RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২১ ||  মাঘ ১৪ ১৪২৭ ||  ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

এমসি কলেজে ধর্ষণ: অভিযুক্তদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১২:৪৯, ৩০ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৩:০৬, ৩০ নভেম্বর ২০২০
এমসি কলেজে ধর্ষণ: অভিযুক্তদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে

সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ৮ আসামির ডিএনএ রিপোর্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে পৌঁছেছে। এতে অভিযুক্তদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে।

সোমবার (৩০ নভেম্বর) সকালে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিটি সার্ভিস) বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রায় দুই মাস পর রোববার (২৯ নভেম্বর) ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য।

এ রিপোর্ট পেতে বিলম্বের কারণেই এতদিনেও আলোচিত এ মামলার চার্জশিট দিতে পারেনি পুলিশ। অবশ্য রিপোর্ট হাতে আসায় দ্রুততম সময়ের মধ্যেই মামলার চার্জশিট দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অতিরিক্ত উপ-কমিশনার বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের জানান, ডিএনএ রিপোর্ট হাতে আসায় দ্রুততম সময়ের মধ্যেই মামলার চার্জশিট দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে, ডিএনএ নমুনার মধ্যে কতজনের নমুনার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে -এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানাতে পারেননি।

উল্লেখ‌্য, গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে বেড়াতে আসা দম্পতির স্বামীকে আটকে রেখে নববধূকে কয়েকজন যুবক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ঘটনায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ওই গৃহবধূর স্বামী।

আসামিরা হলেন— এমসি কলেজের সাইফুর রহমান, কলেজের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মাহবুবুর রহমান রণি, মাহফুজুর রহমান মাসুম, অর্জুন লস্কর, বহিরাগত রবিউল ইসলাম ও তারেক। এর বাইরে রাজন ও তার সহযোগী আইনুলকেও অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ আসামির সকলেই কারাগারে আছেন, তারা দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দিয়েছেন।

একই সঙ্গে গত ১ অক্টোবর ও ৩ অক্টোবর ২ দিনে এ মামলায়  গ্রেপ্তার ৮ জনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে নমুনা সংগ্রহের পর পাঠানো হয় ঢাকার ল্যাবে। সেখান থেকে নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট প্রথমে আদালতে এসে পৌঁছায়। পরবর্তীতে এ রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার হাতে আসে।

সিলেট/নোমান/বুলাকী

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়