ঢাকা     সোমবার   ১৭ জুন ২০২৪ ||  আষাঢ় ৩ ১৪৩১

মধুপুর প্রেসক্লাবের গ্রন্থাগারে ৫ শতাধিক বই হস্তান্তর

মধুপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:৪৮, ২৫ মার্চ ২০২৩  
মধুপুর প্রেসক্লাবের গ্রন্থাগারে ৫ শতাধিক বই হস্তান্তর

মধুপুর প্রেসক্লাবে বই হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ

টাঙ্গাইলের মধুপুর প্রেসক্লাবের গ্রন্থাগারের জন্য পাঁচ শতাধিক বই হস্তান্তর করলো অনলাইন ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ‘মধুপুরবাসী ফেইসবুক গ্রুপ’।

শুক্রবার (২৪ মার্চ) বিকেলে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ বই হস্তান্তর করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্বদ্যিালয়ের গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের সভাপতি এবং গবেষণা ও উচ্চ শিক্ষা বিষয়ের কো অর্ডিনেটর ড. আবু হাদী নুর আলী খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. উত্তম কুমার দাস।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও  মধুপুর প্রেসক্লাবের সাবেক  সভাপতি বজলুর রশীদ খান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মধুপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম শহীদ।  অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন উত্তর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও ইত্তেফাক পত্রিকার সংবাদদাতা অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন, মধুপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান, সহসভাপতি অধ্যাপক আবদুল আজিজ, আবদুল লতিফ প্রমুখ।

আয়োজক সংগঠনের মডারেটর খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ সজীব মধুপুরবাসী ফেইসবুক গ্রুপের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও বিগত ১২ বছরের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, মানবিক ইভেন্টের চিত্র তুলে ধরেন। এতে আর্থিক মূল্যমানে প্রায় ২৫ লাখ টাকার মানবিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

উল্লেখ্য, মধুপুর প্রেসক্লবের গ্রন্থাগার ও মধুপুরের সাংবাদিকদের সমৃদ্ধ করতে গত ফেব্রুয়ারিতে ভার্চুয়াল সংগঠন মধুপুরবাসী ফেইসবুক গ্রুপ বিশেষ ইভেন্ট ঘোষণা করা হয়। সংগঠনের নির্বাহী প্রধান জাপান প্রবাসী হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে দেশ-বিদেশে অবস্থান করা সচেতন নাগরিকদের কাছ থেকে গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিশেষ প্রকাশনাসহ গুরুত্বপূর্ণ বই মাসব্যাপী সংগ্রহ হয়। ৫৮৪টি বই সংগ্রহ শেষে স্বাধীনতার মাসে এগুলো তারা হস্তান্তর করে। 

বই হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ড. আবু হাদী নুর আলী খান বলেন, সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতায় একটি সমাজ ও রাষ্ট্রের ব্যবস্থা পাল্টে যায়। আমূল পরিবর্তন ঘটে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ সংবাদপত্রে বা গণমাধ্যমে এখন ব্যাপকভাবে সংশ্লিষ্ট । পড়াশোনা করেই এতে টিকে থাকতে হয়। এরজন্য বই গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

ড. উত্তম কুমার দাস বলেন, বই এখন আর কেউ পড়তে না চাইলেও বইই জ্ঞানের আধার। বই পড়ার মাধ্যমেই জ্ঞান চর্চা এগিয়ে যায়। এর বিকল্প নেই।

জাপান প্রবাসী হারুন অর রশীদ জানান, সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতায় এখন পড়াশোনা কম। এতে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যমে এখন অনেক বিতর্ক শোনা যায়। পড়াশোনার পরিবেশে ফিরিয়ে এনে গ্রামীণ সাংবাদিকতা বিতর্কমুক্ত করতে এবং মধুপুর প্রেসক্লাবকে একটি আদর্শ প্রেসক্লাবে পরিণত করতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়।

শহীদ/ইভা 

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়