ঢাকা     বুধবার   ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||  মাঘ ২৫ ১৪২৯

হত্যার সাক্ষ্য দিতে কক্সবাজার আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত লিয়াকত

কক্সবাজার প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:৫০, ১৭ জুলাই ২০২২  
হত্যার সাক্ষ্য দিতে কক্সবাজার আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত লিয়াকত

টেকনাফের বাহারছড়ার শামলাপুরের একটি হত্যা মামলার সাক্ষ্য দিতে মেজর সিনহা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে কক্সবাজার আদালতে হাজির করা হয়েছে। 

রোববার (১৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে তোলা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লিয়াকত আলীকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।  

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম। তিনি জানান, ২০১৯ সালের আগস্টে টেকনাফের বাহারছড়ার শামলাপুরের শীলখালীর আবদুর রহিমকে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় তার স্ত্রী খুরশিদা বেগম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন শামলাপুর পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলী। মামলার সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য তাকে আদালতে তোলা হয়। আদালতের বিচারক তার সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন। 

কক্সবাজার জেলা কারাগারের ডেপুটি জেলার মো. মনির হোসেন জানান, টেকনাফের একটি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে গত ১৫ জুলাই কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে তাকে কক্সবাজার কারাগারে আনা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাকে চট্টগ্রাম কারাগারে পাঠানো হয়। 

২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এপিবিএন তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ঘটনার পাঁচ দিন পর ৫ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশের নামে হত্যা মামলা করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস। 

ওই মামলায় গত ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রধান আসামি সাবেক পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাসকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই সঙ্গে ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। 
 

তারেকুর/বকুল 

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়