ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ০৬ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ২১ ১৪২৭ ||  ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

এগারসিন্দুরে একবেলা

|| রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০২:৩৭, ২২ জুলাই ২০২০  

পাকুন্দিয়ার (কিশোরগঞ্জ) থানাঘাট মোড়ে যখন বাস থেকে নামলাম, ঘড়ির কাঁটা সকাল সাড়ে ১০টা ছুঁইছুঁই। পেটের মধ্য ছুঁচোর কেত্তন শুরু হয়ে গেছে! ঢাকা থেকে দলবেঁধে এসেছি হাওরে ঘুরতে। কিন্তু থানাঘাট মোড়ে উপজেলা প্রশাসনের বিশাল বিলবোর্ডে জেলার পর্যটন স্পটগুলোর সচিত্র তথ্য থেকে কিলোমিটার ব্যবধানে ঈশা খাঁর দুর্গ রয়েছে জেনে পুলকিত হয়ে উঠলাম।

নাস্তা আপাতত রেখে ঈশা খাঁর দুর্গে যাওয়ার প্রস্তাব করলাম। দলের অপর সদস্যরা সাবেক সহকর্মী আজাদ, রিমন, সজিব ও মিঠুর সায় পেলাম তৎক্ষণাৎ।

অটোরিকশা নিয়ে ছুটলাম সেদিকে। পাকুন্দিয়া উপজেলা সদরমুখী রাস্তা ধরে কিলোমিটারখানেক এগুতেই নামতে হলো। জঙ্গলাকীর্ণ এক জায়গা নির্দেশ করে অটোচালক জানালেন মিনিট দুয়েক হাঁটলেই দুর্গ। গলিপথে ঢুকতেই চোখে পড়লো কোণায় ছোট্ট সাইনবোর্ড- ‘সামনে এগারসিন্দুর দুর্গ ও শাহ্ গরীবুল্লাহর মাজার।’ মানে বাংলার বারো ভূঁইয়াদের প্রধান নেতা ঈশা খাঁর মাজার এটা নয়, সাধক শাহ্ গরীবুল্লাহর মাজারকেই স্থানীয়রা অনেকে ভুল করে ঈশা খাঁর মাজার বলেন।

এগারসিন্দুর দুর্গ ও গরীবুল্লার মাজার

প্রায় ৫০০ বছরের পুরাতন হলেও ইতিহাসখ্যাত দুর্গটির অন্তত কাঠামো আন্দাজ করার মতো কিছু দেখব আশা করেছিলাম। কিন্তু গন্তব্যে গিয়ে হতাশ হতে হলো। একটি উঁচু ঢিবি ছাড়া আর কিছুই দৃশ্যমান নেই। সমতল হতে ক্রমে উঁচু হয়ে ওঠা আনুমানিক ৫০-৬০ ফুট উঁচু এই ঢিবি ছাড়া আর কিছু উপলদ্ধি করা কঠিন! তবে এর পূর্বাংশের ঢালুতে সারিবদ্ধ ইটের গাঁথুনিতে কোনোরকমে বোঝা যায় শাহ্ গরীবুল্লার কবরের চিহ্ন। দুর্গে কেবল এই কবরটাই একসময়ের প্রবল পরাক্রম ঈশা খাঁর স্মৃতিবিজড়িত এতিহ্যময় ইতিহাসের স্মৃতি বয়ে চলেছে। দেশজুড়ে প্রত্নসম্পদের যে অযত্ন এবং অবহেলা, এখানেও তার ব্যতিক্রম হয়নি ভেবে তেমন আশ্চর্য হলাম না কেউই।

 

এগারসিন্দুর নামকরণের ইতিহাস ঘেঁটে জানা গেলো, ব্রহ্মপুত্রের তীরঘেঁষা উঁচু শক্ত ও এটেল লালমাটির এই  এলাকাটি সুপ্রাচীনকাল থেকেই বাণিজ্য ও বসবাসের স্থান হিসেবে ‘গঞ্জের হাট’ নামে পরিচিত ছিল। প্রসিদ্ধ এই হাট ১১টি নদীর সঙ্গমস্থলে হওয়ায় স্থানীয়রা নদীগুলোকে ‘সিন্দু’  নামে আখ্যায়িত করতেন। ক্রমে গঞ্জের হাট থেকে এগারসিন্দুর নামের প্রচলন। নদীগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল- ব্রহ্মপুত্র, বানার, শীতলক্ষ্যা, আড়িয়াল খাঁ, গিয়র সুন্দা প্রভৃতি।

