সৌম্য-লিটনকে শেবাগ-গিলক্রিস্টের ‘মতো’ হতে বললেন মাশরাফি
ক্রীড়া প্রতিবেদক : সৌম্য সরকার ও লিটন দাসকে স্বাধীনতা নিয়ে শট খেলার অনুমতি দেওয়া আছে দল থেকেই। এই দুই ব্যাটসম্যানকে সেই স্বাধীনতা দেওয়া হবে বিশ্বকাপের মঞ্চেও। তবে তাদের ব্যাটে ধারাবাহিকতা দেখতে চান অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।
সবশেষ নিউজিল্যান্ড সফরে তিন ওয়ানডের একটিতেও ভালো করতে পারেননি লিটন। শট খেলতে গিয়ে তিন ম্যাচেই আউট হয়েছেন ১ রানে। সেই সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে সৌম্য ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেননি। এরপর তিনি প্রিমিয়ার লিগেও অনেকটা সময় রান-খরায় ভোগার পর শেষ দুই ম্যাচের একটিতে সেঞ্চুরি, অন্যটিতে করেন ডাবল সেঞ্চুরি।
তামিম ইকবালের সম্ভাব্য উদ্বোধনী সঙ্গী হিসেবে বিশ্বকাপে যাচ্ছেন লিটন ও সৌম্য। তামিমের কাছে দলের চাওয়া লম্বা সময় ধরে ব্যাটিং করে যাওয়া। অন্য পাশে লিটন কিংবা সৌম্যর কাছে তাই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চায় দল।
সোমবার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বলেছেন, ‘তামিমকে আমরা যে ভূমিকা দিয়েছি লম্বা সময় ব্যাট করার, ও লম্বা সময় ব্যাট করলে আমাদের রানটা বড় হয়। ও একশ করলে আমাদের রান তিনশর কাছে যায়, তিনশও হয়েছে। তামিম তার খেলার ধরন পাল্টেছে দলের জন্য। তামিম এখন ফোকাস করে ৪০ ওভার ব্যাট করার। ৫০ ওভারও বলি কখনো কখনো। তামিমকে যখন এই ভূমিকা দিচ্ছি তখন বাকিদের লিটন বা সৌম্যকে ওই স্বাধীনতা দিতে হয় যাতে শট খেলতে পারে।’
স্বাধীনতা নিয়ে শট খেলতে গিয়ে লিটন-সৌম্য যেন দ্রত আউট না হন, মাশরাফির চাওয়া এটাই। তাদের কাছে অধিনায়কের চাওয়া ধারাবাহিকতাও। উদাহরণ হিসেবে টানলেন এক সময়ের অন্যতম সেরা দুই আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান বীরেন্দ্রর শেবাগ ও অ্যাডাম গিলক্রিস্টকে।
‘নিউজিল্যান্ডে লিটন তিন ম্যাচেই মারতে গিয়ে আউট হয়েছে। সমালোচনা কিন্তু হয়েছে, কিন্তু আমাদের ওর ওপর কোনো চাপ ছিল না। কারণ ওরা ফ্রি ক্রিকেট খেলুক। এর মানে এই না যে ফ্রি ক্রিকেট খেলতে গিয়ে আউট হবে। আপনি যদি দেখেন বীরেন্দ্রর শেবাগ বা গিলক্রিস্টের মতো কে মারত। কিন্তু ওদের ধারাবাহিকতা ছিল। ওদেরকেও (সৌম্য-লিটন) এটা মানিতে নিতে হবে। ওরা যদি পারফর্ম করতে পারে তাহলে দলের জন্য ভালো হবে।’
রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৯ এপ্রিল ২০১৯/পরাগ
রাইজিংবিডি.কম