ঢাকা     সোমবার   ২৩ মে ২০২২ ||  জ্যৈষ্ঠ ৯ ১৪২৯ ||  ২১ শাওয়াল ১৪৪৩

এনআইডিতে কিছু ভুল রয়ে গেছে: আইনমন্ত্রী

সংসদ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২০:০৬, ২৭ জানুয়ারি ২০২২  
এনআইডিতে কিছু ভুল রয়ে গেছে: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘প্রয়োজনীয় সংখ্যক দক্ষ টেকনিক্যাল জনবল না থাকা এবং সময়স্বল্পতার কারণে জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) কিছু ভুল-ভ্রান্তি রয়ে গেছে। এর অধিকাংশই বানানজনিত ভুল।’

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারীর প্রশ্নের জবাবে তিনি এ বলেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৭-০৮ সালে নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে এবং সশস্ত্র বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের সার্বিক সহযোগিতায় জাতীয়ভাবে ভোটার ডাটাবেজ গড়ে তোলা হয়। বিভিন্ন পর্যায়ে জাতীয় তথ্যভাণ্ডারে পরিলক্ষিত ভুলগুলোর বিষয়ে আইন ও বিধি অনুসারে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হলেও বিভিন্ন কারণে অনেকেই যথাসময়ে সে সুযোগ গ্রহণ করেননি। বর্তমানে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির ক্ষেত্রে দেশের নাগরিকরা সচেতন হওয়ায় ভুলের পরিমাণ তুলনামূলক কম।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘২০১২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির ক্ষেত্রে ভোটারের নিবন্ধন ফরম কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এতে দেখা গেছে, এনআইডি সঠিকভাবেই মুদ্রিত হয়েছে। অপরদিকে, সংশোধনের জন্য প্রাপ্ত আবেদনের অধিকাংশই সংশোধনের চাহিদা অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত নয়। এসব আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে যথাযথ প্রমাণপত্র দলিলাদি দাখিলসহ ক্ষেত্রবিশেষ তদন্ত/পুনঃতদন্তের প্রয়োজন পড়ে। এসব আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি সময় লাগে।’

মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচন কর্মকর্তাদের এ সেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে অত্যাধুনিক অনলাইন কার্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালু করা হয়েছে (www.services.nidw.gov.bd)। পাশাপাশি অফলাইন ব্যবস্থাও চালু আছে। এসব তথ্য উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেছেন, ‘অনলাইন ব্যবস্থা চালুর ফলে আবেদনকারী ঘরে বসেই তার এনআইডি কার্ড সংশোধনের আবেদন করতে সক্ষম হচ্ছেন এবং আবেদন কোন পর্যায়ে রয়েছে সেটিও ট্র্যাকিং করতে পারছেন। এনআইডি সংশোধনের আবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর সংশোধিত কার্ডটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করা যাচ্ছে। আবেদনকারী স্বশরীরে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে গেলেও আবেদন গ্রহণ করা হয়ে থাকে।’

আসাদ/রফিক

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়