ঢাকা     রোববার   ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||  ফাল্গুন ১২ ১৪৩০

‘আমার নিঃসঙ্গতা, অপূর্ণতা, অপ্রাপ্তি চেষ্টা করেছি শিল্পে রূপান্তরিত করার’

শিহাব শাহরিয়ার || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:১৪, ২৪ মে ২০২৩   আপডেট: ১৭:৩৭, ৫ জুন ২০২৩
‘আমার নিঃসঙ্গতা, অপূর্ণতা, অপ্রাপ্তি চেষ্টা করেছি শিল্পে রূপান্তরিত করার’

‘যে জলে আগুন জ্বলে’ লিখে সমকালীন বাংলা কবিতায় যিনি কাব্যঅধিকার স্থাপন করেছেন তিনি হেলাল হাফিজ। তার নিজস্ব কাব্য ভাষা পাঠকমন ছুঁয়েছে। শুধু পাঠক নন, খুব কম লিখেও তিনি বাংলা কবিতায় একটি মাইলফলক তৈরি করেছেন। পেশায় সাংবাদিক হলেও তিনি মূলত কবি। কবিঅর্থে তার পদবাচ্যে যে কবিতা যে কবি, তিনি পুরোটাই কবি। কবি হেলাল হাফিজের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কবি শিহাব শাহরিয়ার। আজ প্রকাশিত হলো সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় পর্ব।

রাইজিংবিডি: আপনার মাত্র দুটি কবিতার বই। ‘যে জ্বলে আগুন জ্বলে’ ১৯৮৬ সালে বেরিয়েছে, আরেকটা ২০১৯ সালে। অর্থাৎ ২৩ বছর পর। এতো কম লিখে কীভাবে আপনি পাঠকপ্রিয়তা পেলেন?  

হেলাল হাফিজ: আমি চেষ্টা করেছি মানুষের অন্তর্গত যে আবেগ, সেটা সুখের হোক, দুঃখের হোক, সেটা আমি এমন পঙ্ক্তি লিখতে চেয়েছি যা খুব সহজে মানুষের মনে এবং মগজে ঢুকে যাবে। আমি চেষ্টা করেছি প্রচলিত ছন্দের যথেষ্ট ব্যবহার করতে। ছন্দ কবিতার জন্য যে খুব জরুরি তা নয়, ছন্দ ছাড়াও খুব ভালো কবিতা লেখা যায়; লেখা হয়েছে। কিন্তু ছন্দ অন্তরে গেঁথে যাওয়ার জন্য এটা খুবই প্রয়োজন। তো এরকম নজির তো বিশ্বসাহিত্যে রয়েছে। 

রাইজিংবিডি: দেশে বা দেশের বাইরে এমন কেউ আছেন যার কাব্যসাহিত্য আপনাকে প্রভাবিত করেছে?

হেলাল হাফিজ: আমি যে একেবারে প্রভাবিত হইনি তা নয়; কিছু কিছু লেখা, কবিতা এবং কবির দ্বারা। আমার ধারণা সব লেখকই কোনো না কোনোভাবে প্রভাবিত। তো সজ্ঞানে প্রভাবিত হয়ে সেটাকে যদি আত্তস্থ করা যায় তাহলে তো আর প্রভাব থাকে না। এটা নিজস্ব হয়ে যায়। সেটা তেমন দোষেরও নয়। আমি শুরু থেকে চেষ্টা করেছি আমার নিজস্ব বাক্ভঙ্গি তৈরি করা; বাক্প্রতিমা। অনেক বই আছে, অনেক লেখালেখি করেছে কিন্তু নাম ঢেকে রেখে যদি কবিতাটা শুধু দেয়া হয়, কেউ বলতে পারবে না এটা কার কবিতা। কিন্তু জীবনানন্দ দাশ কিংবা আবুল হাসানের নাম ঢেকেও যদি কবিতাটা পড়া হয়, আমরা ধারণা কবিতা সম্পর্কে যার একটু ধারণা আছে সে বলতে পারবে এটা তাদের লেখা কবিতা। এই যে জিনিসটা তৈরি করা, স্বকীয়ভঙ্গি। এটা কিন্তু খুবই সাধারণ বিষয়। 

