল ওটস মিশিয়ে গোসল করে নিন। কলোইডাল ওটমিলস মিশ্রিত পানিতে গোসল করলে প্রদাহ কমে ও ত্বকের ওপর স্বস্তিদায়ক আবরণ পড়ে। যে পানিতে ওটমিল মেশাবেন তা কুসুম গরম হলে ভালো হয়।

* ত্বককে চুলকানি থেকে আরাম দিতে ডালডা ঘি বা ভেজিটেবল শর্টেনিং ব্যবহার করতে পারেন। শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও এটা একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার। একজিমা প্রবণ ত্বকে ডালডা ঘিয়ের ব্যবহারে ত্বক আর্দ্র হবে ও চুলকানি কমবে। খাঁটি ডালডা ঘি কিনছেন কিনা নিশ্চিত হোন।

* কিছুক্ষেত্রে চুলকানি বাইর থেকে নয়, শরীরের ভেতর থেকে উদ্দীপ্ত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, শরীর পানিশূন্যতায় ভুগলে ত্বক চুলকাতে পারে। এক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পানি পানে সমস্যাটি দূর হতে পারে। শরীরকে হাইড্রেটেড রাখলে ত্বকও হাইড্রেটেড থাকবে।

* বেকিং সোডা মিশ্রিত পানি দিয়ে গোসল করলেও চুলকানি কমতে পারে। বেকিং সোডা ত্বকের সারফেসের এসিডকে নিষ্ক্রিয় করে প্রদাহ কমায় ও পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখে। এটি ত্বকের ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে ন্যাচারাল এন্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে।

* শীতকালে ত্বকের চুলকানি বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে ভিটামিন ডি’র ঘাটতি। তাই এসময় শরীরে যথেষ্ট ভিটামিন ডি যোগাতে পদক্ষেপ নিতে হবে। শীতকালে ত্বকের চুলকানি কমাতে কিছুসময় রোদে থাকুন, ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খান ও প্রয়োজনে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট সেবন করুন। এ বিষয়ে ভুল এড়াতে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়াই ভালো।

* ত্বকে চুলকানির প্রবণতা থাকলে আপনার ডায়েটে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করতে হবে। নিয়মিত বাদাম, তৈলাক্ত মাছ ও ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিডের অন্যান্য উৎস খেলে চুলকানি কমে যেতে পারে।ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড শরীরের ভেতর থেকে ত্বকের উপকার করে।

* আপনি হয়তো জানেন যে পোড়া ত্বকের ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে অ্যালোভেরার জেল বেশ কার্যকর। আপনি জেনে খুশি হবেন যে এটি ত্বকের চুলকানিতেও দারুণ কাজ করে। অ্যালোভেরা প্রদাহ প্রশমক বলে উক্ত্যক্ত ত্বকের চুলকানি কমাতে কার্যকরী।

ঢাকা/ফিরোজ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়