Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     শনিবার   ১৬ অক্টোবর ২০২১ ||  কার্তিক ১ ১৪২৮ ||  ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

‘মধু দের ভাস্কর্যের কান ভাঙার প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা’

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:৫৬, ৩ ডিসেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৯:২৭, ৩ ডিসেম্বর ২০২০
‘মধু দের ভাস্কর্যের কান ভাঙার প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনে থাকা ‘মধুসূদন দে স্মৃতি ভাস্কর্যের একটি কান ভেঙে গেছে। তবে এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত না ভুলবশত হয়েছে- তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ নিয়ে ভিন্ন কিছু তৈরি না করতে সবার প্রতি অনুরোধ জানান প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী। 

বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) প্রক্টর বলেন, মধু দার ভাস্কর্যের কান ভেঙে গেছে। পরে সেটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। ক্যান্টিনের কর্মচারীরাই সেটি পুন:স্থাপন করেছে। আমরা খোঁজ নিচ্ছি। যদি কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত করে থাকে উপযুক্ত প্রমাণ স্বাপেক্ষে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও মধুর ক্যানটিনের কর্মচারী সূত্রে জানা যায়, মধুদার ভাস্কর্যের অংশবিশেষ ভাঙার বিষয়টি নজরে আসার পর প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানীকে জানানো হয়। পরে ক্যানটিনের কর্মচারীরাই নতুন কান প্রতিস্থাপন করেছেন।

মধুসূদন দে, যিনি ‘মধুদা’ নামে পরিচিত। ছিলেন মধুর ক্যানটিনের প্রতিষ্ঠাতা। মধুদা সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে সোচ্চার ছিলেন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল থেকে তুলে নিয়ে তাকে হত্যা করে।  মধুদার স্মৃতির স্মরণে তার নামেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের সামনে অবস্থিত রেস্তোরাঁটির নামকরণ করা হয় ‘মধুর ক্যানটিন’।

মধুসূদন দে স্মৃতি ভাস্কর্যটি মধুর ক্যানটিনের সামনে থাকা গোলঘরের জানালার ঠিক পাশে অবস্থিত। তবে শুরুতে ভাস্কর্যটি ক্যানটিনের একটি দরজার সামনে স্থাপন করা হয়েছিল। ১৯৯৫ সালের ১৮ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য এমাজউদ্দিন আহমদ ভাস্কর্যটির প্রথম উদ্বোধন করেন। বর্তমান অবস্থানে ভাস্কর্যটির পুনর্নির্মাণের পর ২০০১ সালে এটির উদ্বোধন করেন তৎকালীন উপাচার্য এ কে আজাদ চৌধুরী।  ভাস্কর্যটির ভাস্কর তৌফিক হোসেন খান।

ইয়ামিন/সাইফ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