রাইজিংবিডি: অর্থাৎ আপনি যে নিজস্ব স্বর তৈরি করতে চেয়েছিলেন সেখানে আপনি উত্তীর্ণ। কিন্তু আপনার সতীর্থ যারা আছেন তাদের কবিতার সঙ্গে আপনার কবিতার কতটুকু পার্থক্য খুঁজে পান? 

হেলাল হাফিজ: পার্থক্য তো নির্ধারণ হয়ে গেছে পাঠকদ্বারা। আমার বলার কিছু নাই। পাঠক দ্বারা এটা নির্ণীত বিষয়। আমাদের এখানে কিন্তু ষাট দশক খুব উজ্জ্বল। সংখ্যায়ও এখানে অনেক কবি ষাট দশকের। তো ষাট দশকে আমার মতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কবি আবুল হাসান। আবুল হাসান আমাদের সবার চেয়ে এগিয়ে আছে এটুকু বলতে পারি।  

রাইজিংবিডি: আপনার পেশাগত বিষয় নিয়ে কৌতূহল রয়ে গেছে। সাংবাদিক কেন হতে চেয়েছিলেন?

হেলাল হাফিজ: অনার্সে যখন ভর্তি হলাম তখন থেকেই আমার খুব আগ্রহ সাংবাদিকতার প্রতি। ৭১-এ যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। আমি আর অনার্স পরীক্ষা দিতে পারলাম না। ৭২-এ যুদ্ধ শেষ হলো, ইউনিভার্সিটিতে আবার গেলাম, হলে ঢুকলাম, পরীক্ষা দিলাম, আমার সাবসিডিয়ারি পরীক্ষা তখনও বাকি ছিল। ইকবলা হল ছিল সমস্ত ছাত্রনেতাদের মিলনকেন্দ্র- তোফায়েল আহমেদ, আ স ম আব্দুর রব, শাহজাহান সিরাজ, নূরে আলম সিদ্দিকী অর্থাৎ সমস্ত ছাত্রনেতাদের দখলে তখন ইকবাল হল। তখন পলিটিক্স দুই জায়গা থেকে নিয়ন্ত্রিত হতো, একটা হলো ৩২ নম্বর ধানমন্ডি, আরেকটা ইকবাল হল; পরে যেটা ‘জহুরুল হক’ হয়ে গেল। একদিন আ স ম আব্দুর রব আমাকে বললো, তুই একটা কিছু কর। মানে তখন কেউ অমুক ম্যানেজার হচ্ছে, কেউ অমুক ফার্মে চলে গেল, কেউ অমুক ইন্ডাস্ট্রি দখল করে নিলো- এগুলো হয়েছে কিন্তু। আমি বললাম, রব ভাই আমার তো কিছু দরকার নাই। আমি সাংবাদিকতা করবো। আপনি একটু ‘পূর্বদেশে’ বলে দেন। তখন এহতেশাম হায়দার চৌধুরী সম্পাদক। তো আমি ছাত্র মানুষ, হলে থাকি, আমাকে তো ফুলটাইম জব দেবে না। তারপরও হয়ে গেল আ স ম আব্দুর রবের কারণে। তখন বঙ্গবন্ধুর পরেই তারা; বিশেষ করে এই ৪ ছাত্রনেতা। যেদিন আমার ইন্টারভিউ হলো, কবি আব্দুল গনি হাজারিও ছিলেন বোর্ডে। তিনি তখন অবজারভার হাউজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর। তো ইন্টারভিউ বোর্ডে এডিটর হাজারি ভাইকে বললো, ও তো এখনো ছাত্র, ওকে কীভাবে চাকরি দেব? হাজারি ভাই বললো, যে ছেলে ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ কবিতা লিখেছে, ও ছাত্র নাকি ব্যবসায়ী দেখার দরকার নাই। তুমি জেনারেল ম্যানেজারকে এখনি অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার নিয়ে আসতে বলো। ওই মিটিংয়েই আমি অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার পেলাম।  

আসলে একটা কবিতা মানুষের জীবনকে পাল্টে দেয় কীভাবে আমি দেখেছি। একটি কবিতা রাতারাতি আমাকে শুধু তারকাই করলো না, আমার জীবনটাও পাল্টে দিলো। এটা আমি না হয়ে অন্য কারো ক্ষেত্রেও হতে পারতো।

রাইজিংবিডি: আপনি সর্বশেষ ‘যুগান্তরে’ ছিলেন।

হেলাল হাফিজ: আমি ফুলটাইম কাজ করেছি ৩টি কাগজে। ‘পূর্বদেশ’ একটা। ৭৪ সালে পত্রিকাটা বন্ধ হয়ে গেল। বাকশাল হলো। তখন আমাকে সরকার চাকরি দিল ইনফরমেশন মিনিস্ট্রিতে। কিন্তু যেহেতু আমি সরকারি চাকরি করবো না, আমি বললাম, আমার চাকরির দরকার নাই। একটা কথা না বললেই নয়, তখন সরকার অনেক পত্রিকা বন্ধ করেছিল ঠিকই। কিন্তু তাদের বিভিন্ন জায়গায় কাজের ব্যবস্থা করেছিল। আমি না করে দেয়ার পর সরকারের আর আমাকে নিয়ে দায়িত্ব থাকলো না। তারা আমার ব্যবস্থা করেছিল। 

এরপর ১৯৭৯ সালে ‘দৈনিক দেশ’-এ তখন এডিটর সানাউল্লাহ নূরী ভাই। ‘দৈনিক বাংলা’ থেকে এসে তিনি ‘দৈনিক দেশ’র এডিটর হলেন। আমাকে বললেন সাহিত্য সম্পাদক হতে। সেখানে কাজ করলাম প্রায় ১০-১১ বছর। ১৯৯০ সালে এরশাদ ক্ষমতায়। তিনি কিন্তু কয়েকবার ‘দৈনিক দেশ’ বন্ধ করে দিয়েছে। তো ৯০ সালে যখন বন্ধ করলো এরপর আর পত্রিকাটি প্রকাশ হয় নাই। আবার বেকার হলাম। এবার প্রায় ১০-১২ বছর বেকার থাকলাম। ‘যুগান্তরে’ এবিএম মুসা এডিটর হলেন। তখন তার সঙ্গে ৭-৮ বছর কাজ করলাম। তারপর একটু বয়সও হয়েছে। শরীর আর কুলায় না। ফলে যুগান্তর ছাড়ার পর আর কাজ করিনি। 

রাইজিংবিডি: ব্যক্তিজীবনে আসি। একাকী জীবন পার করে দিলেন। ‘সংসার বৈরাগী’ও অনেকে বলে আপনাকে। আপনি চিরকুমার রয়ে গেলেন। এটাকে কী বলবেন?

হেলাল হাফিজ: এটা নানা কারণে হয়েছে। মানে অন্যপক্ষের যে মানুষ- মানবীর যে খুব অভাব ছিল তা না, কিন্তু ওই নানা কারণে ব্যাটে-বলে হয়নি। এবং এখন তো মনে হয় একদিক থেকে ভালোই হয়েছে। মানে ওই নিঃসঙ্গতা হয়তো আমার কবি জীবনের জন্য প্রয়োজন ছিল। আমার তো মনে হয় এটি সহায়তাই করেছে; পজিটিভ অর্থে আমি নিয়েছি। 

রাইজিংবিডি: কিন্তু অনেকেই তো আপনাকে পছন্দ করে, আমরা শুনেছি...

