ঢাকা     শুক্রবার   ০৭ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ২৩ ১৪২৭ ||  ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজন নতুন আইন’

নিউজ ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:৫৮, ১১ জুলাই ২০২০  

দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজন নতুন আইন। যে আইন চিকিৎসা সেবাগ্রহীতা, সেবাদাতা ও ব্যবস্থাপকের অধিকার সংরক্ষণ করবে।  একইসঙ্গে জবাবদিহিতা-স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে এবং দুর্নীতি ও সহিংসতা প্রতিরোধে সহায়ক হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় ‘মেডিক্যাল নেগলিজেন্স অ্যান্ড ইসপ্যাক্ট অন হেলথ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে বক্তারা এ কথা বলেন। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়ন ফোরাম এই ওয়েবিনারের আয়োজন করে।  সঞ্চালনা করেন বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র হেলথ স্পেশালিস্ট ডা. জিয়া হায়দার।

হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, আমাদের একটি চিকিৎসা সুরক্ষা আইন হতে হবে।  যে আইনটি তিন পক্ষের অধিকার সুরক্ষা করবে। 

লেলিন চৌধুরী বলেন, দেশে সবচেয়ে বেশি মেডিক্যাল নেগলিজেন্সি ঘটনা ঘটেছে কোভিড-১৯ আসার পরে।  স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর দেশের মানুষের কেন আস্থা থাকবে? আমার ডিজির করোনা হলো।  তিনি তার আওতাধীন কোনও হাসপাতালে ভর্তি হলেন না। সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হলেন। কারণ তিনি জানেন, তার সময় এবং এখন কী হচ্ছে। এই অবস্থা থেকে বের আসার জন্য প্রয়োজন আইনের শাসন।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ও কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ব্রি. জেনারেল আমিনুল ইসলাম বলেন, নেগলিজেন্সি করে অনেকে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকে। আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ২৫ শতাংশ চিকিৎসক সময় মতো অফিসে আসেন না এবং সময়ের আগেই বের হয়ে যান।  প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের হাসপাতাল পরিদর্শন বাড়াতে হবে।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সাবেক নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজ বলেন, শিক্ষিত পরিবারেও এক ধরনের স্টিগমা আছে— আমরা পোস্টমর্টেম করতে দিতে চাই না। যে কারণে অনেক সময় নেগলিজেন্স প্রমাণ করা যায় না।  আমরা একটি বলয় তৈরি করেছি যাতে কোনোভাবেই কেউ অন্যায়ের বিরুদ্ধে যেতে না পারে।

সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন বলেন, আমি মনে করি আইন যেমন সংশোধন করা দরকার, একইসঙ্গে চিকিৎসা খাতের জন্য একটি কোডিফাই ‘ল’ দরকার। 


ঢাকা/সাইফ

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়