ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ০৪ জুন ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ২১ ১৪৩৩ || ১৮ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

লেবাননে ইসরায়েলের হামলা চললে ‘ব্যাপক জবাব’ দেবে ইয়েমেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৪:৪৫, ২ জুন ২০২৬   আপডেট: ১৪:৫০, ২ জুন ২০২৬
লেবাননে ইসরায়েলের হামলা চললে ‘ব্যাপক জবাব’ দেবে ইয়েমেন

হুতির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-ফারাহ

লেবাননে মোতায়েন করা ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর যেকোনো সময় বড় ধরনের হামলার হুুঁশিয়ারি দিয়েছে ইয়েমেনের প্রতিরোধ আন্দোলন আনসারুল্লাহ (হুতি)। এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে এই হামলা চালানো হবে- ইসরায়েল যতক্ষণ না লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করছে, ততক্ষণ তারা চরম ঝুঁকির মধ্যে থাকবে।

সোমবার (১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে হুতির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-ফারাহ এই হুুঁশিয়ারি দেন।

আরো পড়ুন:

মঙ্গলবার (২ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি। 

এক্স-পোস্টে আল-ফারাহ বলেন, “ইসরায়েলি শত্রুদের স্পষ্ট অনুধাবন করা উচিত যে, লেবাননে যেকোনো ধরনের যুদ্ধবিরতি বা চুক্তি লঙ্ঘনের উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। পিছু না হটা পর্যন্ত দেশটির দক্ষিণে মোতায়েন করা ইসরায়েলি সৈন্যরা প্রতিদিন মৃত্যুর ঝুঁকিতে থাকবে।”

তিনি সতর্ক করে আরো বলেন, “ইসরায়েলের যেকোনো ধরনের উস্কানি বা সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একটি বড় এবং ‘ব্যাপক জবাব’ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো গণহত্যার প্রতিবাদে এবং ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে ইসরায়েলে পাল্টা আঘাত হানে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। এর জবাবে ইসরায়েল লেবাননকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। গাজা ও লেবাননের যুদ্ধপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ইয়েমেনের হুতিরাও লোহিত সাগরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুগুলোতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে।

গতকাল সোমবার (১ জুন) চলমান যুদ্ধবিরতি অমান্য করে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দাহিয়েহ পাড়ায় নতুন করে বিমান হামলার ঘোষণা দিয়েছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তবে পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইসরায়েলি প্রশাসন তাদের পূর্বপরিকল্পিত সামরিক হামলা থেকে পিছিয়ে এসেছে।

লেবাননের রাজধানীর বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো আগ্রাসন সহ্য করা হবে না- ইরানের এমন সতর্কবার্তা দেওয়ার পরই ট্রাম্পের এই ঘোষণা আসে।

ইরান লেবাননসহ এই অঞ্চলের সব ফ্রন্টে আগ্রাসন বন্ধের দাবি জানিয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ এপ্রিলের মধ্যে ইরানের ওপর ওয়াশিংটনের উস্কানিমূলক হামলার কারণে সৃষ্ট যুদ্ধের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারকের অন্যতম শর্ত হিসেবে এই আগ্রাসন বন্ধের বিষয়টি উল্লেখ করেছে তেহরান।

ঢাকা/ফিরোজ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়