RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২০ ||  অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৭ ||  ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

দৃষ্টি কেড়ে নিচ্ছে জগতপুরের কাউছারের সবুজ মাল্টা

মামুন চৌধুরী || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১২:০১, ২ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ২০:৫১, ৩ অক্টোবর ২০২০

শায়েস্তাগঞ্জ থেকে হবিগঞ্জ জেলা শহরে যেতে জগতপুর এলাকায় দৃষ্টি কেড়ে নেয় গাছে গাছে ঝুলে থাকা সবুজ মাল্টা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ মাল্টার বাগান শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার জগতপুরের বাসিন্দা কাউছার চৌধুরী নামে এক কৃষকের।

মাল্টার বাগান নিয়ে কথা হয় কাউছার চৌধুরীর সঙ্গে।  তিনি জানান, ২০১৮ সালে ২০ শতক জমিতে বারি জাতের মাল্টার ৬০টি চারা রোপণ করেন।  রোপণের প্রথম বছরে অল্প মাল্টা আসে।  পরের বছর তিনি প্রায় ২০ হাজার টাকার মাল্টা বিক্রি করেন।

তিনি বলেন, ‘এ বছর গাছে গাছে মাল্টার ব্যাপক ফলন এসেছে।  বিক্রি শুরু করেছি।  আশা করছি, লক্ষাধিক টাকার মাল্টা বিক্রি হবে।  এ বছরও বাগানের পেছনে প্রায় ১২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। 

তবে মাল্টা চাষে কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার করেননি বলে জানান তিনি।  বিষমুক্ত হওয়ায় তার মাল্টার বেশ চাহিদা।  বিক্রির পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যদেরও খুব পছন্দ।  খেতে সুস্বাদু।  টাটকা ঘ্রাণ।  লোকজন এসে বাগান থেকেই মাল্টা কিনে নিচ্ছেন।

স্থানীয় কলিমনগর কৃষি ব্লকের দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. তোফায়েল আহমেদ জানান, প্রথমে এ কৃষক মাল্টা চাষ করে হতাশ ছিলেন।  পরের বছর মাল্টার ফলন দেখে উৎসাহিত হন।  মাল্টা ক্ষেতে প্রচুর সময় শ্রম দিচ্ছেন এ কৃষক।  এর ফলও পেলেন এবার।  গাছে গাছে মাল্টার সমারোহ দেখে মন ভরে উঠেছে তার।

তিনি জানান, মাল্টার ভাল ফলন দেখে আশপাশের চাষিরাও উৎসাহিত হচ্ছেন।  অনেকেই এখন মাল্টা চাষ করতে চান।  আবার অনেকেই বাড়িতে নিয়ে এক দুইটি গাছ রোপণ করছেন।

হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ মো. জালাল উদ্দিন জানান, এ সবুজ মাল্টা চাষে কৃষকরা খুবই উৎসাহিত হচ্ছেন।  জগতপুরের কৃষক কাউছার চৌধুরীর বারী মাল্টার বাগান দেখে অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে মাল্টা চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।  এটা অবশ্যই ভালো সংবাদ।  বিশেষ করে জেলার পাহাড়ি অঞ্চলে ব্যাপকহারে মাল্টা চাষে কৃষকদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।  এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সব সময় চাষিদের পাশে রয়েছে।

হবিগঞ্জ/টিপু

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়