ঢাকা, সোমবার, ৯ আশ্বিন ১৪২৫, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

ফল প্রত্যাখ্যান, সিইসির পদত্যাগ দাবি

রেজা পারভেজ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৮-০৫-১৬ ২:৩৮:৩৪ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৫-১৮ ১২:১৩:২৯ পিএম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) পদত্যাগ দাবি করেছে বিএনপি।

নির্বাচনের পরদিন বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসে এই দাবি তোলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশনের সদিচ্ছা নেই, সামর্থ্য নেই আর যোগ্যতাও নেই। ভোট ডাকাতি, ভোট সন্ত্রাস, জাল ভোট, ভোটকেন্দ্র দখল, অবৈধ অস্ত্রের আস্ফালন ছাড়া আওয়ামী লীগের বিজয় নিশানে হাওয়া লাগে না।

‘আমি দলের পক্ষ থেকে গতকালের খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখান করছি এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করছি।’

খুলনায় ভোট নিরস্ত্র ভোটারদের ওপর অবৈধ সরকারের অবৈধ ক্ষমতা প্রদর্শন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রিজভী বলেন, খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে ধানের শীষের ভোটার ও সমর্থকরা যেভাবে নিগৃহীত হয়েছেন, তা কোনো সুস্থ নির্বাচন পদ্ধতি হতে পারে না। ভোটের দিন নৌকার প্রার্থীর লোকজনদের ছিল সীমাহীন আধিপত্য ও বেপরোয়া চলাফেরা। গ্রুপে গ্রুপে বিভক্ত হয়ে তারা লাইন ধরে বিভিন্ন কেন্দ্রে জালভোট দিয়েছে। 

‘অনেক কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসাররা’ আওয়ামী ঝটিকা বাহিনীকে একচেটিয়া ‘ভোট কাষ্টিং’ এ সহায়তা করে। তারা কয়েক মিনিটের মধ্যে ব্যালট পেপারের বান্ডিলে সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তি করে’ অভিযোগ বিএনপির এই নেতার।

নির্বাচন সুষ্ঠ হয়েছে বলে ইসি কর্মকর্তাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, কেন্দ্র দখল করে লাইন ধরে জাল ভোটের উৎসব চলে সেরকম নির্বাচনকে তো চমৎকার বলবেনই নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন বলেছে যে, ভোটারদের উপস্থিতি ছিল ৬৫ শতাংশের ওপরে। কিন্তু মূলত সেখানে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৩০ শতাংশেরও কম।

খালেদা জিয়া অসুস্থ : খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা ক্রমাগত অবনতিশীল জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, তার হাঁটুতে অস্ত্রপচার থাকার কারণে কারাগারে বিনা চিকিৎসায় হাঁটুর ব্যথা এখন আরো তীব্র হয়েছে। বাম হাতের ব্যথায় তিনি ভীষণ কষ্ট পাচ্ছেন। সার্ভাইক্যাল স্পনডাইলোসিসের কারণে হাত-পা নড়াতে তার ভীষণ কষ্ট হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিএনপি নেত্রীর চোখে অস্ত্রপচার হওয়ায় এখন চিকিৎসার অভাবে চোখ সবসময় লাল থাকছে। সরকারের নিয়োগকৃত চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। তাকে দেওয়া হয়নি অর্থপেডিক বেড, করা হয়নি নিয়মিত ফিজিওথেরাপির ব্যবস্থা এবং উন্নত মানের এমআরআই দিয়ে পরীক্ষা করা। প্রতিরাতে তিনি জ্বরে ভুগছেন।

খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে বন্দী রাখা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য অশুভ, অমানবিক ও ব্যক্তির মানবাধিকারের প্রতি চরম অবজ্ঞা। মূলত চিকিৎসা দিতে অগ্রাহ্যের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় বেগম জিয়া সরকার প্রধানের হিংসার সম্মুখীন। চিকিৎসা নিয়ে সরকারের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উদাসীনতা ও উপেক্ষায় খালেদা জিয়ার কোনরূপ ক্ষতি হলে সরকার কোনভাবেই রেহাই পাবে না।




রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৬ মে ২০১৮/রেজা/ইভা

Walton Laptop
 
     
Walton