ঢাকা     রোববার   ২৯ মে ২০২২ ||  জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৯ ||  ২৭ শাওয়াল ১৪৪৩

‘ফ্রন্টিয়ার থেকে ইমার্জিং শেয়ারবাজারে পরিণত হতে হবে’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৫৪, ২৬ জানুয়ারি ২০২২  
‘ফ্রন্টিয়ার থেকে ইমার্জিং শেয়ারবাজারে পরিণত হতে হবে’

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মো. ইউনুসুর রহমান বলেছেন, দেশ অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে গেলেও শেয়ারবাজার ও বিমা খাত সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। এই দুই জায়গায় বিনিয়োগ করলে, দায়িত্বরত ব্যক্তিরা ঠকায় বলে সাধারণ মানুষ এখনও মনে করে। তাই এই অনাস্থা কাটিয়ে তুলতে হবে। আমাদেরকে ফ্রন্টিয়ার থেকে ইমার্জিং শেয়ারবাজারে পরিণত হতে হবে।

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর নিকুঞ্জে ডিএসই টাওয়ারে পেপারলেস ডিএসই’র কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ডিএসইর পরিচালক সালমা নাসরীন এবং প্যানেল আলোচক হিসেবে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান, বিএমবিএ’র সভাপতি ছায়েদুর রহমান, ডিবিএ’র সভাপতি রিচার্ড ডি রোজারিও ও সিএমজেএফ’র সভাপতি জিয়াউর রহমান উপস্থিত ছিলেন। 

অনুষ্ঠানটির সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলে ডিএসই পরিচালক শাকিল রিজভী। আর পরিচালনা করেন ডিএসই’র ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. শফিকুর রহমান।

ইউনুসুর রহমান বলেন, ডিএসই এখন পেপারবিহীন হওয়ার ফলে ধারাবাহিকভাবে কাগজে চিঠিপত্র চালাচালি বন্ধ হয়ে যাবে। এরইমধ্যে ডিএসইর কিছু বিভাগে এর বাস্তবায়ন শুরু হয়ে গেছে, যা ধীরে ধীরে সকল স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে শুরু করবে ডিএসই।

ডিএসই’র চেয়ারম্যান বলেন, ডিএসইতে আসার আগে শুনতাম এখানে শতভাগ অটোমেটেড সিস্টেম। কিন্তু পরে দেখলাম বাস্তবে তা নেই। তবে অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের নেতৃত্বাধীন কমিশন শেয়ারবাজারকে ডিজিটালাইজেশন করার জন্য অনেক কাজ করেছে। যার ফলে বিগত এক বছরে শেয়ারবাজারে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। তবে সার্বিকভাবে শেয়ারবাজার নিয়ে গর্ব করার জায়গায় নেই। এখনো অনেক দূরে পড়ে রয়েছে শেয়ারবাজার।

অনুষ্ঠানে ডিএসইর এমডি তারিক আমিন ভূঁইয়া বলেন, নিজস্ব ব্যবস্থাপনার পরেও বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ হ্যাকিংয়ের ঘটনার পরে নিরাপত্তার বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। তবে আমরা ক্লাউড ভিত্তিক তথ্য আদান-প্রদান করলেও হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি কম। জমাকৃত তথ্য হ্যাকিং হওয়ার সুযোগ নেই। তবে তথ্য আদান-প্রদানের সময় ঝুঁকি আছে।

অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচকরা বলেন, ডিএসইর এই পেপারবিহীন হওয়ার ফলে স্টেকহোল্ডারসহ সংশ্লিষ্ট সবার সময় ব্যয় কমে আসবে। এছাড়া স্টেকহোল্ডারসহ ডিএসইর আর্থিক ব্যয় কমে আসবে ও কাগজপত্র সংরক্ষণের জটিলতা কমবে। তবে অনলাইনে যেহেতু চিঠিপত্র আদান-প্রদান করা হবে, সেক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ বিএসইসির সঙ্গে ডিএসইর এবং ডিএসইর সঙ্গে অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদান করা হয়। যার গোপনীয়তা খুবই জরুরি।

ঢাকা/এনটি/এনএইচ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়