ঢাকা     বুধবার   ২০ মে ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪৩৩ || ৩ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

গাংনীতে আবারো চিরকুট ও ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার, বাড়ছে আতঙ্ক 

মেহেরপুর সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১১:১১, ২০ মে ২০২৬  
গাংনীতে আবারো চিরকুট ও ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার, বাড়ছে আতঙ্ক 

বাড়ির গেটে রেখে যাওয়া চিরকুট ও ককটেল সদৃশ বস্তু।

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মটমুড়া ইউনিয়নের চরগোয়াল গ্রামের মো. আতিকুর রহমান হানিফের (৭০) বাড়ির প্রবেশপথ থেকে ককটেল সদৃশ বস্তু ও চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। ‎বুধবার (২০ মে) সকালে বস্তুগুলো উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

‎আতিকুর রহমান হানিফ একই গ্রামের মৃত রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে।

আরো পড়ুন:

আরো পড়ুন: গাংনীতে হত্যার হুমকিযুক্ত চিরকুট ও ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার

এলাকাবাসী জানান, ‎আজ ‎বুধবার সকালে আতিকুর রহমান হানিফের পরিবারের সদস্যরা বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় চিরকুট ও ককটেল সদৃশ বস্তু দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানান। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থানে পৌঁছে বস্তুগুলো উদ্ধার করে গাংনী থানায় নেয়। ধারণা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময় এসব বস্তু রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। চিরকুটে কি লেখা আছে তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানায়, গাংনীতে প্রায়ই এরকম ঘটনা ঘটছে। রবিবার (১৭ মে) রাতের কোনো এক সময় উপজেলার সাহারবাটি ইউনিয়নের জোড়পুকুরিয়া গ্রামের বাবলু হোসেনের বাড়ির প্রবেশপথে দোকানের সামনে ককটেল সদৃশ বস্তু ও চিরকুট রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টি করার জন্য এগুলো করে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। 

আতিকুর রহমান হানিফ বলেন, ‎“আমার বাড়ির সামনে ককটেল সাদৃশ্য বস্তু ও চিরকুট দেখে দ্রুত প্রশাসনকে জানাই। এই ঘটনায় আমি এবং আমার পরিবারের লোকজন আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি করছি।” 

মটমুড়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, চরগোয়াল গ্রামের আতিকুর রহমান হানিফের বাড়ির গেটের সামনে ককটেল সদৃশ বস্তু ও চিরকুট কে বা কারা রেখে যায়। প্রশাসন এসে এগুলো উদ্ধার করে নিয়ে গেছে। দুর্বৃত্তরা এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টি করার জন্য এগুলো করছে।

গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) উত্তম কুমার দাস বলেন, “লাল টেপ দিয়ে মোড়ানো একটি ককটেল সদৃশ্য বস্তু ও একটি চিরকুট উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।”

ঢাকা/ফারুক/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়