ঢাকা     বুধবার   ২০ মে ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪৩৩ || ৩ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

পাবনায় চাহিদার দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত, লাভের আশা খামারিদের

পাবনা প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:১২, ২০ মে ২০২৬   আপডেট: ০৯:১৬, ২০ মে ২০২৬
পাবনায় চাহিদার দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত, লাভের আশা খামারিদের

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার চৌবাড়িয়া হারোপাড়া গ্রামে জনতা ডেইরি ফার্মে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা কোরবানির গুরু।

শেষ সময়ে কোরবানির ঈদকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন পাবনার খামারিরা। প্রায় এক বছর ধরে দেশীয় খাবার ও প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজা করেছেন তারা। পশু বিক্রি করে এবার ভালো দাম পাওয়ার আশা তাদের। 

প্রাণীসম্পদ দপ্তর বলছে, এ বছর জেলায় চাহিদার দ্বিগুণ কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে। এবার ৩৩ হাজার খামারে কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৫৮৮টি। পশুর চাহিদা ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৫৭২টি। উদ্বৃত্ত পশু ৩ লাখ ১৭ হাজার ১৬টি।

আরো পড়ুন:

ঈদুল আজহার মূল আনন্দ পশু কোরবানি। খামারে পশুর যত্নে ব্যস্ত সময় কাটছে খামারিদের। এমন চিত্রের দেখা মেলে জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলার চৌবাড়িয়া হারোপাড়া গ্রামে।

এই গ্রামের জনতা ডেইরি খামারের চারজন মালিকের একজন আব্দুল আলিম। তিনি জানান, এক বছর ধরে দেশীয় পদ্ধতিতে ষাঁড় মোটাতাজা করছেন তারা। কাঁচা ঘাস, খৈল, ভুসি, লালি গুড়, ধানের গুড়াসহ বিভিন্ন খাবার দিয়ে গরু পালন করেছেন। অনেক ক্রেতা খামারে এসে গরু কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

চাটমোহর উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা গ্রামের খামারি মোফাজ্জল হোসেন বলেন, “কোরবানির ঈদ সামনে রেখে হাটে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে দেশি ও বিভিন্ন জাতের ষাঁড়। কিছু বিক্রি হয়েছে। দাম মোটামুটি সাধ্যের মধ্যে থাকবে এমনটি ধারণা করা হচ্ছে। খামারিরাও ভালো দাম পাবে আশা করি।”

আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত গ্রামের খামারি শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা মূলত কোরবানির ঈদকে সামনে রেখেই গরু মোটাতাজা করি। মাঝারি গরুর বেশি চাহিদা থাকে ক্রেতাদের কাছে। আমরা সেই চাহিদা মাথায় রেখে গরু লালন পালন করে প্রস্তুত করি। এবারও করেছি। আশা করি বিক্রি ভালো হবে, দামও ভালো পাব।”

পাবনা জেলা প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম বলেন, “প্রতিটি উপজেলায় ভেটেরিনারী টিম খামারিদের পরামর্শ দিচ্ছে, যাতে কেউ ক্ষতিকর কোনো ওষুধ ব্যবহারে গরু মোটাতাজা করতে না পারে।”

ঢাকা/শাহীন/মাসুদ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়