RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     শুক্রবার   ৩০ অক্টোবর ২০২০ ||  কার্তিক ১৫ ১৪২৭ ||  ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী নৌরুটে মানুষের ভিড়

শেখ মোহাম্মদ রতন || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১২:২৯, ২৬ মার্চ ২০২০   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী নৌরুটে মানুষের ভিড়

দক্ষিণবঙ্গের ২১টি জেলার প্রবেশদ্বার মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী নৌরুটে ঘরফেরা যাত্রীদের ঢল।

দেশব্যাপী করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সতর্ক থাকলেও এ রুটে পারপারে প্রতিযোগিতায় লেগেছে হাজার হাজার মানুষ ।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী নৌ-রুটে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে করে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন আটকে পড়া যাত্রীরা। 

নৌ-রুটে বিআইডাব্লিউটিএ কর্তৃক লঞ্চ, সি-বোট বন্ধ করার পর এ ঘাটে আটকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী।  আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে শিমুলিয়া ফেরিঘাট  আদায় করছে অতিরিক্ত ভাড়া।  জন প্রতি ১০০ থেকে ৩০০ টাকা ভাড়া নিচ্ছে তাদের কাছ থেকে এবং এসব আটকে পড়া লোকজন ট্রলারে করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পদ্মা পার হচ্ছেন। 

সরেজমিনে শিমুলিয়া ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট ও সি-বোট ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, কাঠালবাড়ী ,মাঝিকান্দি ও মাছ ধরার অসংখ্য অবৈধ ট্রলারে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে পদ্মা নদী পার হচ্ছে।  এ সময় অবৈধ ট্রলার চালানোর অভিযোগে মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাড়ির সদস্যরা ৫ জনকে আটক করে।

উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাবিরুল ইসলাম খান বলেন, ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় ছিল ঈদের চেয়ে বেশি।  করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে তাদের  মাইকিং করে নিরাপদ দূরত্বে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।  অবৈধ ট্রলার বন্ধ করে দেওয়া হয়।  চালকসহ ৫ টি ট্রলার আটক করা হয়।

এদিকে, ঘাটে ফেরি চলাচল করলেও পারাপারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে ৫ শতাধিক যানবাহন। আর এসব যানবাহনের সারি শিমুলিয়া ঘাট থেকে কুমারভোগ পর্যন্ত পৌঁছেছে। এর মধ্যে প্রাইভেটকার, অ্যাম্বুলেন্স ও পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যাই বেশি।

আটকে পড়া কয়েকজন যাত্রী বলেন, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের বাসগুলো বন্ধ না করে শুধুমাত্র লঞ্চ, ফেরি ও সি-বোট বন্ধ করায় দুর্ভোগের মাত্রা বেড়েছে বহুগুন।  ঢাকা থেকে বাসগুলো আগে বন্ধ করে দিয়ে পরে ফেরি, লঞ্চ ও সি-বোট চলাচল বন্ধ করলে আর যাত্রীদের দুর্ভোগ হতো না।

এদিকে, ২৪ মার্চ দুপুরে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী নৌরুটে সব ধরনের ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে বিআইডাব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।  তবে যাত্রীর অতিরিক্ত চাপ থাকায় এ রুটে সব ধরনের ফেরি চলাচল অব্যাহত রয়েছে।  তবে যেকোনও মুহূর্তে বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বিআইডাব্লিউটিসি মাওয়া সহকারী  মহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম।

বিআইডাব্লিউটিএর (মাওয়া) পোর্ট অফিসার শাহআলম জানান, লঞ্চ ও স্পিড বোট বন্ধ রাখা হয়েছে।  পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।


মুন্সীগঞ্জ/রতন/সাইফ

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়