হেলাল হাফিজ: করে। সবাই যে আমাকে করে এমন নাও হতে পারে, হয়তো আমার কবিতা ভালোবাসে। মানে এটা একটু দ্বন্দ্ব হয়েছিল আমার জীবনে একাধিকবার। মেয়েটি হয়তো আমার কবিতা ভালোবেসেছে। এ কারণে আমার কাছে এসেছে। আমি বুঝেছি আমাকেই ভালোবাসে। আসলে আমাকে না, ও কবিতাকে ভালোবেসেছে।  
আবার উল্টোটাও হয়েছে, সত্যি সত্যি আমাকেই ভালোবেসেছে। ওই যে আগে ঘা খেয়েছি, তখন মনে হয়েছে, এ তো আমাকে ভালোবাসে না, আমার কবিতাকে ভালোবাসে। এসব নানা জটিলতায় আর হয়ে ওঠেনি।  

রাইজিংবিডি: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কবিতার একটি চরিত্র- নীরা। সুনীলদাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, নীরা আসলে কে? তিনি বলেছিলেন ‘দিয়ে দাও নারী’। আপনার একটা কবিতায় ‘তনা’ আছে। তনা দুই মাত্রায় করবো নাকি আট মাত্রায় করবো এমন একটা রসিকতা আছে।

হেলাল হাফিজ: ‘তনা’ কবিতাটা...। ভালোবেসেই নাম দিয়েছি তনা, মন না দিলে, ছোবল দিও তুলে বিষের ফণা- এই তিন পঙ্ক্তির। এটাও বেশ জনপ্রিয় কবিতা। 

রাইজিংবিডি: ‘বেদনাকে বলেছি কেঁদো না’, আমরা ধরে নিলাম এটা প্রেমের কবিতার বই। অনুকাব্য বেশি। পাঠক খানিকটা বিভ্রান্ত হবে কি না? দ্রোহ থেকে প্রেম।ডাইমেনশটা একেবারেই পরিবর্তন হয়ে গেল! 

হেলাল হাফিজ: ‘বেদনাকে বলেছি কেঁদো না’ বইয়ে আমি যে দর্শন এস্টাবলিশড করতে চেয়েছি, সেটি হলো শুধু উচ্চকণ্ঠের কবিতাই দ্রোহের কবিতা না, একটি মিষ্টি প্রেমের কবিতা বিরহের কবিতা মানুষকে সৎ পথে নিয়ে আসতে পারে। এই দর্শনটা প্রতিষ্ঠিত করার জন্যই এই বইয়ের সবগুলো কবিতাই প্রেম, বিরহ, বিচ্ছেদ নিয়ে।  

রাইজিংবিডি: আমরা কী এখানে একটা প্রশ্ন করতে পারি যে- নজরুলের মতো যে বিদ্রোহী এবং প্রেমচেতনা, তাঁর ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় যেমন বলেছেন ‘মম এক হাতে-বাঁকা বাঁশের বাঁশরী, আর হাতে রণ তূর্য্য’। আপনার চেতনায় ওরকম কিছু আছে কিনা?    

হেলাল হাফিজ: না, এটা তো প্রত্যক্ষভাবে আমাকে প্রভাবিত করেনি। কিন্তু ঘটনাচক্রে তো এটা প্রমাণিত হয়ে যাবেই যে, কিছুটা প্রভাব পড়েছে, পড়তেই পারে, এটা মোটেও দোষের নয়। আমার ‘যে জ্বলে আগুন জ্বলে’ বইয়ের প্রথম কবিতা শুরু হয়েছে ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ দিয়ে। আর এই বইয়ে আমার প্রথম কবিতা শুরু হয়েছে ‘ব্রহ্মপুত্রের মেয়ে’ দিয়ে: ‘এক জীবনের সব হাহাকার বুকে নিয়ে,/ অভিশাপ তোমাকে দিলাম,-/ তুমি সুখী হবে, খুব সুখী হবে।’ যে কবি অভিশাপ দিলো যে, তুমি সুখী হবে। তো এটা কী দ্রোহ না? এটাও দ্রোহ। এই ফিলোসফিটাই আমি তুলে ধরতে চেয়েছি আমার দ্বিতীয় বইয়ে। 

