ঢাকা     শুক্রবার   ৩১ মে ২০২৪ ||  জ্যৈষ্ঠ ১৭ ১৪৩১

বোলারদের কষ্টের দাম দেওয়ার ডাক হেম্পের

ক্রীড়া প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম থেকে: || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:০৯, ৩১ মার্চ ২০২৪   আপডেট: ২১:১৬, ৩১ মার্চ ২০২৪
বোলারদের কষ্টের দাম দেওয়ার ডাক হেম্পের

টেস্ট ম্যাচ জিততে হলে প্রতিপক্ষের ২০ উইকেট নিতেই হবে। নয়তো ম্যাচের ভাগ্য পাল্টে যায়। ব্যাটসম্যানদের পাশাপাশি বোলারদের দায়িত্বটাও তাই সমান্তরালে চলে। বোলাররা বল হাতে পেলে সেই চেষ্টা চালিয়ে যান। সুযোগ তৈরি করেন। কিন্তু সেই সুযোগ যদি কাজে লাগাতে না পারেন ফিল্ডাররা তাহলে বোলারদের কষ্টটাই বৃথা যায়। চট্টগ্রাম টেস্টে এমন কিছুই হলো বাংলাদেশের বোলারদের সঙ্গে। যেখানে তাদের তৈরির আটটি সুযোগ হাতছাড়া করেছেন ফিল্ডাররা।

শনিবার শ্রীলঙ্কার ৪ ব্যাটসম্যানের উইকেট হাতছাড়া করেছেন ফিল্ডাররা। আজ রোববার দ্বিতীয় দিনে আরো ৪ ক্যাচ ছেড়েছেন। উইকেটের পেছনে ৮টির ৬টি মিস হয়েছে। এর বাইরে আরো ২টি। বোলারদের কষ্টে তৈরি করা এসব সুযোগ লুফে নেওয়ার আহ্বান দলের ব্যাটিং কোচ ডেভিড হেম্পের। চট্টগ্রামের উইকেট ছিল ব্যাটিং সহায়ক। এমন উইকেটে একটি সুযোগ তৈরির জন্য কতো কাঠখড়ই না পোড়াতে হয় বোলারদের।

তাদের জন্য কঠোর পরিশ্রমের কথা ভেবেও এই সকল ক্যাচ লুফে নেওয়া উচিত বলে মনে করেন বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং কোচ ডেভিড হেম্প, ‘আমি অস্বীকার করবো না। এটা প্রতিনিয়তই হচ্ছে। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। কেউ আসলে ইচ্ছাকৃতভাবে ক্যাচ ছাড়ে না। বোলাররা সুযোগ তৈরি করছে। সেগুলো কাজে লাগানো প্রত্যেকের দায়িত্ব।’

স্লিপে অবিশ্বাস্য ক্যাচ ছেড়েছেন জয়, দিপু, শান্ত, জাকিরা। স্লিপের ফিল্ডারদের থেকে প্রত্যাশা বেশি থাকে দাবি করে হেম্প বলেছেন, ‘স্লিপ ফিল্ডারদের কাজটা কঠিন। তাদের থেকে প্রত্যাশাও থাকে বেশি। প্রতিটি বল তাদের কাছে যেতে পারেনি। আপনার মনোযোগ যদি স্থির না থাকলে তাহলে কঠিন হয়ে যাবে। আপনি অনুশীলনে যত পরিশ্রম করবেন মাঠে আপনার সুযোগগুলো ততই হাতের মুঠোয় আসবে।’

পেসার খালেদের বলে প্রবাত জয়াসুরিয়া ক্যাচ দেন স্লিপে। সেই ক্যাচ স্লিপে দাঁড়িয়ে তিনজন ছেড়েছেন। যা ছিল রীতিমত অবিশ্বাস্য। প্রথমে নাজমুল হোসেন শান্ত সেই বল হাতে জমাতে পারেননি। ছুটে যাওয়া বল লাফিয়ে যায় শাহাদাত হোসেনের কাছে। তার হাতেও বল জমেনি। সেখান থেকে বল যায় তৃতীয় স্লিপে দাঁড়ানো জাকির হাসানের কাছে। অবিশ্বাস্য হলেও তিনিও ক্যাচ নিতে পারেননি। তিন জন মিলে এক ক্যাচ মিস।

হেম্পও অবাক এমন ক্যাচ নিতে না পেরে, ‘আমি মনে করি দিপুর ওই ক্যাচটা নেওয়ার সর্বাত্মক সুযোগ রয়েছে। তারা প্রত্যেকেই শর্ট লেগে ফিল্ডিং করে তাই তাদের সুযোগটি বেশি ছিল। আমি মনে করি যখন সুযোগটি তৈরি হয়েছিল। তাদের সুযোগটি লুফে নেওযার দরকার ছিল। কিন্তু তারা পারেনি। আমরা সব সময় এসব দেখি না।’

চট্টগ্রাম/ইয়াসিন/বিজয়

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়