Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

করোনা সুরক্ষা সামগ্রীর অব্যবস্থাপনা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি: পবা

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:৩৫, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৬:০৫, ৬ মার্চ ২০২১
করোনা সুরক্ষা সামগ্রীর অব্যবস্থাপনা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি: পবা

করোনা মহামারিতে ব্যবহৃত সুরক্ষা সামগ্রী যত্রতত্র ফেলা এবং সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে বলে মন্তব্য করেছে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)।

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুআরি) জাতীয় প্রেসক্লাবে পবা কর্তৃক করোনা মহামারিতে নিউ নরমাল সময়ের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক নাগরিক সংলাপে এ কথা বলা হয়।

এ সময় পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি আবু নাসের খান বলেন করোনা দুর্যোগ মানুষের জীবন ও জীবিকাকে লণ্ডভণ্ড করে ফেলেছে।  নাক মুখ বন্ধ করা এই করোনাভাইরাস রোগ আমাদের জন্যে একটি নতুন পৃথিবী ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করার আভাস দিয়েছে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে শুধুমাত্র বাংলাদেশেই ৮ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে।  এ সময়ে মানুষ করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত থাকার জন্য মাস্কের পাশাপাশি গ্লাভস, হেড কভার, সু-কাভার, গগলস পিপিই, ফেইসশিল্ড বা গাউনসহ নানা রকম সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করছে।

কিন্তু সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে তখনি যখন এসব সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহারের পর যেখানে সেখানে ফেলে দিচ্ছে।  এতে করে এসব সুরক্ষা সামগ্রী বৃষ্টির পানিতে ধুঁয়ে অথবা অন্যকোনো উপায়ে চলে যাচ্ছে ড্রেনে, ড্রেন থেকে নদী ও সাগরের তলদেশে গিয়ে নষ্ট করছে জীব বৈচিত্র্য ও পরিবেশ।

করোনা সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহারের পর রাস্তাঘাটে ফেলে দেওয়ার ফলে বাড়ছে দূষণ, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকিও।  এছাড়া কিছু হাসপাতাল, ক্লিনিকের বর্জ্য যুক্ত হচ্ছে এই দূষণে।

এ সময় তিনি করোনা সুরক্ষা সামগ্রী যেখানে সেখানে ফেলে রাখার ক্ষতিকর দিক নিয়ে কথা বলেন।

পবার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আব্দুস সোবহান উন্নত বিশ্বের উদাহরণ টেনে বলেন বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের হাসপাতালের বর্জ্য হয় নিরাপদে ইনসিনারেট (বৈজ্ঞানিক উপায়ে পোড়ানো)  হয় অথবা অটোক্লেভ করে ফেলে দেওয়া হয়।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশ কোনটাই পুরোপুরিভাবে পালন করছে না এক্ষেত্রে নগরবাসী পক্ষ থেকে কিছু দাবি তুলে ধরেন।

এ সময় বারসিক সমন্বয়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন,  করোনা মহামারি আমাদের জীবনকে বিপন্ন করে দিচ্ছে। এ সময় আমরা যদি করোনা সুরক্ষা সামগ্রী যেখানে সেখানে ফেলে পরিবেশে দূষণ করি, তাহলে করোনা থেকে বেঁচে গেলেও পরিবেশে দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডা. বিলকিস বেগম চৌধুরী (সহযোগী অধ্যাপক কুমুদিনী হাসপাতাল)।

মনির/হাসান/সাইফ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে