ঢাকা     সোমবার   ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ||  পৌষ ২১ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

সরাসরি: ‘মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু- আমরা জয়ী হব’, মাদুরোকে ছিনতাইয়ের পর দেশে দেশে প্রতিক্রিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৪:০০, ৪ জানুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ১৫:১৯, ৪ জানুয়ারি ২০২৬
‘মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু- আমরা জয়ী হব’, মাদুরোকে ছিনতাইয়ের পর দেশে দেশে প্রতিক্রিয়া

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ছিনতাইয়ের খবরে শনিবার রাজধানী কারাকাসে এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নামেন মাদুরোর সমর্থকরা।

ভেনেজুয়েলায় রেজিম চেঞ্জের এক ন্যক্কারজনক অধ্যায়ের সূচনা করে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে ছিনতাই বা অপহরণ করে নিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের হানাদার বাহিনী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী, কোনো দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের কোনো সুযোগ নেই। এই আইনের ওপর পুরো বিশ্বব্যবস্থা দাঁড়িয়ে আছে। তবে মাদুরোকে ছিনতাইকে করার পর দেশে দেশে এর পক্ষে-বিপক্ষে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, যেখানে অধিকাংশ দেশ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের নিন্দা করেছে। 

ভেনেজুয়েলা লাতিন আমেরিকার দেশ। ফলে ওই মহাদেশের দেশগুলোতে মাদুরোকে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবরে সবচেয়ে বেশি প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অবশ্য ইউরোপ ও এশিয়ার অনেক দেশ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।

আরো পড়ুন:

আলজাজিরার খবরের ভিত্তিতে ২৩টি দেশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখানে তুলে ধরা হলো।

কলম্বিয়া
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একাধিক পোস্টে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো লিখেছেন, “তারা (যুক্তরাষ্ট্র) ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়েছে- এ কথা পুরো বিশ্বকে জানানো জরুরি।”

তিনি বলেন, “শান্তি, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং মানবজীবন ও মর্যাদার সুরক্ষা- যেকোনো সশস্ত্র সংঘাতের ঊর্ধ্বে থাকতে হবে। এই বিশ্বাসই কলম্বিয়া পুনর্ব্যক্ত করছে।”

আরেক পোস্টে পেত্রো বলেন, ভেনেজুয়েলা ও লাতিন আমেরিকার সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে এই আগ্রাসন কলম্বিয়া প্রত্যাখ্যান করছে।

পরে তিনি ভেনেজুয়েলা সীমান্তে সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দেন।

কিউবা
প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ভাষায় যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা জানান। ওয়াশিংটনের মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পদক্ষেপকে তিনি ‘অপরাধমূলক হামলা’ বলে বর্ণনা করেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, কিউবার ‘শান্তির অঞ্চল’ নির্মমভাবে আক্রান্ত হয়েছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে শুধু ভেনেজুয়েলার জনগণের বিরুদ্ধে নয়, বরং পুরো ‘আমাদের আমেরিকা’-এর বিরুদ্ধে পরিচালিত ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ’ বলে বর্ণনা করেন।

বিবৃতির শেষাংশে তিনি বলেন, “মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু- আমরা জয়ী হব।”

বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন কিউবান দূতাবাসের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে হাভানা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার নিন্দা জানায় এবং একে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ’ আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি প্রতিক্রিয়া দাবি করে।

চিলি
এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিক যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের বিষয়ে ‘উদ্বেগ ও নিন্দা’ জানান।

তিনি বলেন, “ভেনেজুয়েলার চলমান গুরুতর সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানাচ্ছি।”

চিলি আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতি- বলপ্রয়োগ নিষিদ্ধকরণ, অনধিকার হস্তক্ষেপ না করা, শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি এবং রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। সহিংসতা বা বিদেশি হস্তক্ষেপ নয়, সংলাপ ও বহুপাক্ষিক উদ্যোগের মাধ্যমেই সংকটের সমাধান হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

মেক্সিকো
এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম বলেন, “মেক্সিকো ভেনেজুয়েলায় সামরিক হস্তক্ষেপের নিন্দা জানায়।”

তিনি জাতিসংঘ সনদের একটি ধারা উদ্ধৃত করে বলেন, কোনো রাষ্ট্রই অন্য রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা বা রাজনৈতিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ বা হুমকি দিতে পারে না।

ব্রাজিল
প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলা ও মাদুরোকে আটক করা ‘গ্রহণযোগ্য সীমা অতিক্রম করেছে’।

তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে কোনো দেশে হামলা চালানো মানে সহিংসতা, অরাজকতা ও অস্থিরতার পথে হাঁটা, যেখানে শক্তিশালীর আইন বহুপক্ষীয়তাকে গ্রাস করে।”

“এই হামলা লাতিন আমেরিকায় অতীতের ভয়াবহ হস্তক্ষেপের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে এবং আঞ্চলিক শান্তিকে হুমকির মুখে ফেলে। জাতিসংঘের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের শক্ত প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন,” মন্তব্য করেন সিলভা।

বলিভিয়া
বলিভিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারা ভেনেজুয়েলার জনগণের প্রতি দৃঢ় ও তাৎক্ষণিক সমর্থন জানাচ্ছে। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সাংবিধানিক শাসন ফিরিয়ে আনা এবং মানবাধিকার নিশ্চিত করার প্রক্রিয়ায় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। 

গায়ানা
প্রেসিডেন্ট ইরফান আলী বলেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে গায়ানার প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বাহিনী। তিনি আশ্বস্ত করেন, দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুরোপুরি সক্রিয় রয়েছে।

ত্রিনিদাদ ও টোবাগো
প্রধানমন্ত্রী কামলা পারসাদ-বিসেসার বলেন, “৩ জানুয়ারি ২০২৬ সকালে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান শুরু করেছে। ত্রিনিদাদ ও টোবাগো এই অভিযানে কোনোভাবেই অংশগ্রহণ করছে না।”

তিনি জানান, ভেনেজুয়েলার জনগণের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবে তার দেশ।

ইকুয়েডর
প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া আজিন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা ও জনগণকে উদ্দেশ করে বলেন, “এবার আপনারা আপনাদের দেশ পুনরুদ্ধার করুন।”

তিনি বলেন, “নার্কো-চাভিস্তা অপরাধীদের সময় শেষ হতে চলেছে।” ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতাদের তিনি ইকুয়েডরের সমর্থনের আশ্বাস দেন।

উরুগুয়ে 
উরুগুয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা ও সামরিক অভিযানের খবরে তারা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
তারা আবারো অন্য দেশের ভূখণ্ডে সামরিক হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করে এবং জাতিসংঘ সনদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর আহ্বান জানায়।

আর্জেন্টিনা
প্রেসিডেন্ট হাভিয়ার মিলেই বলেন, “এটি একজন স্বৈরশাসকের পতন, যিনি নির্বাচনে পরাজিত হয়েও ক্ষমতা আঁকড়ে ছিলেন।”

তিনি একে ‘মুক্ত বিশ্বের জন্য দারুণ খবর’ বলে বর্ণনা করেন এবং বলেন, নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট এদমুন্দো গনসালেস উরুতিয়াইয়ের ক্ষমতা গ্রহণ করা উচিত।

পানামা
প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুলিনো বলেন, “জনগণের ইচ্ছাই ঘৃণা ও নিপীড়নের ওপর জয়ী হবে। ভেনেজুয়েলাকে আবার স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক হতে হবে।”

চীন
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি প্রয়োগে তারা ‘গভীরভাবে বিস্মিত। এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বেইজিং। একে ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন ও লাতিন আমেরিকার শান্তির জন্য হুমকি বলে বর্ণনা করেছে চীন।

ইরান
সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেন, “যখন কোনো শত্রু মিথ্যা অজুহাতে কোনো জাতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চায়, তখন দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করাই জরুরি।”

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলার কঠোর নিন্দা জানায়।

রাশিয়া
রাশিয়া একে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সশস্ত্র আগ্রাসন’ বলে নিন্দা জানিয়ে সংলাপের মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানায়। মাদুরো ও তার স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়াকে সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি গুরুতর লঙ্ঘন বলেও দাবি করে মস্কো।

যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি জানান, নিউ ইয়র্কের আদালতে নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মাদক-সন্ত্রাসসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।

সিনেটর মাইক লি বলেন, মাদুরো আটক হওয়ার পর ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে।

যুক্তরাজ্য
প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, যুক্তরাজ্য এই হামলায় জড়িত নয় এবং তিনি ঘটনার পূর্ণ তথ্য জানতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলতে চান। তিনি আন্তর্জাতিক আইন মানার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন
ইইউ পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাস জানান, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদ মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

স্পেন
স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ভেনেজুয়েলায় উত্তেজনা প্রশমন, সংযম প্রদর্শন এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর আহ্বান জানাচ্ছে মাদ্রিদ। এছাড়া, ভেনেজুয়েলায় শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে পেতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত বলেও জানায় স্পেন।

জার্মানি
এএফপি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারা ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি খুব ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সর্বশেষ প্রতিবেদনগুলো গভীর উদ্বেগের সঙ্গে অনুসরণ করছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, কারাকাসে অবস্থিত জার্মান দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারের সংকট ব্যবস্থাপনা টিম সক্রিয় রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় করা হচ্ছে।

ইতালি
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বলেন, তিনি ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। একই সঙ্গে সেখানে অবস্থানরত ইতালির নাগরিকদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তায়ানির সঙ্গে তিনি সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। বর্তমানে ভেনেজুয়েলায় প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার ইতালীয় বসবাস করছেন, যাদের বেশির ভাগেরই দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে।

ফ্রান্স
ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল ব্যারো বলেন, ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান আন্তর্জাতিক আইনকে দুর্বল করেছে।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে পরিচালিত সামরিক অভিযান আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতি- বলপ্রয়োগ থেকে বিরত থাকার নীতির পরিপন্থি। ফ্রান্স পুনরায় জানাচ্ছে, বাইরে থেকে কোনো স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান চাপিয়ে দেওয়া যায় না; কেবলমাত্র সার্বভৌম জনগণই নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে।”

ইন্দোনেশিয়া
ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইভোন মেউয়েংকাং জানান, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে জাকার্তা, যাতে সেখানে অবস্থানরত ইন্দোনেশীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

তিনি বলেন, উত্তেজনা প্রশমন ও সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে ইন্দোনেশিয়া। একই সঙ্গে বেসামরিক জনগণের সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়া আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার প্রতি সম্মানের দেওয়ার গুরুত্বও পুনর্ব্যক্ত করেছে।

ঢাকা/রাসেল

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়