ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭
Risingbd
সর্বশেষ:

যশোরের মাঠে মাঠে শীতের সবজি

বিএম ফারুক : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-১২-০৭ ৩:৫৩:৫০ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-১২-০৭ ৩:৫৩:৫০ পিএম

বি এম ফারুক, যশোর : যশোরের মাঠে মাঠে শীতকালীন সবজির ছড়াছড়ি। ফলনও হয়েছে ভাল। বাজারেও উঠতে শুরু করেছে এসব সবজি।  সবজিতে যশোরের স্থানীয় বাজারগুলো সয়লাব হলেও দাম কমছে না।

সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি, কাশিমপুর, লেবুতলা ও হৈবতপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠ নানা প্রকারের শীতকালীন সবজির সমারোহ।

হৈবতপুর ও চুড়ামনকাটিকে বলা হয়  সবজির রাজ্য।এখানের  চাষিদের একটিই আক্ষেপ, সবজি সংরক্ষণে তাদের কোন হিমাগার নেই ।

এ বছর যশোর জেলায় শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ হাজার ৫২৫ হেক্টর জমিতে। এখন পর্যন্ত চাষ হয়েছে ১২ হাজার ৫৫৫ হেক্টর জমিতে।  হেক্টরপ্রতি ফলন হচ্ছে প্রায় ১২ টন। দেশে মোট সবজি উৎপাদনের পরিমাণ ৯৪ লাখ ৫০ হাজার টন। শুধু যশোরে উৎপাদন হয় ৩৩ লাখ ৭২ হাজার টন। উৎপাদিত এই সবজির সিংহভাগ চলে যায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

উৎপাদিত সবজির মধ্যে রয়েছে, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি, টমেটো, বেগুন, মূলা, গাজর, পালনশাক, লালশাক, সবুজ শাক, লাউ, শিম, মিষ্টি কুমড়া, গাজর, ধনিয়া, করলা, উচ্ছে ইত্যাদি । তবে এ মুহূর্তে মাঠে মাঠে ফুলকপিরই প্রাধান্য।

চড়ামূল্যে বিক্রি হচ্ছে এসব সবজি। সবজির বেশি দাম পেয়ে চাষিরা খুশি হলেও বিপদে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, খুচরা ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে অতিরিক্ত দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে। কেননা বাজারে যে পরিমাণ সবজি আসছে তাতে করে এতো চড়া দামে বিক্রি হওয়ার কথা নয়।

যশোরের সর্ববৃহৎ সবজির পাইকারি বাজার সাতমাইল-বারীনগর বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন প্রকারের শীতকালীন সবজিতে ঠাসা বাজার। চারপাশে সবজি আর সবজি।

চাষিরা জানান, শীতকালীন সবজির দাম একটু বেশি পাচ্ছি। তবে পাইকারি বাজারে তাদের কাছ থেকে যে টাকায় সবজি কেনা হচ্ছে তার দ্বিগুণ দামে খুচরা বাজারে সবজি বিক্রি হচ্ছে।

সদর উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের দৌলতদিহি গ্রামের কৃষক জামাল হোসেন জানান, এ বছর সর্বোচ্চ দাম পাচ্ছেন মূলার। পাইকারি প্রতি কেজি মূলা বিক্রি করেছেন ২৫ টাকা। যা বিগত কয়েক বছরের তুলনায় অনেক বেশি বলে তিনি জানান।

হৈবতপুর গ্রামের বেগুন চাষি সাত্তার জানান, এ বছর সবজি চাষিদের জন্য খুবই ভাল। তার মতে, বাজার ব্যবস্থা এমন থাকলে বর্ষা মৌসুমের ক্ষতি অনেকটা পুষিয়ে নিতে পারবেন চাষিরা।

যশোরের আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, এখনো পর্যন্ত সবজি চাষ হচ্ছে। যা আগামী মাস পর্যন্ত চলবে। এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি চাষ হবে।

 

 

রাইজিংবিডি/যশোর/৭ ডিসেম্বর ২০১৭/বি এম ফারুক/টিপু

Walton
 
   
Marcel