ঢাকা     শুক্রবার   ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||  আশ্বিন ১০ ১৪২৭ ||  ০৭ সফর ১৪৪২

‘স্বাস্থ্য খাতে কাঠামোগত বণ্টন জরুরি’

নিউজ ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:৪৭, ২৫ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১০:৩৯, ২৫ আগস্ট ২০২০
‘স্বাস্থ্য খাতে কাঠামোগত বণ্টন জরুরি’

স্বাস্থ্য খাতের অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনা দূর করতে কাঠামোগত বণ্টন জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। একইসঙ্গে সরকারি খাত, বেসরকারি খাত ও অলাভজনক সংস্থার সমন্বয় প্রয়োজন।  তারা বলছেন, বিকেন্দ্রীকরণ ও সমন্বয়ের দায়িত্ব অবশ্যই সরকারকে নিতে হবে। 

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়ন ফোরাম আয়োজিত ঘণ্টাব্যাপী ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে বক্তারা এ কথা বলেন।

ওয়েবিনারে অংশ নেন বিশ্ব ব্যাংকের সাবেক লিড প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট ড. আখতার মাহমুদ, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ ও লিভারপুল স্কুল অব ট্রপিক্যাল মেডিসিন-এর সিনিয়র হেলথ ইকোনমিস্ট ড. জাহাঙ্গীর খান।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র হেলথ স্পেশালিস্ট জিয়া উদ্দিন হায়দার। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়ন ফোরাম নিয়মিতভাবে স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্ট সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাপ্তাহিক এই আয়োজন করে আসছে।

আখতার মাহমুদ বলেন, আমাদের দেশে এখনো অনেক কিছু একীভূত অবস্থায় আছে।  অনেক কিছু ঢাকা কেন্দ্রীক হচ্ছে।  এই অবস্থা পরিবর্তনে সরকারের ভেতরে বিকেন্দ্রীকরণ হতে হবে অথবা সরকারের বাইরে অন্য কাউকে দায়িত্ব দিয়ে পাবলিক পলিসি মাধ্যমে সবার জন্য স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

নাজনীন আহমেদ বলেন, আমরা যখন স্বাস্থ্য প্রশাসনের কথা বলছি তখন তিনটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।  ফিন্যান্সিং কতটা হবে, ইনইকুয়ালিটি ও এফিসিয়েন্ট ইউজ অব রিসোর্সেস। এই তিনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে কীভাবে সার্ভিস বেশি দেবো সেটা নিশ্চিত করতে হবে।  যারা অতি দরিদ্র তাদের জন্য শুধু হাসপিটাল রাখলে হবে না। বিশেষ ক্ষেত্রে যেমন—ক্যানসার, যক্ষ্মা ও মাতৃসেবা ইত্যাদি ক্ষেত্রে আলাদা প্রকল্প দরকার। কারণ পাবলিক হসপিটালে যাওয়ার সামর্থ্যও অনেকের নেই। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনিতে কিছু প্রকল্প দেখা যায়, সেই বরাদ্দও যদি ঠিকভাবে ব্যবহার করা হতো তাহলে আউট অব দ্য পকেট খরচ কমানো যেত।

জাহাঙ্গীর খান বলেন, সরকারি হাসপাতাল, বেসরকারি খাত ও অলাভজনক বেসরকারি সংস্থা কমপ্লিমেন্টারি ভূমিকা রাখছে কি না সেটা নিশ্চিত করতে হবে। যদি একই জায়গায় কাজ করে তাহলে আমাদের অনেক রিসোর্স নষ্ট হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, সব সময় আমাদের ক্ষমতার চেয়ে উঁচু মানের বাজেট করা হয়।  প্রশ্ন হলো, বাজেট অনুসারে টাকা রেডি থাকে নাকি বলে দিলাম আমরা এই টাকা খরচ করবো, বিষয়টা এমন? এনবিআর বা অন্য খাত থেকে যে টাকা আসার কথা, তা আসে না। বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনেও আমরা দেখেছি, এটা একটা বড় ধরনের ব্যর্থতা।  বলা হয়, বরাদ্দ দিলেও খরচ হয় না।  কেন খরচ হচ্ছে না সেটাও দেখতে হবে। 

 

 

ঢাকা/সাইফ

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়