ষোড়শ শতাব্দীতে নির্মিত এগারসিন্দুর দুগের্র মূল নির্মাতা কে? এ বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। এর মূল নিমার্তা হিসেবে রাজা আজাহবা, কোচ হাজং উপজাতি প্রধান বেবুধ রাজা ও রাজা গৌর গোবিন্দের কথা শোনা যায়। তবে এগারসিন্দুরে ‍বেবুধ রাজার দীঘিসহ বিভিন্ন স্থাপনার কারণে এ দুর্গের নির্মাতা হিসেবে তাকেই মানা হয়। মূলত সুলতানী আমল শেষে এগারসিন্দুর বেবুধ রাজার দখলে আসে। পরবর্তী সময়ে বাংলার বারো ভূঁইয়ার প্রধান ঈশা খাঁ বেবুধ রাজাকে পরাজিত করে এগারসিন্দুর দুর্গ দখল করেন। পরে তিনি এটিকে শক্তিশালী সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত করেন। দুর্গে প্রায় ৬০ ফুট চওড়া মাটির দেয়াল ছিল। তিন পাশে নদী দিয়ে ঘেরা এই দুর্গের অপর পাশে পরিখা খনন করে মজবুত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও তিনি করেছিলেন। 

বাংলার ইতিহাসের আলোচিত দুই যুদ্ধের স্থান এই দুর্গ। মোঘল সেনাপতি রাজা দুর্জন সিংহ এবং মানসিংহকে পৃথক যুদ্ধে ঈশা খাঁ এখানে পরাজিত করেন। কথিত আছে, ১৫৯৬ সালে ঈশা খাঁর সঙ্গে যুদ্ধে মানসিংহের তলোয়ার ভেঙে গেলে নিরস্ত্র মানসিংহকে ঈশা খাঁ তাকে আক্রমণ না করে হাতে নতুন অস্ত্র তুলে দিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। ঈশা খাঁর এই মহানুভবতায় মানসিংহ পরাজয় মেনে নেন।

১৭ শতাব্দীতে দুর্গটি দখল করে নেন অহোম রাজ্যের রাজা। পরে সুবাদার ইসলাম খান তাদের পরাজিত করে দুর্গ ধ্বংস করে দেন। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে দুর্গটি প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।

ঈশা খাঁর সময়ে দুর্গের ভেতরে উঁচু ঢিবি থেকে কামান দাগানো হতো বলে ইতিহাসে প্রমাণ রয়েছে। সেই ঢিবির কিছু অংশ এখন অবশিষ্ট রয়েছে। এই ঢিবির ঢালে প্রায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া কবরটিই শাহ্ গরীবুল্লার মাজার নামে পরিচিত হলেও এখানে তার কোনো নিদর্শন নেই। কিংবদন্তী রয়েছে, সে সময়ে এগারসিন্দুরে ১১ জন আউলিয়া প্রসিদ্ধ লাভ করেছিলেন। তাদের অন্যতম নিরগিন শাহর ছোট ভাই ছিলেন শাহ্ গরীবুল্লাহ। জনশ্রুতি মতে, শাহ্ গরীবুল্লাহ বহুসংখ্যক উট নিয়ে ব্যবসা করতে এগারসিন্দুর এলাকায় এসে সংসার ছেড়ে আধ্যাত্মিকতায় নিমগ্ন হন। মৃত্যুর পর এগারসিন্দুর দুর্গ স্তম্ভের ৩০ হাত উপরে তাকে সমাধিস্ত করা হয়।

শেখ সাদী মসজিদ

এগারসিন্দুর দুর্গ দেখে প্রচণ্ড হতাশা নিয়ে ফিরছিলাম। হঠাৎ স্থানীয় এক ব্যক্তি জানালেন কাছেই এগারসিন্দুর সভ্যতার প্রাচীন দুই ঐতিহাসিক মসজিদের কথা।

 

তাকে সঙ্গে নিয়েই ছুটলাম সেদিকে। অজপাড়াগাঁ যাকে বলে, সে রকমই গাঁয়ের মাটির পথ পেরিয়ে যখন মিনিট পাঁচেক পরই রাস্তার বাঁক থেকেই চোখে পড়লো এক গম্বুজবিশিষ্ট মোঘল স্থাপত্যরীতির মসজিদটি। এক নজর দেখেই মুগ্ধ হলাম!

