Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৯ শা'বান ১৪৪২

ভবন তদারকির পর্যাপ্ত জনবল  নেই: গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব 

সচিবালয় প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২০:৫০, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১  
ভবন তদারকির পর্যাপ্ত জনবল  নেই: গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব 

ভবন তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর প্রয়োজনীয় জনবল নেই বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার। 

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর প্রেস ইনস্টিটিউটে ‘পরিকল্পিত আবাসন’ বিষয়ক রিপোটিং প্রশিক্ষণে তিনি এ কথা জানান। 

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব বলেন, নিয়ম অনুযায়ী রাজধানী এলাকার ভবনের নকশা অনুমোদন দেয় রাজউক। সে নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ করছে কি না সেটা তদারকি করার দায়িত্ব রাজউকের। কিন্তু এত বড় এলাকায় তদারকি করার মতো প্রয়োজনীয় জনবল নেই সংস্থাটির।
তিনি বলেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি আইন মানার জন্য সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে। কারণ নকশা পাস করে একরকম, আর ভবন নির্মাণ করে অন্যরকম। যদি মানুষ সচেতন হয়, তাহলে নির্মাণকারীরা অবৈধভাবে ভবন তৈরি করতে পারবে না। 

শহীদ উল্লা খন্দকার বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তর বিভিন্ন ভবন নির্মাণ করছে। পরিকল্পিত ভবন নির্মাণে পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি, প্রকৌশলীসহ সব ধরনের যন্ত্রপাতি রয়েছে সংস্থাটির। তবে সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ভবন নির্মাণ করলেও তাদের এ ধরনের জনবল নেই। পরিকল্পিত ও টেকসই নির্মাণ নিশ্চিত করতে সেসব প্রতিষ্ঠানকেও সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। তাহলে আন্তঃসংস্থাগুলোর মধ্যে এ ধরনের প্রতিযোগিতা হবে। 

তিনি বলেন, ঢাকা শহর দিন দিন বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। ঢাকায় যেভাবে ভবন গড়ে উঠছে ভবিষ্যৎ প্রজেক্টের জন্য সুন্দর নগরী রেখে যাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। তবে বাসযোগ্য নগর গড়তে সরকারি সংস্থাসহ রিহ্যাব, নাগরিক, সাংবাদিকসহ সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। 

রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সভাপতি আলমগীর সামছুল আলামিন বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে মেগাপ্রকল্প নেওয়া হয়েছে। কিন্তু, তদারকি না করার কারণে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের কিছুদিন পর নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। হাতিরঝিলের মতো প্রজেক্ট তদারকির অভাবে নষ্ট হয়েছে। পানির দুর্গন্ধের কারণে হাতিরঝিলের পাশ দিয়ে চলা দায় হয়ে দাঁড়ায়। সরকারের উচিত বড় প্রকল্প নেওয়ার পাশাপাশি সঠিক তদারকির ব্যবস্থা করা। 

প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদের সভাপতিত্বে 
আলোচনায় অংশ নেন, রিহ্যাবের ভাইস-প্রেসিডেন্ট কামাল মাহমুদ, নগর উন্নয় সাংবাদিক ফোরাম, বাংলাদেশের সভাপতি মতিন আব্দুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক সোহেল মামুন। 

 

ঢাকা/আসাদ/এসএন 

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে