ঢাকা     শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২ ||  আষাঢ় ১৭ ১৪২৯ ||  ০১ জিলহজ ১৪৪৩

মুমিনুল-লিটনে বাংলাদেশের সোনালি দিন

ইয়াসিন হাসান || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৪:০৯, ৩ জানুয়ারি ২০২২   আপডেট: ১২:০৬, ৩ জানুয়ারি ২০২২
মুমিনুল-লিটনে বাংলাদেশের সোনালি দিন

স্কোর: বাংলাদেশ ৪০১/৬ (ওভার ১৫৬) ব্যাটিং: মিরাজ ২০, ইয়াসির ১১।

লিড: ৭৩ রান

নিউ জিল্যান্ড: ৩২৮/১০ (প্রথম ইনিংস)

সেঞ্চুরি হাতছাড়ার আক্ষেপ নাকি প্রতিরোধের গল্প কোনটা বেশি আকর্ষণীয় হতে পারে? নিশ্চয়ই প্রতিরোধের গল্প। সেখানে লেটার মার্কস পেয়ে পাশ করলেন মুমিনুল ও লিটন। কিন্তু দুজনই সেঞ্চুরি হাতছাড়া করে যে আক্ষেপ তৈরি করলেন তা দূর করবেন কী করে?

মুমিনুল হক ও লিটন কুমার দাসের ব্যাটিং দৃঢ়তায় মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ আরেকটি সোনালি দিন পার করল বে ওভালে। হাতে ৪ উইকেট রেখে ৭৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শেষ করেছে অতিথিরা। স্বাগতিকদের করা ৩২৮ রানের জবাবে বাংলাদেশের স্কোর ৬ উইকেটে ৪০১। 

দিনের প্রথম সেশনটা ছিল নিউ জিল্যান্ডের। স্বাগতিকদের আঁটসাঁট ব্যাটিংয়ে রীতিমতো রান তুলতে সংগ্রাম করতে হয় বাংলাদেশকে। সঙ্গে জয় ও মুশফিকের উইকেট হারানোর ধাক্কাও সামলাতে হয়। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনের শুরু থেকে চিত্রনাট্য বদল। এ সময়টায় পাল্টা আক্রমণ করে রান উৎসব করল বাংলাদেশ। তাতে চোখে চোখ রেখে কড়া জবাব দেন মুমিনুল ও লিটন। শেষ সেশনেও একই ধারাবাহিকতা।  

লিটনের নান্দনিক ব্যাটিংয়ের সঙ্গে মুমিনুলের দায়িত্বশীল ইনিংস। দুয়ের মিশেলে বাংলাদেশ লিড পেয়ে যায় অতি সহজেই। দুজনের রান এগিয়ে যায় সেঞ্চুরির দিকে। কিন্তু দুজনই আউট আশির ঘরে। বোল্টের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে মুমিনুল আউট ৮৮ রানে। তাতে ভাঙে মুমিনুল ও লিটনের পঞ্চম উইকেটে ১৫৮ রানের জুটি। সঙ্গী হারানোর পর লিটনও সাজঘরে। বাজে শটে বোল্টকে উইকেট উপহার দেন ৮৬ রানে। 

দুজনের সেঞ্চুরি মিস দিনের আক্ষেপ হয়ে থাকল। তবে মিরাজ ও ইয়াসিরের প্রতিরোধে স্বস্তি নিয়ে সোনলি দিন শেষ করে বাংলাদেশ। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের টেস্ট সুখস্মৃতি খুব একটা নেই। আজকের দিনটি প্রতিপক্ষের মাটিতে সেরা দিনগুলোর একটিই হয়ে থাকছে।

মুমিনুল-লিটনের দেয়াল ভাঙলেন বোল্ট

অসাধারণ এক জুটিতে নিউ জিল্যান্ডের বোলিংয়ের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মুমিনুল হক ও লিটন দাশ। তাদের চোয়ালবদ্ধ ব্যাটিং, দৃঢ়চেতা মনোভাব ও আত্মবিশ্বাসে নূন্যতম চিড় ধরাতে পারেনি কিউই পেস চতুষ্টয়। বাংলাদেশকে লিড এনে দেওয়ার পাশাপাশি স্কোরবোর্ড এগিয়ে নিচ্ছিলেন তারা।

দীর্ঘ অপেক্ষার পর এই দেয়াল ভাঙলেন ট্রেন্ট বোল্ট। প্রথমে মুমিনুলকে, পরে লিটনকে আউট করেন সময়ের অন্যতম সেরা পেসার। বাঁহাতি পেসারের ভেতরে ঢোকানো বলে ব্যাট নিতে পারেননি মুমিনুল। সেঞ্চুরি থেকে ১২ রান দূরে থাকতে টেস্ট অধিনায়ক এলবিডব্লিউ হন। রিভিউ নিয়েছিলেন। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। অসাধারণ ইনিংসের শেষ হয় সেখানেই। 

পঞ্চম উইকেটে ৩১৭ বলে ১৫৮ রানের জুটি গড়েন মুমিনুল ও লিটন। ক্যারিয়ারের সবচেয়ে ধীর গতির ইনিংস খেলে মুমিনুল ফেরেন সাজঘরে। ২৪৪ বলে সাজান ৮৮ রানের ইনিংসটি। যেখানে বাউন্ডারি মেরেছেন মাত্র ১২টি। সঙ্গী হারানোর দুই ওভার পর লিটনও একই পথ ধরেন। বোল্টের বেরিয়ে যাওয়া বল কাট করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ৮৬ রানে। ১৭৭ বলে ১০ বাউন্ডারিতে চোখ ধাঁধানো ইনিংসটি সাজিয়েছিলেন তিনি। 

দুই ব্যাটসম্যানেরই সেঞ্চুরি প্রাপ্য ছিল। কিন্তু কেউই তিন অঙ্কের দেখা পেলেন না। নিশ্চয়ই এই আফসোসে পুড়ছেন দুজনই।  

এশিয়ার বাইরে প্রথমবার লিড পেল বাংলাদেশ

লিটন ও মুমিনুলের দৃঢ়তায় প্রথম ইনিংসে লিড পেল বাংলাদেশ। নিউ জিল্যান্ডের করা ৩২৮ রান ছাড়িয়ে গেল অতিথিরা। এশিয়ার বাইরে প্রথমবার প্রথম ইনিংসে পরে ব্যাটিং করে লিড পেল বাংলাদেশ। মুমিনুলের চোয়ালবদ্ধ ব্যাটিং ও লিটনের ধ্রুপদী ইনিংসে অতি সহজেই বাংলাদেশ লিড গেল। এবার শুধু এগিয়ে যাওয়ার পালা। 

মুমিনুল-লিটনের ব্যাটে লিড নেওয়ার পথে বাংলাদেশ

অসাধারণ ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ লিড নেওয়ার পথে। মুমিনুল হক ও লিটন দাশের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের দলীয় রান তিনশ পেরিয়েছে। এরই মধ্যে দুজনের রান ফিফটি ছুঁয়েছে। জুটির রানও তিন অঙ্ক ছুঁয়েছে।

প্রথম সেশনে স্বাগতিক বোলাররা দাপট দেখালেও দ্বিতীয় সেশন পুরোটাই বাংলাদেশের। নিখুঁত ব্যাটিংয়ে মুমিনুল ও লিটন দলের স্কোরবোর্ড সচল রেখেছেন। কিউইদের কোনো সুযোগই দেননি তারা। সকালের মন্থর ব্যাটিংয়ের চিত্র পাল্টে এ সেশনে রান উৎসব হয়েছে। প্রথম সেশনে ২৬ ওভারে মাত্র ৪৫ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। এই সেশনে একই ওভারে বাংলাদেশ কোনো উইকেট না হারিয়ে তুলেছে ৮৭ রান। পাল্টা জবাবে টেস্টের নাটাই এখন বাংলাদেশের হাতে।

মুমিনুল টেস্ট ক্রিকেটের ১৫তম ফিফটি পেয়েছেন। নিউ জিল্যান্ডের মাটিতে এটি তার দ্বিতীয় ফিফটি। এর আগে ২০১৭ সালে ওয়েলিংটনে ৬৪ রান করেছিলেন। অন্যদিকে লিটনের এটি নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ফিফটি। ডানহাতি ব্যাটসম্যানের এটি ১১তম টেস্ট ফিফটি। 

২১ রান পিছিয়ে থেকে বাংলাদেশ চা-বিরতিতে গেছে। নতুন বলে দুজন ব্যাটসম্যান যেভাবে ব্যাটিং করেছেন তা নিশ্চয়ই প্রশংসার প্রাপ্য। 

নিউ জিল্যান্ডের আঁটসাঁট বোলিং, রান পেতে বাংলাদেশের সংগ্রাম

তৃতীয় দিনের সকালের সেশন নিউ জিল্যান্ডের নামেই লিখা হলো। আঁটসাঁট বোলিংয়ে অতিথি ব্যাটসম্যানদের কঠিন পরীক্ষা নিলেন ওয়াগনার, বোল্ট, সাউদি, জেমিনসন। বাংলাদেশ রান পেতে কঠিন সংগ্রাম করলো। এই সেশনে ২৬ ওভার খেলা হয়। মাত্র ৪৫ রান তুলেছে বাংলাদেশ। রান রেট ১.৭৩। হারিয়েছে জয় ও মুশফিকের উইকেট। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের স্কোর ৪ উইকেটে ২২০। এখনও ১০৮ রানে পিছিয়ে অতিথিরা।  

৭০ রানে দিন শুরু করা জয় ৮ রান যোগ করে ওয়াগনারের বলে আউট হন। আগের দিনের আরেক অপরাজিত ব্যাটসম্যান মুমিনুল টিকে থাকতে কঠিন লড়াই করেন। প্রথম রান নিতে খেলেন ২৯ বল! এরপর ১ রানের ব্যবধানে দুবার জীবন পান। প্রথমে তার ফিরতি ক্যাচ ছাড়েন জেমিনসন। এরপর নো বলে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান। মুশফিকও কঠিন সংগ্রাম করেছেন। তাতে লাভ হয়নি। থিতু হয়ে বোল্টকে উইকেট উপহার দিয়ে ফেরেন সাজঘরে।

মুমিনুল ৯৮ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত আছেন। তার সঙ্গী লিটনের ব্যাট থেকে এসেছে ১৭ বলে ১২ রান। তাদের ব্যাটে তাকিয়ে বাংলাদেশ। 

উইকেট উপহার দিলেন মুশফিক

রান তুলতে সংগ্রাম করছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু উইকেটে থিতু হয়ে গিয়েছিলেন ঠিকই। মনে হচ্ছিল, কিউই পেসারদের সামলে ভালো কিছুই উপহার দেবেন তিনি। কিন্তু ট্রেন্ট বোল্টের সোজা বলে যেভাবে মনোযোগ হারালেন মুশফিক তাতে তাকে কাঠগড়ায় দাড় করানো উচিত।

বল ভেতরে ঢোকাতে রাউন্ড দ্য উইকেট থেকে বোলিং করছিলেন বোল্ট। নিজের পরিকল্পনাতে সফল বাঁহাতি পেসার। স্টাম্পের ওপর  ফুলার লেন্থ বলের সঙ্গে হাল্কা সুইং। তাতে বল মিস করে বোল্ড মুশফিক। আগে থেকেই চিন্তা করে রেখেছিলেন বল ফ্লিক করবেন। তাতে নিজের বিপদ ডেকে আনেন ৫৩ বলে ১২ রান করা মুশফিক। তার আউটে বাংলাদেশ হারাল চতুর্থ উইকেট। নতুন ব্যাটসম্যান লিটন দাস। 

পুরোনো বলে আগুনে বোলিং ওয়াগনারের

সকালের এক স্পেলে বাংলাদেশের ব্যাটিং নাড়িয়ে দিলেন পেসার নেইল ওয়াগনার। আগের রাতের ব্যাটসম্যান জয়কে দিনের শুরুতেই আউট করার পর নিয়ন্ত্রিত লাইন ও লেন্থে বোলিং করে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের কঠিন পরীক্ষা নেন বাঁহাতি পেসার। পুরোনো বলে তার ধারাবাহিকতা ছিল চোখে পড়ার মতো। ৭ ওভার বোলিং করেছেন। ২ মেডেনে ১৩ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট। উইকেট পেতে পারতেন আরো একটি। মুমিনুল হককে দারুণ ইনসুইঙ্গারে উইকেটের পেছনে তালুবন্দি করিয়েছিলেনও। কিন্তু বলটা নো হওয়ায় উইকেট বঞ্চিত হন আগুনে বোলিং করা ওয়াগনার। 

এবার নো বলে বাঁচলেন মুমিনুল

৮ রানে পেসার জেমিনসন মুমিনুলের ফিরতি ক্যাচ ছাড়েন। ৯ রানে ওয়াগনারের ইনসুইঙ্গারে মুমিনুল উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছিলেন। টম ব্লান্ডেল ক্যাচ লুফে নেন অতি সহজেই। আম্পায়ারও আউট দেন। কিন্তু টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, বলটা নো ছিল! নিশ্চিত আউট হয়েও মুমিনুল আরেকটি জীবন পেলেন। এবার কি ইনিংসটি বড় করতে পারবেন টেস্ট অধিনায়ক?

১ রানের জন্য মুমিনুলের ২৯ বল!

৮ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিলেন মুমিনুল হক। ব্যক্তিগত খাতায় ১ রান যোগ করতে টেস্ট অধিনায়কের লাগল ২৯ বল! জমাট ব্যাটিংয়ে অসীম ধৈর্য দেখিয়েছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। স্পিনার রাচিন রাবীন্দ্রর বল পুল করে রানের খাতা খোলেন মুমিনুল। 

সকাল থেকে মুমিনুল একপ্রান্তে সামলেছেন পেসার জেমিনসনকে।  ডানহাতি পেসারকে আটকে রাখেন তিনি। টানা ৪ ওভার মেডেন খেলেন। এছাড়া নেইল ওয়াগনারকে ১ ও রাচিনকে ৩ বল খেলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। রাচিনকে খেলা ৪ নম্বর বলেই তার ব্যাট থেকে আসে দিনের প্রথম রান।

মুমিনুলের ফিরতি ক্যাচ ছাড়লেন জেমিনসন

ধারাবাহিক বোলিংয়ে সুযোগ তৈরি করলেন জেমিনসন। মুমিনুলকে ফেরানোর জন্য বল অফস্টাম্পের বাইরে পিচ করিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই ফাঁদে পা বাড়ালেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। কভার ড্রাইভ করতে গিয়ে ফিরতি ক্যাচ তোলেন। বিগ ম্যান জেমিনসন ডানহাত বাড়িয়ে বল নাগালেও পেয়ে যান। কিন্তু তার হাতের মুঠোয় বল জমেনি। ৮ রানে মুমিনুলকে জীবন দেন জেমিনসন। 

জয়কে থামালেন ওয়াগনার

অনিয়ন্ত্রিত শটে প্রতিশ্রুতিশীল ইনিংসের সমাপ্তি টানলেন মাহমুদুল হাসান জয়। দ্বিতীয় দিনের ৭০ রানের সঙ্গে যোগ করলেন আরো ৮ রান। শুরুটা ভালো ছিল। সিঙ্গেল, ডাবলসে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ভুল শটে শেষ তার ইনিংস। 

অফস্টাম্পের বাইরের বলে তার দূর্বলতা স্পষ্ট ছিল। তৃতীয় দিনের শুরু থেকে সেখানেই আক্রমণ চালাচ্ছিলেন নেইল ওয়াগনার ও জেমিনসন। দিনের দ্বিতীয় ওভারে জেমিনসন তাকে দুবার বিটও করেছিলেন। কিন্তু তৃতীয় ওভারে ওয়াগনারের বলে সুযোগ পাননি। 

অফস্টাম্পের অনেক বাইরের বল কাট করতে গিয়েছিলেন। শরীর বলের পজিশনে গেলেও শট ছিল অনিয়ন্ত্রিত। টাইমিংয়ে গড়বড় হয়েছে। ফলে গালিতে ক্যাচ যায় অতি সহজেই। নিকোলস সেই ক্যাচ নিয়ে ওয়াগনারকে তৃতীয় উইকেটের স্বাদ দেন। ২২৮ বলে ৭৮ রানে বিদায় নেন জয়। 

আরেকটি সুন্দর দিনের অপেক্ষায় বাংলাদেশ

মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টের প্রথম দুদিন ভালো সময় কেটেছে বাংলাদেশের। ম্যাচের বর্তমান যা পরিস্থিতি তাতে এগিয়ে আছে বাংলাদেশই। নিউ জিল্যান্ডকে ৩২৮ রানে আটকে বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিল ১৫৩ রানে পিছিয়ে থেকে। হাতে এখনো ৮ উইকেট।

২ উইকেটে ১৭৫ রানে সোমবার তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করেছেন মুমিনুল হক ও মাহমুদুল হাসান জয়। ৭০ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলা জয়ের সেঞ্চুরির হাতছানি। মুমিনুলের নামের পাশে রান ৮। দুজনের ব্যাটে ভালো শুরু পেলে বাংলাদেশ অনেক দূর যাবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। 

সাকিবের চাওয়া পূরণ করতে পারবে বাংলাদেশ?

এক টুইট বার্তায় টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের প্রশংসা করেছেন সাকিব আল হাসান। জানিয়েছেন প্রথম ইনিংসে ৪০০-৫০০ রান হতে পারে লড়াকু সংগ্রহ। সাকিব লিখেছেন, ‘টপ অর্ডারের তিনজন ব্যাটসম্যানের দৃঢ়তা ড্রেসিং রুমে যথেষ্ট ধৈর্য্য ও আত্মবিশ্বাস এনে দিয়েছে। এখন এটাকে পুঁজি করে এগিয়ে যাওয়া দরকার। দলীয় সংগ্রহে ৪৫০-৫০০ রান হতে পারে লড়াকু সংগ্রহ।’

ঢাকা/ইয়াসিন

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়