ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ০৫ মার্চ ২০২৬ ||  ফাল্গুন ২০ ১৪৩২ || ১৫ রমজান ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

প্রাইম ফাইন্যান্সের ব্যবসায়িক সক্ষমতা নিয়ে নিরীক্ষকের শঙ্কা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১২:০৫, ৫ মার্চ ২০২৬  
প্রাইম ফাইন্যান্সের ব্যবসায়িক সক্ষমতা নিয়ে নিরীক্ষকের শঙ্কা

ফাইল ফটো

পুঁজিবাজারের আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড আর্থিক সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। ফলে এ কোম্পানিটির সম্পদের তুলনায় দায় বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা কোম্পানিটির ব্যবসাকে অনিশ্চয়তা ও অস্তিত্ব সংকটের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। তাই কোম্পানিটির সক্ষমতা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন নিরীক্ষক।

কোম্পানিটির ২০২৩ অর্থবছরের আর্থিক হিসাব নিরীক্ষায় এই শঙ্কা প্রকাশ করেছেন নিরীক্ষক।

আরো পড়ুন:

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, গত কয়েক বছর ধরে নিয়মিত অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে বিভিন্ন আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলো। সেই তালিকায় প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টও রয়েছে। ২০২৫ সালের বার্ষিক আর্থিক হিসাব প্রকাশের সময় চললেও চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি ২০২৩ সালেরটি প্রকাশ করেছে প্রাইম ফাইন্যান্স কর্তৃপক্ষ। যে আর্থিক হিসাবে কোম্পানির অস্তিত্ব সংকটের কথা তুলে ধরেছেন নিরীক্ষক।

নিরীক্ষকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাইম ফাইন্যান্স বর্তমানে নগদ অর্থের সংকটে রয়েছে। আর সংরক্ষিত মুনাফা (রিটেইন আর্নিংস) ২০১৫ সাল থেকে ঋণাত্মক রয়েছে। এ কোম্পানিটির প্রদত্ত ঋণের মধ্যে অধীনস্থ ও সহযোগী কোম্পানিতে দেওয়া ঋণও খেলাপি হয়ে গেছে।

কোম্পানিটিকে ১৯৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকার সঞ্চিতি (প্রভিশন) ২০২৩ সাল থেকে পরবর্তী ৮ বছরের জন্য সমান হারে রাখার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু কোম্পানিটি আগের ২ অর্থবছরের ন্যায় ২০২৩ সালের ব্যবসায় লোকসানে করেছে। এমনকি পরিচালন লোকসানে রয়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে সঞ্চিতি গঠনের মতো পর্যাপ্ত মুনাফা করা কোম্পানিটির পক্ষে সম্ভব না। চলমান এই শোচণীয় দুরাবস্থার কারণে প্রাইম ফাইন্যান্সের ব্যবসা চালানোর সক্ষমতা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন নিরীক্ষক।

২০০৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া প্রাইম ফাইন্যান্সের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ২৭২ কোটি ৯২ লাখ টাকা। এরমধ্যে শেয়ারবাজারের বিভিন্ন শ্রেণির (উদ্যোক্তা/পরিচালক ব্যতিত) বিনিয়োগকারীদের মালিকানা ৪০.৮৬ শতাংশ। কোম্পানিটির বুধবার (৪ মার্চ) শেয়ার দর দাঁড়িয়েছে ৫.০০ টাকায়।

উল্লেখ্য, প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ২০০৫ সালে। ‘জেড’ কোম্পানির মোট পরিশোধিত মূলধন ২৭২ কোটি ৯১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। সে হিসাবে কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ২৭ কোটি ২৯ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৩টি। ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত কোম্পানির উদ্যোক্তাদের হাতে ৫৯.১৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৭.১৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩৩.৭৩ শতাংশ শেয়ার আছে।

ঢাকা/এনটি/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়