ঢাকা     শনিবার   ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||  মাঘ ২১ ১৪২৯

সংবিধান ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনাপ্রধান

রাজশাহী সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১২:১২, ৩০ নভেম্বর ২০২২   আপডেট: ১২:১৯, ৩০ নভেম্বর ২০২২
সংবিধান ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনাপ্রধান

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশের সংবিধান ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনা সদস্যদের সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন হচ্ছে। আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্যও সেনা সদস্যদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’

বুধবার (৩০ নভেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয়টি ইউনিটের রেজিমেন্টাল কালার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। 
বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের রাজশাহী সেনানিবাসে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সেনাপ্রধান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ আজ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ফোর্সেস গোল-২০৩০ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন হচ্ছে। আর তাই সবাইকে দেশপ্রেমে  উদ্বুদ্ধ থেকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।’

এর আগে সেনাপ্রধান ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত হলে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ৬৬ পদাতিক ডিভিশন ও রংপুর এরিয়া কমান্ডার  মেজর জেনারেল মো ফয়জুর রহমান তাকে অভ্যর্থনা জানান। এসময় একটি সম্মিলিত চৌকষ দল মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ প্রদর্শন এবং সেনাবাহিনী প্রধানকে সালাম প্রদান করে।

পরে বিশেষ অবদান এবং বিবিধ প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল কর্মকাণ্ডে সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ ইউনিট ও রেজিমেন্টকে রেজিমেন্টাল কালার প্রদান করা হয়। সেনাবাহিনীর ১১ এসপি রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ৩৭ এডি রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ১৯ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন, ২৫ বীর (সাপোর্ট ব্যাটালিয়ন), ২৯ বীর এবং ৩৪ বীর এই কালার প্যারেডে অংশগ্রহণ করে এবং প্রধান অতিথির কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিমেন্টাল পতাকা গ্রহণ করে।

এরপর সেনাপ্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারে বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনে যোগ দিয়ে কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। 

অনুষ্ঠানে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহম্মদ তাবরেজ শামস চৌধুরী, সেনাবাহিনীর এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. মোশফেকুর রহমান এবং ১১ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি এবং বগুড়া এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. খালেদ-আল-মামুনসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন পদবীর সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শিরিন সুলতানা/ মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়