Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

রাজা ও রাণী জাতের টমেটো চারায় লাভবান হাজারো কৃষক

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৭:২৩, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
রাজা ও রাণী জাতের টমেটো চারায় লাভবান হাজারো কৃষক

রাজা ও রাণী জাতের টমেটো চারায় লাভবান হচ্ছেন হবিগঞ্জের হাজারো কৃষক।

এ জাতের চারা উৎপাদন করছেন জেলার চুনারুঘাট উপজেলা কৃষি অফিসে উপ-সহকারী কৃষি অফিসার হিসেবে কর্মরত গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা ফারুক আহমেদ।

চাকরির দায়িত্ব পালন শেষে তিনি বিষমুক্ত সবজি চাষের পাশাপাশি প্রায় ৪৫ শতক জমিতে সবজি চারার নার্সারি গড়েছেন। এ নার্সারিতে তিনি রাজা ও রাণী জাতের টমেটো চারা উৎপাদন করেছেন।

জেলার বিভিন্ন এলাকার শত শত কৃষক এ নার্সারিতে এসে রাজা ও রাণী জাতের টমেটো চারা কিনে নিয়ে নিজের জমিতে রোপণ করছেন।

এ জাতের চারা রোপণের মাত্র এক মাসের মধ্যে গাছে গাছে টমেটো আসে। একটি গাছ থেকে প্রায় ১২ কেজি টমেটো উৎপাদন করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন নার্সারি মালিক ফারুক আহমেদ।

আজমিরীগঞ্জের কৃষক তোফাজ্জল হোসেন এই নার্সারি থেকে টমেটো চারা নিয়ে রোপণ করেন। রোপণের প্রায় মাসখানেকের মাঝে গাছে গাছে টমেটো আসে। এ কৃষকের মতো নবীগঞ্জের ইমামবাড়ির মাওলানা মশিউর রহমানসহ অনেকেই নার্সারিটি থেকে উন্নতজাতের টমেটো চারা সংগ্রহ করেছেন, তারাও এ জাতের টমেটো চাষ করে লাভবান।

ফারুক আহমেদ বলেন, ‘জমি প্রস্তুত করে রোপণের পর সময়মত পানি ও আগাছা পরিস্কার করে কিছু পরিমাণে সার দিলে গাছে গাছে টমেটোর দেদারছে ফলন আশা করা যায়।’

তিনি বলেন, ‘টমেটো চারা বিক্রি করে বছরে প্রায় দুই লাখ টাকা আয় হয়। তবে অনেক সময় লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে। এ ঝুঁকি ও আশার মাঝে নার্সারি পরিচালনা করতে হচ্ছে।’

এছাড়া অবিক্রিত চারাগুলো নিজের জমিতে রোপণ করে টমেটোর চাষ করছেন তিনি। এ মৌসুমে প্রায় এক একর জমিতে রাজা ও রাণী জাতের টমেটোর চাষ করেছেন। আশা করছেন ৩০ দিনের মধ্যেই গাছে গাছে টমেটোর ফলন আসবে।

হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ মোঃ জালাল উদ্দিন বলেন, ‘ফারুক আহমেদের তুলনা হয় না। তিনি অর্পিত দায়িত্ব পালন করে বাড়ি গিয়ে জমিতে সময় কাটান। তিনি শুধু সবজি চাষ করছেন তা নয়, উৎপাদন করছেন সবজির চারাও।’

হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. তমিজ উদ্দিন খান বলেন, ‘সবজি চারার নার্সারি করা কঠিন। সেখানে ফারুক আহমেদ সফলতার সাথে সবজি চারার নার্সারি গড়ে লাভবান। তেমনি এখান থেকে চারা কিনেও হাজারো কৃষক লাভবান হচ্ছেন।’


মামুন/টিপু

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে