ঢাকা     শুক্রবার   ১৯ জুলাই ২০২৪ ||  শ্রাবণ ৪ ১৪৩১

বেরোবিতে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

বেরোবি সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:২৪, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩   আপডেট: ১৬:৩৯, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩
বেরোবিতে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) প্রার্থীকে না জানিয়েই শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। 

সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জোবেদা আক্তার।

অভিযোগপত্রে ভুক্তভোগী বলেন, আমি জোবেদা আক্তার, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলাম। আমি ২০১৭ সালে স্নাতক (সম্মান) এ জিপিএ ৩.৬২ (৪ স্কেলে) এবং ২০১৮ সালে স্নাতকোত্তর এ জিপিএ ৩.৫৫ (৪ স্কেলে) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ সম্মান প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদকও পেয়েছি। 

২০২২ সালের ১৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে প্রভাষক ও অন্যান্য পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। উক্ত বিজ্ঞপ্তিতে ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে প্রভাষক (স্থায়ী) একটি পদের জন্য আবেদন চাওয়া হয়। আমি উক্ত পদের জন্য একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে আবেদন করি। কিন্তু চলতি বছরের ৯ সেপ্টেম্বর উক্ত পদের জন্য লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার তারিখ নির্ধারিত হয় যা পরে আবার স্থগিত করা হয়। উক্ত পদের জন্য পুনরায় ২১ সেপ্টেম্বর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। উক্ত তারিখে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু আমি একজন যোগ্য প্রার্থী হয়েও ৯ সেপ্টেম্বর ও ২১ সেপ্টেম্বর তারিখে নির্ধারিত লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার অংশগ্রহণের জন্য কোনো চিঠি বা মোবাইল ম্যাসেজ পাইনি। পরবর্তীতে আমি জানতে পারি অন্যান্য প্রার্থীদের চিঠি ও মোবাইল ম্যাসেজের মাধ্যমে তারিখ জানানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আমার নাগরিক অধিকার হরণ করা হয়েছে। উক্ত বিষয়গুলো আমার কাছে পূর্বপরিকল্পিত ও সাজানো মনে হয়েছে। আমি আরও জানতে পারি একটি পদের বিপরীতে একাধিক প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তারা সবাই আমার থেকে কম যোগ্যতাসম্পন্ন। আমি এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একই সঙ্গে দুইবার ক্ষতিগ্রস্ত হলাম। প্রথমত, আমাকে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না দেওয়া; দ্বিতীয়ত, একটি পদের বিপরীতে একাধিক নিয়োগ দেওয়ায় ভবিষ্যতের সম্ভবনা থেকেও আমাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। 

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী জোবেদা রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘কাকে নিয়োগ দেয়া হবে সেটা আমার দেখার বিষয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যোগ্যতাসম্পন্ন যে কেউ নিয়োগ পেতে পারে। তবে আমার কথা হচ্ছে হচ্ছে, আমি আবেদন করলেও আমাকে কেন পরীক্ষায় বসতে দেয়া হলো না? কেন আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়েও অধিকার বঞ্চিত হলাম?’

এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আলমগীর চৌধুরী রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘আমি বিষয়টির খোঁজ নিচ্ছি।’ প্রতিবেদককে পরে যোগাযোগ করতে বলেন তিনি।

সাজেদুল ইসলাম/ফিরোজ

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়