ঢাকা     শুক্রবার   ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ||  বৈশাখ ৪ ১৪৩৩ || ২৮ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

কবরীর জানা-অজানা ছয় তথ্য

বিনোদন ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১২:৩৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬  
কবরীর জানা-অজানা ছয় তথ্য

কবরী

ঢাকাই সিনেমার ‘মিষ্টি মেয়ে’খ্যাত অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী। দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে অসংখ্য দর্শকপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি কবরী ছিলেন পরিচালক ও প্রযোজক। সর্বশেষ সরকারি অনুদানের একটি সিনেমার নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু শেষ করে যেতে পারেননি। ২০২১ সালের মারা যান তিনি। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) তার মৃত্যুবার্ষিকী। বিশেষ দিনে বরেণ্য এই শিল্পীর জানা-অজানা ছয় তথ্য নিয়ে এই প্রতিবেদন— 

এক. ১৯৫০ সালের ১৯ জুলাই চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে জন্মগ্রহণ করেন কবরী। তার আসল নাম ছিল মিনা পাল। বাবা শ্রীকৃষ্ণদাস পাল, মা লাবণ্য প্রভা পাল। 

আরো পড়ুন:

দুই. চট্টগ্রামের সরল-সহজ মেয়েটি ১৯৬৪ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে জীবনে প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান। সিনেমার নাম ‘সুতরাং’। তার প্রথম পরিচালক ও নায়ক সুভাষ দত্ত। ১৯৬৫ সালে অভিনয় করেন ‘জলছবি’ ও ‘বাহানা’ সিনেমায়। ১৯৬৮ সালে ‘সাত ভাই চম্পা’, ‘আবির্ভাব’, ‘বাঁশরি’, ‘যে আগুনে পুড়ি’। ১৯৭০ সালে ‘দীপ নেভে নাই’, ‘দর্পচূর্ণ, ‘ক খ গ ঘ ঙ’, ‘বিনিময়’ সিনেমায় দেখা যায় তাকে। 

তিন. ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি চলে যান কবরী। সেখান থেকে পাড়ি জমান ভারতে। কলকাতায় গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করতে বিভিন্ন সভা-সমিতি ও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন এই শিল্পী। 

চার. এক সাক্ষাৎকারে ভারতে পাড়ি জমানোর স্মৃতিচারণ করেন কবরী। তিনি বলেছিলেন, “সেখানকার এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অবস্থার কথা তুলে ধরেছিলাম। কীভাবে আমি মা-বাবা, ভাইবোন, আত্মীয়স্বজন সবাইকে ছেড়ে এক কাপড়ে পালিয়ে সেখানে পৌঁছেছি, সে কথা বলেছিলাম। সেখানে গিয়ে তাদের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের দেশকে সাহায্যের আবেদন করি।” 

পাঁচ. দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আবারো চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন কবরী। শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। ১৯৭৩ সালে ঋত্বিক ঘটক পরিচালিত ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ সেসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। নায়ক রাজ্জাকের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করা ‘রংবাজ’ সিনেমায় বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে। 

ছয়. ১৯৭৫ সালে নায়ক ফারুকের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেন ‘সুজন সখী’ সিনেমায়। এটি মুক্তির পর আগের সব জনপ্রিয়তা ছাড়িয়ে যায়। এরপর কেবলই এগিয়ে চলা সামনের দিকে। তার অভিনীত জনপ্রিয় সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে—‘আগন্তুক’, ‘নীল আকাশের নিচে’, ‘ময়নামতি’, ‘সারেং বৌ’, ‘দেবদাস’, ‘হীরামন’, ‘চোরাবালি’, ‘পারুলের সংসার’।

ঢাকা/শান্ত

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়