ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ১৩ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ২৯ ১৪২৭ ||  ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

২ কোটি ১০ লাখ টাকায় ট্রেক বিক্রি করবে ডিএসই

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:১৬, ২ জুলাই ২০২০  
২ কোটি ১০ লাখ টাকায় ট্রেক বিক্রি করবে ডিএসই

শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনের জন্য ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক) ২ কোটি ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করতে চায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া ট্রেক সার্টিাফকেট নেওয়ার জন্য কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা থাকতে হবে এবং স্টক এক্সচেঞ্জে জামানত হিসেবে ৩ কোটি টাকা দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে এটি প্রস্তাব আকারে পাঠাবে ডিএসই। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানি, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কমিশনের অনুমোদিত কোনো প্রতিষ্ঠান স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেক কিনতে পারবে। গ্রাহকদের পক্ষে শেয়ার লেনদেন করে দেওয়ার ব্যবসা করতে এই ট্রেক পাওয়া যাবে। তবে এই ট্রেকের মালিক স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারহোল্ডার হবেন না। শুধু শেয়ার ও ইউনিট বেচা-কেনা করার সুযোগ পাবেন।

এর আগে গত ২৫ মার্চ ডিএসইর সম্মতি নিয়ে বিএসইসি এ সংক্রান্ত খসড়া বিধিমালা প্রকাশ করে। এতে ট্রেক পেতে ৫ লাখ টাকা নিবন্ধন ফি ও ১ লাখ টাকা আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া কমপক্ষে ৩ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন ও ২ কোটি টাকা জামানতের কথা উল্লেখ করা হয়।

ডিএসইর মতামত নিয়ে ওই খসড়া প্রকাশ করা হলেও পরবর্তীতে স্টক এক্সচেঞ্জটির শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের তিনজন এর বিরোধিতা করেন। এছাড়া ডিএসইর সম্মতির কারণে স্টক এক্সচেঞ্জটিকে লিগ্যাল নোটিশ দেয় ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)।

ওই সময় প্রশ্ন তোলা হয় ফি নির্ধারণ নিয়ে। প্রকাশিত খসড়ায় ১ লাখ টাকার আবেদন ফি ও ৫ লাখ টাকা নিবন্ধন ফির পরিমাণ অনেক কম বলে প্রশ্ন ওঠে। তাদের মতে, সর্বশেষ ২০১৩ সালে ডিএসইর একটি মেম্বারশিপ বিক্রি করা হয় ৩২ কোটি টাকার ওপরে। এছাড়া স্ট্যাটেজিক ইনভেস্টরদের কাছে ২৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির দর হিসাবে একটি ব্রোকারেজ হাউজের দাম হয় ১৫ কোটি টাকা। সেখানে ৬ লাখ টাকায় ট্রেক ইস্যু করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বিএসইসি।

কোনো প্রতিষ্ঠান ট্রেক পেলে তা হস্তান্তর করা যাবে না। আবার নিবন্ধন পাওয়ার এক বছরের মধ্যে সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা ২০০০ অনুযায়ী স্টক-ডিলার বা স্টক-ব্রোকার সনদ নিতে হবে। এই সনদ নেওয়ার ৬ মাসের মধ্যে ব্যবসা শুরু করতে না পারলে ট্রেক বাতিল হয়ে যাবে।

 

ঢাকা/এনটি/বকুল

রাইজিংবিডি.কম

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়