ঢাকা, বুধবার, ১২ আষাঢ় ১৪২৬, ২৬ জুন ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

একাব্বর হোসেনকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় মির্জাপুরবাসী

কেএমএ হাসনাত হাসান : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০১-০২ ৯:৫৪:৪৮ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০১-০২ ৯:৫৪:৪৮ পিএম
Walton AC 10% Discount

বিশেষ প্রতিনিধি : টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে টানা চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মো. একাব্বর হোসেন।

দশম জাতীয় সংসদে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন মো. একাব্বর হোসেন। এবার তাকে নিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখছে এলাকাবাসী। তাদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রী এই সৎ রাজনীতিককে মন্ত্রিসভায় স্থান দেবেন।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন মো. একাব্বর হোসেন। তিনি নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৪৭৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মো. আবুল কালাম আজাদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮০৩ ভোট।

এ নিয়ে টানা চারবার সংসদ সদস্য হলেন মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। একাব্বর হোসেন ২০০১, ২০০৯ ও ২০১৪ সালে টাঙ্গাইল-৭ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে তখনই টাঙ্গাইল জেলা থেকে কেউ না কেউ মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেয়েছেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মধ্যদিয়ে নতুন করে সরকার গঠিত হওয়ার পর তাতে ঠাঁই পান লতিফ সিদ্দিকী। কিন্তু পবিত্র হজ, তাবলিগ জামাত ও প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পর ক্ষুব্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী তাকে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেন। এর ফলে টাঙ্গাইল জেলা এখন মন্ত্রীশূন্য হয়ে পড়েছে। তবে টাঙ্গাইলবাসীর ধারণা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টাঙ্গাইল থেকে কাউকে না কাউকে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দেবেন। এক্ষেত্রে একাব্বর হোসেনকে নিয়ে আশা দেখছেন এলাকাবাসী।

মো. একাব্বর হোসেন ১৯৫৬ সালের ১২ জুলাই টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার পোষ্টকামুরী গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আলহাজ ওয়াজউদ্দিন এবং মাতা রেজিয়া বেগম। মো. একাব্বর হোসেন ১৯৭১ সালে নবাব স্যার আব্দুল গণি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে এসএসসি ও মির্জাপুর কলেজ থেকে ১৯৭৪ সালে প্রথম বিভাগে এইচএসসি পাশ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৭ সালে বিএসএস (সম্মান) ও ১৯৭৮ সালে এমএসএস ডিগ্রি লাভ করেন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি ব্যবসা শুরু করেন এবং ব্যবসার পাশাপাশি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।

মো. একাব্বর হোসেন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ১৯৭৩ সালে সরকারি তিতুমীর কলেজে পড়ার সময় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসীন হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৭৮ সালে একই হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

মির্জাপুর উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির তিনবার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন মো. একাব্বর হোসেন। ১৯৯০ সালে তিনি মির্জাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি জাতীয় সংসদে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২ জানুয়ারি ২০১৯/হাসনাত/হাসান/রফিক

Walton AC
     
Walton AC
Marcel Fridge