ঢাকা     শুক্রবার   ৩১ মে ২০২৪ ||  জ্যৈষ্ঠ ১৭ ১৪৩১

খরায় ঝরছে আমের গুটি, ফলন কমের আশঙ্কা

জাহিদুল হক চন্দন, মানিকগঞ্জ  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:১৯, ২০ এপ্রিল ২০২৪   আপডেট: ০৯:১৯, ২০ এপ্রিল ২০২৪
খরায় ঝরছে আমের গুটি, ফলন কমের আশঙ্কা

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় আমের গুটি ব্যাপক হারে ঝরে যাচ্ছে। একদিকে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় আমগাছে মুকুল কম আসা, অন্যদিকে বৃষ্টির অভাবে মাঝারি আকৃতির গুটি ঝরে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন চাষি ও বাগান মালিকেরা। এতে আমের ফলন অনেক কম হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উপজেলার বানিয়াজুরী, বালিয়াখোড়া, সিংজুরী, নালী, বড়টিয়া, ঘিওর সদর, পয়লা ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই রয়েছে একাধিক আমগাছ। এ ছাড়া উপজেলাজুড়ে রাস্তার পাশে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আঙিনায়  রয়েছে আম গাছ।  উপজেলায় বাণিজ্যিকভিত্তিক ছোট বড় আম বাগান রয়েছে ২৬টি।

এ সব এলাকার যে কোনো আম গাছের নিচে গেলে দেখা যাচ্ছে, অসংখ্য ছোট, মাঝারি আমের গুটি ঝরে পড়ে আছে।

উপজেলার গোয়ালডাঙ্গী গ্রামের কৃষক সাইজুদ্দিন বলেন, ‘১০ দিন আগে হালকা বৃষ্টির ছিটা পড়েছে। তাতে গাছের পাতাও ভালো মতো ভিজে নাই। এর আগে কমপক্ষে পনের দিন এবং তারপর আর বৃষ্টির দেখা নেই। দিন দিন তাপমাত্রা বাড়ছে। আমার বাড়ির ৭টি আম গাছের ৩ ভাগের ১ ভাগ গুটি ঝরে পড়েছে। বৃষ্টি না হওয়ায় আমের ফলন নিয়ে শঙ্কায় আছি।’

এদিকে আম গাছে সেচ ও কীটনাশকের মিশ্রণ স্প্রে করেও গুটি টেকানো যাচ্ছে না বলে জানান বানিয়াজুরী গ্রামের বাসিন্দা এবং বাণিজ্যিক ভিত্তিতে করা আমের বাগানের মালিক পলাশ সরকার।

রুস্তম ব্যাপারি বলেন, প্রতি বছর এ অঞ্চলের আম বাগান ও বাড়ির গাছ থেকে কাঁচা ও পাকা আম কিনে বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করি। চলতি বছর খরার কারনে আমের গুটি ঝরে যাচ্ছে। ফলে কাঁচা আমের সরবরাহ কমে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে পাকা আমের ফলনও কম কমে। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাজেদুল ইসলাম  বলেন, ‘তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে ঝরে যাচ্ছে আমের গুটি। বর্তমানে রোদ ও গরমের কারণে যে গুটি ঝরছে সেটা স্বাভাবিক। গাছ মালিক, চাষি এবং ব্যবসায়ীদের চিন্তার কোনো কারণ নেই। তবে বেশি পরিমাণ গুটি ঝরলে গাছে পানি সেচ দিতে হবে।’

/টিপু/

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়