ঢাকা     শনিবার   ০২ মার্চ ২০২৪ ||  ফাল্গুন ১৮ ১৪৩০

ডিএনসিসি-ডেট্রয়েট সিটি সম‌ঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

জ্যেষ্ঠ প্রতি‌বেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৩:০২, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩  
ডিএনসিসি-ডেট্রয়েট সিটি সম‌ঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

ঢাকা উত্তর সিটি কর‌পোরেশন ও যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের ডেট্রয়েট সিটির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। 

এর ফলে দুই সিটির মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হবে। ঢাকা উত্তর সিটি কর‌পোরেশনকে যে কোনো ধর‌নের সহযোগিতা করবে ডেট্রয়েট সিটি। অন্যদিকে, বাংলাদেশেরও ভা‌লো কার্যক্রমগুলো শেয়ার করতে পারবে ঢাকা উত্তর সিটি কর‌পোরেশন।

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় দুপুরে ডেট্রয়েট সিটি ভবনে ঢাকা উত্তর সিটি কর‌পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম ও ডেট্রয়েট সিটির মেয়র মাইকেল ই দুগান ডিএনসিসির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের ডেট্রয়েট নগরীর সিস্টার সিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ডেট্রয়েট সিটির ডেপুটি মেয়র টোডা এ ব্যাটিসন, ঢাকা উত্তর সিটি কর‌পোরেশনের সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, বাংলাদেশ আমেরিকান পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান এহসান তাকবীম, স্যোসাল অ্যাফেয়ার্স কাউসার খান প্রমুখ।

চুক্তির আওতায় নগরের পরিচ্ছন্নতা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, ড্রেনেজসহ নগর উন্নয়নের সবগুলো সেক্টরে সহায়তা করবে ডেট্রয়েট। এর মাধ্যমে ঢাকা যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে বলে মনে করেন ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। 

এই চুক্তি আধুনিক ঢাকা গড়তে সহায়তা করার পাশাপাশি শুধু ডেট্রয়েটই নয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করেন ‌ডিএন‌সি‌সি মেয়র। শিগগিরই ডেট্রয়েডের মেয়র বাংলাদেশ সফরে আসবেন বলেও জানান মেয়র মো. আ‌তিকুল ইসলাম।

মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ইতিহাস সৃষ্টি হলো। যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট সিটি এবং বাংলাদেশের ডিএনসিসির সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলো। এটি একটি যুগান্তকারী দিন। এতে প্রমাণিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক রয়েছে।

মেয়র বলেন, ডেট্রয়েট মেনুফ্যাকচারিং সিটি। ঢাকাও ম্যানুফ্যাকচারিং সিটি। কাজেই এই চুক্তি আমাদের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে। সিস্টার সিটি চুক্তির অর্থ হলো তাদের ভালো দিকগুলো আমাদের দিতে চায়। আবার আমরা আমাদের ভালো দিকগুলো তাদের দেবো। আমাদের ভালো দিক হিসেবে র‌য়েছে, অধিক জনঘনত্বের শহরকে পরিচালিত করা। তারা এ ব্যাপা‌রে আমা‌দের কাছ থেকে শিখ‌তে চায়। কারণ, ডেট্রয়েট সিটির জনঘনত্বও দিন দিন বাড়ছে, যা তাদের চিন্তার কারণ।

ডিএনসিসি মেয়র আরও বলেন, ডেট্রয়েট সিটির মেয়র জানিয়েছেন এক সময় তাদেরও ক্যানেলগুলোর খারাপ অবস্থা ছিলো। তাদের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় অনেক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে। আমরা কিভাবে তাদের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে কাজে লাগাতে পারি সে বিষয়ে কথা হয়েছে। ডেট্রয়েট সিটির মেয়র কথা দিয়েছেন তিনি ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ আসবেন। তার আগে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সময় সময় কথা হবে। প্রয়োজনে তাদের বিশেষজ্ঞ দিয়ে আমাদের সহায়তা করবেন।

মেয়া/টিপু

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়