রাইজিংবিডি: যাপিত জীবন কেমন ছিল আপনার? আপনি কি আসলে সুখী না অসুখী? 

হেলাল হাফিজ: সুখ তো খুব আপেক্ষিক বিষয়। আমি আমার যাপিত জীবন নিয়ে কোনো অনুশোচনা বা অনুতাপ করি না। কিছু অপূর্ণতা না থাকলে শিল্পসাহিত্য হয় না। তবু আমি মনে করি আমার প্রাপ্তির পাল্লা অনেক ভারী। হ্যাঁ, অপূর্ণতা রয়েছে গেছে। যাপিত জীবনের অনেক কিছুই বাকি রয়ে গেল। এটা তো হতেই পারে, এটাকে স্বাভাবিকভাবে নেয়াই ভালো। আমি তাই নিয়েছি। আমার এই নিঃসঙ্গতা, আমার এই অপূর্ণতা, আমার এই অপ্রাপ্তি, এই সবকিছুকে আমি চেষ্টা করেছি শিল্পে রূপান্তরিত করার। 

রাইজিংবিডি: আপনি খুব কম লিখেছেন। এমনকি আপনার গদ্যও আমরা পাইনি। 

হেলাল হাফিজ: এর সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে আলস্য অসম্ভব রকম প্রিয় আমার। গদ্য লেখার যে পরিশ্রম এবং সময়; আমি কবিতাই তো কতো কম লিখলাম! এর মূল কারণ আলস্য।

রাইজিংবিডি: বাংলা কবিতা সম্পর্কে আপনার মন্তব্য জানতে চাচ্ছি। 

হেলাল হাফিজ: বাংলা কবিতা অনেক উঁচু মানের কিন্তু ভাষার কারণে এটা বিশ্বে ততটা প্রচারিত না। এটা বাংলা ভাষায় না লিখে ইংরেজি ভাষায় হলে কবিতাগুলোর চেহারা অন্যরকম হতো। সমাদৃত হতো বিশ্বে। এখানে ভাষাটা একটা বড় ব্যাপার। সেজন্য আমাদের উচিত আমাদের যারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বা শিল্পসাহিত্যের যারা তাদের অনুবাদে হাত দেয়া। এটা বাংলা একাডেমি করতে পারে বা আলাদা একটা একাডেমি হতে পারে অনুবাদ নিয়ে। ইংরেজিতে অনুবাদ হবে বাংলা সাহিত্যের এবং অন্যান্য সাহিত্যেরও বাংলায় অনুবাদ হোক। সেটা কবিতা হোক, উপন্যাস হোক, গল্প, প্রবন্ধ যাই হোক- একটা অনুবাদ একাডেমি হওয়া খুব জরুরি।    

রাইজিংবিডি: পুরস্কার একজন লেখককে আসলে কতটুকু উপরে নিয়ে যায়?

হেলাল হাফিজ: পুরস্কার পেলে ভালো লাগে। কিন্তু সাহিত্যের জন্য পুরস্কার জরুরি কোনো বিষয় না। এমনকি জনপ্রিয়তাও খুব জরুরি কোনো বিষয় না সাহিত্যে। এগুলো না হলেও লেখকদের তেমন কোনো অসুবিধা নেই।             

পড়ুন প্রথম পর্ব: আমার কবি হয়ে ওঠার পেছনে রয়েছে মাতৃহীনতার বেদনা: হেলাল হাফিজ 

 

তারা//

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়