Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

পৃতান আখ্যান

কামরুস সালাম সংসদ || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৩:৫১, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৫   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
পৃতান আখ্যান

অলংকরণ : অপূর্ব খন্দকার

 

 

 

 

 

 

 

 

 




|| কামরুস সালাম সংসদ ||

আদি হতে আজ অবধি পৃথিবীর সন্তান তুমি
জন্ম নিয়েছো প্রতিনিয়ত মানবশিশু রূপেই,অথচ
মানুষের পরিচয় কখনো জোটে নি তোমার।
পুরাণের নীলকণ্ঠশ্বর যেমন শুষে নেয় বিষ
তুমি গায়ে মাখো সমাজের বিষাক্ত পুঁজ,আজন্ম বিষাদে।
 
যত নামেই ডাকি তোমায় সব খানেই অবজ্ঞা অস্তিত্বের।
এ সমাজ ততবার হয়ে ওঠে কুলাঙ্গার পিতার মত
আপন অন্যায় মুছে দেওয়ার চেষ্টায়
যে অস্বীকার করে যায় আপন সন্তান!
তবুও ধরনীমাতা এতটুকু দ্বিধাগ্রস্থ নয় তোমার প্রসবে।
চেতনার বীর্যধারীদের মুখে তুমি শোভা পাও কাকের ন্যায়
যার অস্তিত্ব অস্বীকার করা যায় না লোক দেখানো পাখিপ্রেমিক হিসেবে
অথচ উচ্ছিষ্ট ব্যতীত অন্য কিছুই তোমার জন্য সুপারিশযোগ্য নয়।
 
লিঙ্গ পরিচয়ে তুমি অন্যের দ্বারস্থ অস্তিত্বের অপরাধে
শব্দরাজিতে তোমার খোঁজ মেলে বঞ্চনা আর অচ্ছুৎ ভ্রুকুটিতে
হিজড়া অকুয়া জেনানা অথবা বৃহন্নলা
পরিচয় পর্ব শেষে অপমানিত শব্দরা স্তব্ধ হয়ে যায় সৃষ্টির বেদনায়।
তোমার জন্য রাষ্ট্র অথবা সংঘ
দর্শন অর্থনীতি সমাজনীতি ও বিজ্ঞান
অথবা সাধের সংস্কৃতি আর স্বপ্নের সাম্যবাদ
কোথাও দেখি না এতটুকু ভিন্ন ইতিহাসের আখ্যান!
সর্বত্রই একক ও অপরিবর্তনীয় তুমি মিথ্যা ঈশ্বরের মতন।
 
পুঁজির মালিকের চেয়ে যে বেশ্যার দালাল উত্তম
সে তো জেনেছি বহুকাল আগেই,অথচ
উদ্বৃত্ত শ্রমের মূল্য নিয়ে নিত্য হাহাকার যে ঘরে
সেখানেও কী ভীষণ নীরবতা তোমাকে নিয়ে।
অস্পৃশ্য তোমার কোথাও আছে কী শ্রমের অধিকার?
 
অথর্ব আমি এইসব দেখে চিনি সীমাবদ্ধতার সূত্র
বুঝি,দ্রোহে আর বিপ্লবের তুমিও অংশীদার।
একদিন তুমিও জেগে উঠবে ফুজিয়ামার মত,পাবে অংশীদারিত্ব
সম্মানের শিল্প-সাহিত্য-সমাজচেতনায়,নিশ্চিত একদিন;আপাতত
মুছে যাক গ্লানির পরিচয়,সীমারেখা টানা শত শব্দময় অভিধান
পৃথিবীর সন্তান তুমি,তাই নাম দিলাম ‘পৃতান’।



মূলত কবি। গীতিধর্মী কবিতার পাশাপাশি প্রবন্ধ লিখেন এবং প্রকাশনা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। জন্ম ও বেড়ে ওঠা পুরান ঢাকার গোপীবাগে।




রাইজিংবিডি/ঢাকা/২২ সেপ্টেম্বর ২০১৫/তাপস রায়

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে