ঢাকা     বুধবার   ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||  মাঘ ১৯ ১৪২৯

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথমবারের মতো বিচারক হলেন সুমাইয়া ও তানিয়া

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২৩:০০, ২৪ জানুয়ারি ২০২৩   আপডেট: ২৩:০৯, ২৪ জানুয়ারি ২০২৩
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথমবারের মতো বিচারক হলেন সুমাইয়া ও তানিয়া

১৫তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে প্রথমবারের মতো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিচারক হয়েছেন আইন ও বিচার বিভাগের দুইজন শিক্ষার্থী- সুমাইয়া জান্নাত এবং তানিয়া আক্তার।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের অন্তর্ভুক্ত একমাত্র বিভাগ আইন ও বিচার বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী তারা। উল্লেখ্য, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে আইন ও বিচার বিভাগের যাত্রা শুরু হয়।

বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেল ছয়টায় জেলা ও দায়রা জজ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শরিফ এ এন রেজা জাকেরের স্বাক্ষরিত এক নোটিশে ১৫তম জুডিশিয়াল সার্ভিসে নিয়োগের জন্য ১০৩ জনকে সুপারিশ করে ফলাফল প্রকাশ করে। যেখানে যথাক্রমে সুমাইয়া জান্নাতের মেধাক্রম ৫৮তম এবং তানিয়া আক্তারের মেধাক্রম ৯৩তম।

আইন ও বিচার বিভাগের প্রথমবারের মতো এমন সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সহপাঠী ও সিনিয়রদের এমন সাফল্য আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থী উচ্ছ্বসিত।

বিচারক হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী সুমাইয়া জান্নাত বলেন, এমন সাফল্য অবশ্যই অনেক আনন্দের। বিভাগ থেকে প্রথমবার বিচারক হয়েছি এ এক গভীর অনুভূতি, যা সংক্ষেপে ব্যক্ত করা সম্ভব নয়।

তানিয়া আক্তার বলেন, এটা এভারেস্ট জয়ের সমান। সৃষ্টিকর্তা, বিভাগের শিক্ষক, সহপাঠী সবার সাপোর্ট পেয়েছি সবসময়ই।

আইন ও বিচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান নিউটন বলেন, প্রথম ব্যাচ হিসেবে তারা অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে গেছেন। তাদের এমন সাফল্য আমরা গর্বিত। 

আইন ও বিচার বিভাগের এমন সাফল্যে বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক আহসান কবির বলেন, এটি আইন ও বিচার বিভাগের গর্ব করার মতো সাফল্য। শিক্ষার্থীদের এমন সাফল্য তারা নিজেরা যেমন খুশি ও আনন্দিত, আমরাও তাদের সমপরিমাণ খুশি ও উচ্ছ্বসিত। তিনি আরো বলেন, এটা আমাদের সাফল্যের সূচনা মাত্র। যখন আমাদের আরো বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী বিচারক হবে তখন আমাদের আরো ভালোলাগা কাজ করবে। এবং সাফল্যের এই সূচনা ধারাবাহিক বজায় থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। 

তৈয়ব শাহনূর/ফিরোজ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়