ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ১৪ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ৩১ ১৪৩৩ || ২৬ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

‘বাহুবলীর’ দাম হাঁকা হচ্ছে ১০ লাখ টাকা 

এস এম শরিফুল ইসলাম, নড়াইল || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৩:৫৯, ১৪ মে ২০২৬   আপডেট: ১৪:০৪, ১৪ মে ২০২৬
‘বাহুবলীর’ দাম হাঁকা হচ্ছে ১০ লাখ টাকা 

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার খড়রিয়া গ্রামের রিয়া অ্যাগ্রো ফার্মে রয়েছে বাহুবলী নামের ষাঁড়টি।

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার খড়রিয়া গ্রামের রিয়া অ্যাগ্রো ফার্মে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে একটি ষাঁড়। প্রায় ২৮ মণ ওজন ও ৬ ফুট উচ্চতার সাদা কালো রঙের ষাঁড়টির নাম রাখা হয়েছে ‘বাহুবলী’। ফ্রিজিয়ান শাহীওয়াল জাতের চার বছর বয়সী ষাঁড়টির দাম হাঁকা হচ্ছে ১০ লাখ টাকা।

খামার সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে আলমডাঙ্গা থেকে ষাঁড়টি রিয়া অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক রিপন মিনা কিনে আনেন। ভালোবেসে নাম রাখেন ‘বাহুবলী’। 

আরো পড়ুন:

বুধবার (১৩ মে) বিকেলে কথা হলে ফার্মের মালিক রিপন মিনা বলেন, ‍“ঘাস, খৈল, ভূট্টার গুঁড়া ও চিটাগুড় খাইয়ে ধীরে ধীরে ষাঁড়টিকে বড় করা হয়েছে। কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করলে এবং অতিরিক্ত খাবার দিলে ষাঁড়টির ওজন আরো অনেক বেশি হতো। তাতে শরীরে চর্বি জমত এবং ষাঁড়টি ঝিমিয়ে পড়ত। পরিমিত প্রাকৃতিক খাবার দেওয়ার কারণেই বাহুবলী সুঠাম দেহের অধিকারী।”

তিনি বলেন, “ষাঁড়টি অনেক যত্নে লালন-পালন করেছি। বাড়ি থেকেই বিক্রি করতে চাই তাকে। আমরা খুব বেশি লাভের কথা ভাবছি না। সুলভ মূল্য হিসেবেই ষাঁড়টির দাম ১০ লাখ টাকা চাচ্ছি।”

ষাঁড়টির দেখা শোনার দায়িত্বে থাকা আহাদ মিয়া বলেন, “বাহুবলী খুবই শান্ত প্রকৃতির। ঘর থেকে বের করতে ১০ থেকে ১২ জন লোকের প্রয়োজন হয়। যখন বের করা হয় তখন তাকে দেখতে স্থানীয় লোকজন ভিড় জমায়।” 

তিনি বলেন, “বাহুবলীকে নিয়ম মেনে তিন বেলা খেতে দেওয়া হয়। খড়, কাঁচা ঘাস, ভূট্টা, চিড়াগুঁড়, খৈলসহ দেশীয় খাবার খাওয়ানো হয় তাকে। নিয়মিত শ্যাম্পু দিয়ে  গোসল করানো হয়।”

জেলা প্রাণীসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর কোরবানির জন্য মোট ৪৫ হাজার ৪৯৭টি গবাদি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে ষাঁড় ১৪ হাজার ৮৭৪টি, বলদ ৬ হাজার ৩৯টি, গাভী ৫ হাজার ১৪১টি, ছাগল ২৪ হাজার ৭৮৮ এবং ভেড়া ৫৫টি। জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৩৯ হাজার ৭৩৩টি। চাহিদার তুলনায় উদ্বৃত্ত থাকছে ৫ হাজার ৭৬৪টি পশু। যা জেলার চাহিদা পূরণ করে অন্য জেলায় বিক্রি করা হবে।

নড়াইল জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রাশেদুল হক বলেন, “খামারসহ গৃহস্থালি বাড়িতে যেসব গরু-ছাগল লালন-পালন করা হচ্ছে, প্রাণিসম্পদ বিভাগের লোকজন তা নিয়মিত মনিটরিং করে থাকেন। গবাদি পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাট গুলোতে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিমের সদস্যরা কাজ করবেন। কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে খামারিরা লাভবান হবেন এমনটি প্রত্যাশা করছি।”

ঢাকা/মাসুদ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়