ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||  ফাল্গুন ১৬ ১৪৩০

আপিল শুনানি চলছে, দুপুর পর্যন্ত ৩৬ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৪:৫৪, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩  
আপিল শুনানি চলছে, দুপুর পর্যন্ত ৩৬ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

নির্বাচন কমিশন ভবনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলের শুনানি চলছে। দুপুর পর্যন্ত ৩৬ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে কমিশন।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে এই কার্যক্রম শুরু হয়। আপিল শুনানি কার্যক্রমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ অন্য নির্বাচন কমিশনার ও কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।

প্রার্থিতা ফিরে পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের বিকল্প ধারা বাংলাদেশের মাহি বি চৌধুরী, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নাসিরুল ইসলাম খান, টাঙ্গাইল-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার, গোপালগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ কবির মিয়া, জামালপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক জিয়া, যশোর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম হাবিবুর রহমান, নোয়াখালী-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী তালেবুজ্জামান, চট্টগ্রাম-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল আবদুচ সালাম, চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, ফরিদপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান ও একই আসনের আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদা বেগম, খুলনা-৪ আসনে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী শেখ হাবিবুর রহমান, চট্টগ্রাম-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহজাহান, মেহেরপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোখলেসুর রহমান, রংপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিশ্বনাথ সরকার ও একই আসনের বিএসপির প্রার্থী মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন, বরগুনা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী খলিলুর রহমান প্রমুখ।

এছাড়া আপিল নামঞ্জুর করা হয়েছে টাঙ্গাইল-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার আহসান হাবীব, জামালপুর-২ আসনের জাকের পার্টির প্রার্থী আব্দুল হালিম মন্ডল, নেত্রকোনা-১ আসনের জাকের পার্টির প্রার্থী ছমীর উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইমরান, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহানা তাহমিনা, ময়মনসিংহ-১০ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আবুল হোসেন এবং খুলনা-৬ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধুর।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মোতাবেক আপিলের শুনানি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার বা তার মনোনীত প্রতিনিধি, আপিলকারী এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের মনোনীত প্রতিনিধিদের কাগজপত্র ও নথিসহ আপিল শুনানিতে অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে।

গতকাল শনিবার (৯ ডিসেম্বর) প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র নিয়ে রিটার্নি কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করার সময়সীমা শেষ হয়। পাঁচ দিনে নির্বাচন কমিশনে ৫৬১টি আপিল জমা পড়েছে।

এ নির্বাচনে অংশ নিতে সারা দেশের ৭৪৭ স্বতন্ত্রসহ মোট ২ হাজার ৭১৬ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তারা এক হাজার ৯৮৫টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭৩১টি বাতিল ঘোষণা করেন। মনোনয়নপত্র বাতিলের হার ২৬ দশমিক ৯২ শতাংশ। আর বৈধ মনোনয়নপত্রের হার ৭৩ দশমিক শূন্য আট শতাংশ।

ইসির তথ্যমতে, দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ও বাতিল চেয়ে প্রথম দিন ৪২ জন, দ্বিতীয় দিন ১৪১ জন, তৃতীয় দিন ১৫৫ জন, চতুর্থ দিন ৯৩ জন এবং পঞ্চম দিনে ১৩০ জন আপিল করেছেন।

এদিকে, দেশের দুই মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, একজন জেলা প্রশাসক এবং পাঁচজন পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়া তিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও জেলার বাইরে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইসির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ইসির দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বরিশাল ও সিলেটের মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক এবং হবিগঞ্জ, পিরোজপুর, নোয়াখালী, সাতক্ষীরা ও মেহেরপুরের পুলিশ সুপারকে তাঁদের নিজ নিজ কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের স্থানে অভিজ্ঞ ও যোগ্য কর্মকর্তাদের পদায়নের প্রস্তাব নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জননিরাপত্তা বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবদের চিঠি দিয়েছে ইসি।

/হাসান/এসবি/

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়