ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ০৫ মার্চ ২০২৬ ||  ফাল্গুন ২০ ১৪৩২ || ১৫ রমজান ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

শিরোপা হারানোর মঞ্চে সাকিবের ব‌্যাটে রান, বোলিংয়ে অনুজ্জ্বল

ক্রীড়া ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৮:১২, ৫ জানুয়ারি ২০২৬  
শিরোপা হারানোর মঞ্চে সাকিবের ব‌্যাটে রান, বোলিংয়ে অনুজ্জ্বল

সাকিব আল হাসান

আইএল টি-টোয়েন্টিতে এমআই এমরেটসকে ফাইনালে তোলার নায়ক ছিলেন সাকিব আল হাসান। অলরাউন্ড পারফরম‌্যান্সে দলকে শিরোপা মিশনে এগিয়ে নেন বাংলাদেশের সুপারস্টার। কিন্তু ফাইনালের মঞ্চে সাকিব পারেননি শিরোপা জেতাতে। ব্যাটিংয়ে রান পেয়েছেন। কিন্তু বোলিংয়ে ছিলেন অনুজ্জ্বল।

রোববার দারুণ জয়ে এমআই এমিরেটসকে হারিয়ে আইএল টি-টোয়েন্টির চতুর্থ আসরে চ‌্যাম্পিয়ন হলো ডেজার্ট ভাইপার্স। বোলিংয়ে সাকিব ১ ওভারের বেশি করতে পারেননি। ইনিংসের প্রথম ওভার করতে এসে ১০ রান দেন। এরপর আর বোলিংই পাননি। ব‌্যাটিংয়ে সাকিব নেমেছিলেন চার নম্বর পজিশনে। সেখানে বড় রানের প্রয়োজন ছিল দলের। সাকিব চেষ্টা করেছেন। ভালো শুরুও পেয়েছিলেন। কিন্তু দ্রুত রান তোলার তাড়া থাকায় বাড়তি ঝুঁকি নিয়ে খেলতে হয়েছে সাকিবকে। তাতে ডেকে আনেন বিপদ। ৩ চারে ২৭ বলে করেন ৩৬ রান। যা ছিল এমআই এমিরেটসের পক্ষে সর্বোচ্চ।

আরো পড়ুন:

দুবাইয়ে ফাইনালে আগে ব‌্যাটিং করতে নেমে ডেজার্ট ভাইপার্স ১৮২ রান করে ৪ উইকেট। জবাব দিতে নেমে এমআই এমিরেটস ১৩৬ রানে গুটিয়ে যায়। ৪৬ রানের জয়ে ফাইনালে শিরোপা উৎসব করে ডেজার্ট। চরম ব্যাটিং ধসে ফাইনালের শিরোপা হাতছাড়া করেন সাকিবরা। ২২ রানে শেষ ৬ উইকেট হারায় তারা।

ফাইনালের নায়ক হয়েছেন ডেজার্ট ভাইপার্সের অধিনায়ক স‌্যাম কারান। ৮ চার ও ২ ছক্কায় ৫১ বলে ৭৪ রান করেন ইংলিশ অলরাউন্ডার। পাশাপাশি ১২ ম‌্যাচে ৩৯৭ রান ও ৭ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সেরাও হয়েছেন তিনি। 

সাকিব যখন ব‌্যাটিংয়ে নামেন তখন ৮ ওভারে এমিরেটসের স্কোর ৪ উইকেটে ৫৪। পোলার্ডকে সঙ্গে নিয়ে সাকিব এগিয়ে যান ভালোভাবেই। তাদের জুটি ছিল ৪৫ বলে ৬০ রানের। শেষ ৫ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৬৯ রান। টি-টোয়েন্টিতে যা হয়ে যায় অনায়েসেই। কিন্তু হঠাৎ ছন্দপতনে সব ওলটপালট।

সাকিবের বিদায় দিয়েই যার শুরু। অফস্পিনার উসমান তারিককে উড়াতে গিয়ে সাকিব লং অফে ধরা পড়েন। এরপর পোলার্ড পরের ওভারে আউট হন। বাকিরা উইকেটে গেছেন আর ফিরেছেন। তাতে ফাইনালের মঞ্চে বড় পরাজয় নিশ্চিত হয়ে যায় সাকিবদের।

এর আগে ম‌্যাচের প্রথম ওভারটি করেন সাকিব। দ্বিতীয় বলে সাকিবকে এগিয়ে এসে ছক্কা উড়ান ফখর জামান। পরের পাঁচ বলে ৪ রানের বেশি দেননি তিনি। এরপর আর বল হাতে পাননি বাঁহাতি স্পিনার।

প্রথমবার আইএল টি-টোয়েন্টিতে নাম লিখিয়ে অম্লমধুর স্বাদ পেয়েছেন সাকিব। কখনো তার পারফরম্যান্স ভালো হয়েছে। কখনো খারাপ। আবার দল থেকে বাদ পড়ার ঘটনাও ঘটেছে। আবার ফিরে এসে ভালো করার নজিরও আছে।

সব মিলিয়ে ৮ ম্যাচে ৫ ইনিংসে ১২২.৩৪ স্ট্রাইক রেটে সাকিব করেছেন ১১৫ রান। সর্বোচ্চ ইনিংস ৩৮। বোলিংয়ে ৮ ইনিংসে ৩ উইকেট নিয়েছেন ওভারপ্রতি ৬.১০ করে রান দিয়ে।

ঢাকা/ইয়াসিন

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়