দূর থেকে গাছপালার ফাঁকে মসজিদটির অবয়ব দেখেই আমাদের মুগ্ধতার শুরু। কিন্তু কাছে গিয়ে মসজিদটির সৌন্দর্য দেখে রীতিমতো বিস্মিত হতে হলো। মোঘল সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে ১৬৪২ সালে মসজিদটি নির্মিত হয়। ১০৬২ হিজরীর রবিউল আউয়াল মাসে জনৈক শেখ নিরুর পুত্র সাদীর উদ্যোগে মসজিদটি নির্মিত হয় বলে এটি ‘সাদী মসজিদ’ নামে পরিচিত।

পোড়ামাটির অলঙ্করণসমৃদ্ধ  এক গম্বুজবিশিষ্ট বর্গাকৃতির মসজিদটি ইটের তৈরি। এর প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য ২৭ ফুট। মসজিদের চারপাশে চারটি বুরুজ রয়েছে এবং প্রতিটি বুরুজের মাথায় গম্বুজ রয়েছে। মোঘল স্থাপত্যরীতির অন্যান্য মসজিদের সঙ্গে এর বাড়তি বিশেষত্ব হলো মসজিদটির পূর্ব দেয়ালে তিনটি এবং উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে একটি করে প্রবেশ দ্বার রয়েছে। প্রবেশ পথগুলোর চারদিকে পোড়ামাটির চিত্র ফলকের কাজ রয়েছে। তবে এখন শুধু সামনের দরজা ছাড়া বাকিগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মসজিদের ভেতরে টেরাকোটার নকশার তিনটি অনিন্দ্য সুন্দর মেহরাব রয়েছে। মসজিদটির আরেক বিশেষত্ব হলো- এর সম্মুখভাগের আঙিনা পুরোটা ঢালাই করা।

সাদী মসজিদে আরবি ও পারসি ভাষায় লিখিত একটি শিলালিপি পাওয়া গেছে। এ লেখার বঙ্গানুবাদ হলো:

‘মহান আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো উপাস্য নাই। মোহাম্মদ আল্লাহর বাণীই জগতে প্রচার করেছেন। যিনি মহান আল্লাহর উপর বিশ্বাস ও ঈমাণ রাখেন তিনি একটি করে মসজিদ নির্মাণ করেন। যিনি পৃথিবীতে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন, আল্লাহ তার জন্য বেহেশতে ষাটটি মসজিদ প্রস্তুত রাখেন। মহান আল্লাহর ইচ্ছায় নিরুর পুত্র সাদীর তত্ত্বাবধানে শাহজাহান বাদশা গাজীর রাজত্বের সময় এই মসজিদ নির্মিত হলো। হিজরী অব্দ ১০৬২, রবিউল আওয়াল।’

মসজিদের চারপাশের দেয়ালে দৃষ্টিনন্দন অলঙ্করণ। এটিও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সংরক্ষিত পুরাকীর্তি। তবে এ অমূল্য প্রত্নসম্পদ রক্ষার কোনো গরজ বা উদ্যোগ যে দায়িত্বশীলদের নেই তা দেখেই বোঝা যায়। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মসজিদের অনেক কারুকাজ বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে পুরাকীর্তি বিনষ্ট করে মসজিদের ডানদিকের দেয়াল কেটে জানালা করা হয়েছে। মসজিদের বিভিন্ন টেরাকাটা উঠে যেতে শুরু করেছে।

সেইসঙ্গে মুসুল্লিদের জন্য মসজিদ লাগোয়া একটি ছাপড়াঘর ও অজুখানা তৈরি করা হয়েছে। সেখানেই এক গাছের সঙ্গে গেঁথে দেওয়া হয়েছে মসজিদের নামোল্লেখ করা ছোট্ট সাইনবোর্ড। মরচেপড়া সেটিও অর্ধেকটা খুলে উল্টো হয়ে থাকতে দেখা গেলো।

শাহ মাহমুদ মসজিদ ও বালাখানা

সাদী মসজিদেরই অনতিদূরে শাহ মাহমুদ মসজিদ ও অপূর্ব সুন্দর বালাখানা মুসলিম স্থাপত্য শিল্পের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। ১৬৬৪ সালের দিকে মসজিদটি নির্মিত হয়। তবে জেলা বাতায়নে ড. দানীর মতে মসজিদটি ১৬০০ সালে নির্মিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

মসজিদের সামনে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মসজিদটির বর্ণনা সম্বলিত একটি বোর্ড বসানো হয়েছে। সেখানে উল্লেখ রয়েছে মোঘল সম্রাট শাহজাহানের সুবাদার শায়েস্তা খাঁর রাজত্বকালে স্থানীয় প্রখ্যাত বণিক শাহ মাহমুদ মসজিদটি তৈরি করেন।

বর্গাকৃতির মসজিদটির প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ৩২ ফুট। চার কোণায় চারটি বুরুজ রয়েছে। রয়েছে বিশালাকার একটি বিশাল গম্বুজ। মসজিদের সামনের দিকে দু’পাশে দুটি সরু মিনার রয়েছে। ভেতরে পশ্চিমের দেয়ালে রয়েছে তিনটি মেহরাব। 

মসজিদটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট বর্গাকৃতির। পোড়ামাটির শৈল্পিক অলঙ্করণে সমৃদ্ধ বর্গাকৃতির শাহ মাহমুদ মসজিদও সম্পূর্ণ ইটের তৈরি। চারপাশে ইটের তৈরি আড়াই ফুট উঁচু দেয়ালঘেরা প্ল্যাটফর্মের ওপর মসজিদটি নির্মিত। তবে নির্মাণের সময় মসজিদের চার কোণায় চারটি মূল্যবান পাথরের ফলক ছিল। এগুলো এখন আর নেই। এ মসজিদের বিশেষত্বও সামনের অংশের আঙিনা পুরোটা ঢালাই করা।

ইউনেস্কোর মুসলিম স্থাপত্যের ক্যাটালগে মসজিদের নাম উল্লেখ আছে, ‘শাহ মোহাম্মদ মসজিদ’ হিসেবে। এই মসজিদের বিশেষত্ব এর আঙিনায় প্রবেশ দ্বার হিসেবে ব্যবহৃত বালাখানা। মুগ্ধকর শৈলীর এ প্রবেশদ্বার সমৃদ্ধ ঘরটি দোচালা ঘরের আকৃতিতে তৈরি, যা বালাখানা নামে পরিচিত। ঘরটি দৈর্ঘ্যে ২৫ ফুট ও প্রস্থে ১৩ ফুট ৮ ইঞ্চি। বালাখানার মাঝবরাবর প্রবেশদ্বারের ফাঁকা অংশটা মসজিদের প্রধান দ্বার।

মসজিদের বিপরীতেই বিশালাকার দিঘি। শান বাঁধানো এই দিঘিতেই ওজু করেন মুসুল্লিরা। আশির দশকে মসজিদটি সবশেষ সংস্কার করা হয়। এরপর এটির কোনো সংস্কার নেই। সঠিক নজরদারি না থাকায় মসজিদের পুরনো কারুকাজ অনেক ক্ষেত্রেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে মসজিদ ও সংলগ্ন সীমানা প্রাচীর ও বালাখানার গায়ের নকশা শ্যাওলা জমে ও পোড়ামাটি খুলে নষ্ট হচ্ছে। কিন্তু মহামূল্যবান প্রত্নসম্পদ রক্ষার কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এ ক্ষেত্রেও দায় সেরেছে ‘সংরক্ষিত পুরাকীর্তি’ ঘোষণা করেই। 

এগারসিন্দুরের এক কিলোমিটার এলাকার মধ্যে এরকম অনন্যসুন্দর দুই মসজিদ ও ঈশা খাঁর দুর্গ থাকায় এ এলাকার তেমন কোনো উন্নয়ন পরিলক্ষিত হয়নি। অথচ এগারিসন্দুরকে ঘিরে গড়ে তোলা সম্ভব দেশের অন্যতম পর্যটন এলাকা।

 

কীভাবে যাবেন

ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে অনন্যা, যাতায়াত, অনন্যা ক্ল্যাসিকসহ কয়েকটি বাস সার্ভিস রয়েছে। ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার থানাঘাট মোড় পর্যন্ত ভাড়া জনপ্রতি ১৫০-১৭০ টাকা। প্রতি ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরপর গাড়ি ছেড়ে যায়। পাকুন্দিয়ার থানা ঘাট মোড়ে নেমে অটোরিকশায় বা হেঁটে আসা যায় এগারসিন্দুর এলাকায়।

এছাড়া ঢাকা থেকে ট্রেনে বা দেশের অন্যান্য স্থান থেকে কিশোরগঞ্জ সদরে এসে নগুয়া স্ট্যান্ড থেকে সিএনজি রিকশাযোগে ৪০ টাকা জনপ্রতি মঠখোলা বাজারে আসা যাবে। সেখান থেকে অটোরিকশা করে আসা যাবে এগারসিন্দুর।

কোথায় খাবেন, থাকবেন

এগারসিন্দুর পাড়াগাঁ হওয়ায় থাকা বা খাবার কোনো হোটেল নেই। তাই সঙ্গে হালকা খাবার ও পানীয় রাখা যেতে পারে। থাকা খাওয়ার জন্য কিশোরগঞ্জ শহরে বিভিন্ন মান ও দামের আবাসিক হোটেল ও রেস্টুরেন্ট রয়েছে। এগারসিন্দুর ভ্রমণে ঢাকা বা আশপাশের জেলা থেকে দিনে গিয়ে দিনেই ফেরা সম্ভব। হোটেলে রাত্রিযাপন করতে ২৫০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে খরচ পড়বে। এর বাইরে রয়েছে জেলা ও উপজেলা সদরে সরকারি রেস্ট হাউস ও ডাকবাংলো। 



এসএম/তারা

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়