ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||  ফাল্গুন ৯ ১৪৩০

‘কবরের ওপরে চুমু খায়, হাত বোলায়, ফুঁ দেয়’

প্রকাশিত: ১৬:৫৮, ২৯ নভেম্বর ২০২৩   আপডেট: ১৭:০৪, ২৯ নভেম্বর ২০২৩
‘কবরের ওপরে চুমু খায়, হাত বোলায়, ফুঁ দেয়’

ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী পরীমণির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা যেত তার একমাত্র অভিভাবক নানা শামসুল হক গাজীকে। গত বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে মারা গেছেন তিনি। প্রিয় নানাকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন এই অভিনেত্রী। শোক তো কাটছেই না। বরং সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পরীমণির মনে আরো বিষাদের ছায়া নামছে।

নানাকে হারানোর শোক ভুলতে পারছেন না পরীমণি। নানার স্মৃতি নিয়ে তার কবরের পাশে বসে থাকেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় পরীমণির স্ট্যাটাসে শোকের আভাস মেলে। নানার কবরের পাশে বসে থাকা কিছু ছবি প্রকাশ করে পরীমণি লিখেছেন, ‘এর আগে যতবার নানুবাড়ি গেছি, নির্দিষ্ট তারিখেই ঢাকায় ব্যাক করেছি। বাড়ির সবাই দুই-একদিন বেশি থেকে যেতে বললেও থাকা হয়নি। আর এখন মনে হচ্ছে নানুর কবর ধরে সারাদিন সারারাত যদি বসে থাকতে পারতাম! কিন্তু পারি না।’

নানার কবরের পাশে বেশ কিছু ফুলের গাছ লাগিয়েছেন পরীমণি। সেই গাছে পানি দেওয়া অবস্থায় নিজের উপলব্ধির কথাও প্রকাশ করেছেন তিনি। তার ভাষায়, ‘আমার পদ্মফুল কেবল নানুকে চিনতে শুরু করেছিল। বড় আব্বু বলে ডাকতে শিখেছিল। এখন যদি কেউ ওকে বলে ‘তোমার বড় আব্বু কই? ওমনি এই যে বলে সাথে সাথে আঙ্গুল তুলে নানুর কবরটা দেখিয়ে দেয়! কবরের ওপরে চুমু খায়, হাত বোলায়, ফুঁ দেয়। আসার সময় হাত নেড়ে নেড়ে কতবার যে বললো, ‘আব্বুটা বাই, আব্বুটা বাই!’’

এর আগে কবরের একটি ছবি পোস্ট করে পরীমণি ক্যাপশনে লিখেছিলেন, ‘শেষ গন্তব্য। আমার নানুর বাড়ি।’

পরীমণির নানাবাড়ি পিরোজপুরে। তার নানা শামসুল হক গাজী ছিলেন ভগীরথপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক। ছোটবেলায় মা-বাবা মারা যাওয়ার পর নানা বাড়িতেই বেড়ে ওঠেন তিনি। নানাবাড়িতে থেকেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। শামসুল হক গাজীর মৃত্যুর পর তাকে নিজ গ্রামেই দাফন করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানেই অবস্থান করছেন পরীমণি।

ঢাকা/রাহাত/শান্ত

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়